গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রী ডা. দীপু মনি এম.পি মহোদয় এর জীবন বৃত্তান্ত

মোহাম্মদ নাসির হোসেন ০৮ ডিসেম্বর,২০১৯ ৭৯১৯ বার দেখা হয়েছে ১৫ লাইক ২০ কমেন্ট ৪.৯৩ (১৫ )

শুভ জন্মদিন 

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রী ডা. দীপু মনি এম.পি মহোদয় এর শুভ জন্মদিন আজ।

আসুন জেনে নেই মহান এ মানুষের জীবন ইতিহাস।

ডা. দীপু মনি, এম.পি

                      এম.বি.বি.এস. (ডিএমসি), এল.এল.বি. (এন ইউ),  এল.এল.এম. ( লন্ডন), এম.পি.এইচ. (জন্স হপকিনস)

ডা: দীপু মনি, এমপি, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রথমনারী শিক্ষা মন্ত্রী। সাবেক পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি (২০১৪-২০১৮), মানবাধিকার বিষয়ক সর্বদলীয় সংসদীয় গ্রুপের সভাপতি (২০১৪-২০১৮) ও সাবেক পররাষ্ট্র মন্ত্রী (২০০৯-২০১৩) ছিলেন। ডা: দীপু মনি, এমপি বাংলাদেশ ও দক্ষিন এশিয়ার প্রথম নারী পররাষ্ট্র মন্ত্রী ছিলেন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের চার জন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং চারজন দলীয় মুখপাত্র এর মধ্যে তিনি অন্যতম। একাদশ জাতীয় সংসদে  ডা: দীপু মনি চাঁদপুর-৩ (চাঁদপুর- হাইমচর) এর প্রতিনিধিত্ব করছেন।

জন্মঃ

দীপু মনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং ভাষা আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ও পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র লীগের প্রথম কাউন্সিল-নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক এম.এ ওয়াদুদের কন্যা। তার মা শিক্ষিকা রহিমা ওয়াদুদ ছিলেন মানুষ গড়ার কারিগর। ১৯৬৫ সালের ৮ ডিসেম্বর চাঁদপুর সদর উপজেলার  কামরাঙ্গা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

শিক্ষাঃ 

দীপু মনি হলিক্রস কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস এবং বাংলাদেশ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়  হতে এলএলবি পড়েন। এমবিবিএস ডিগ্রি লাভের পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্স হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব পাবলিক হেলথ থেকে এমপিএইচ ডিগ্রি অর্জন করেন।এছাড়া তিনি লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে মাস্টার্স ডিগ্রি ও হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমঝোতা ও দ্বন্দ্ব নিরসন এর ওপর একটি কোর্স সম্পন্ন করেন।

কর্মজীবনঃ

ডা. দীপু মনি বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের একজন আইনজীবী। ২০০৮ সালে আওয়ামীলীগের জয়লাভের মধ্য দিয়ে চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। একই সাথে শেখ হাসিনার মন্ত্রীসভার বাংলাদেশের প্রথম মহিলা পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পান। তিনি দশম সংসদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ছিলেন। ২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের ২০তম কাউন্সিলে তিনি পুনরায় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হন। একাদশ সংসদে মনি শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পান। তিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী শিক্ষা মন্ত্রী। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়- প্রতিবেশী দেশসমূহের সাথে বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালীণ সময়ে তিনি কমনওয়েলথ মিনিস্ট্রেরিয়াল অ্যাকশন গ্রুপ-এর প্রথম নারী এবং দক্ষিণ এশীয় চেয়ারপার্সন নির্বাচিত হন। এছাড়া তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সমুদ্র জয় করে। এতে করে বাংলাদেশ সরকার প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমার এবং ভারতের সাথে প্রায় চার দশকের সমুদ্র সীমা সংক্রান্ত অমীমাংসিত বিষয়টি আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় চূড়ান্ত ভাবে নিষ্পত্তির উদ্যোগ গ্রহণ করে ।

ব্যক্তিগত জীবনঃ

বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের এ্যাডভোকেট তৌফিক নাওয়াজ দীপু মনি'র স্বামী। তিনি আন্তর্জাতিক একটি ল’ফার্মের প্রধান। তিনি উপমহাদেশের দু’ হাজার বছরের ঐতিহ্য মন্ডিত ধ্রুপদী সঙ্গীতের উৎস হিসেবে পরিচিত ‘আলাপ’ এর একজন শিল্পী। তাদের রয়েছে দু’সন্তান। পুত্র তওকীর রাশাদ নাওয়াজ ও কন্যা তানি দীপাভলী নাওয়াজ।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ডা: দীপু মনি তাঁর নির্বাচনী এলাকা চাঁদপুর -৩ এ সকল নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছেন। মেঘনা ও ডাকাতিয়া নদীর ভাঙ্গন হতে চাঁদপুর ও হাইমচর রক্ষাকল্পে ১৯ কি:মি: দীর্ঘ স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ (যা চাঁদপুরবাসীর বহু দিনের দাবী ছিল), চাঁদপুরে ১৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন, লাকসাম-চাঁদপুর রেললাইন পুনর্বাসন, চাঁদপুর মেডিকেল কলেজ স্থাপন, ৩২৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন নির্মান, ৫৩টি উচ্চ বিদ্যালয়, মাদ্রাসা ও কলেজ ভবন নির্মান, ২৩৭ কি:মি: রাস্তা পাকা করণ, ১৫৯টি সেতু/কালভার্ট নির্মান, ৩৮টি কমিউনিটি ক্লিনিক নির্মান, ১১টি শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব ও কম্পিউটার ল্যাব নির্মান, পাসপোর্ট অফিস নির্মান, ৩০টি আশ্রয়ন প্রকল্পে ৩৭৫০টি ঘর নির্মান করে ভূমিহীন পরিবারের পূর্নবাসন, আধুনিক নৌবন্দর নির্মান (প্রক্রিয়াধীন), বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল নির্মাণ (প্রক্রিয়াধীন), চাঁদপুরে মৎস্য ডিপ্লোমা ইন্সটিটিউট চালুকরণ, চাঁদপুর প্রেস ক্লাব ভবন নির্মান, মেরিন টেকনোলোজি ইন্সটিটিউট ও হেলথ টেকনোলোজি ইন্সটিটিউট প্রতিষ্ঠা এর মধ্যে অন্যতম। সর্বোপরি তাঁর নির্বাচনী এলাকার শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক উন্নয়ন সুনিশ্চিত করনের লক্ষ্যে ডা: দীপু মনি ব্যাপক কর্মসূচী গ্রহণ করেছেন যার সুফল ইতোমধ্যে এলাকার জনগণ পেতে শুরু করেছেন।

পুরস্কার ও সম্মাননাঃ মাদার তেরেসা আন্তর্জাতিক পুরস্কার অর্জন করেন ডাঃ দীপু মনি এমপি।

তথ্য সূত্র : উইকিপিডিয়া।

মতামত দিন
সাম্প্রতিক মন্তব্য
মোঃ মেরাজুল ইসলাম
১৫ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০১:৩১ অপরাহ্ণ

মন্ত্রী মহোদয়কে অভিনন্দন


মো. সাখাওয়াত হোসেন
১৩ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০৬:০৫ পূর্বাহ্ণ

শিক্ষার্থীকেন্দ্রিক, সময়উপযোগী, চিন্তাযুক্ত, অসাধারণ কনটেন্ট ধন্যবাদ। (সাখাওয়াত, ঝিনাইদহ, ০১৭১৫৬৭১০৯৬, ই-মেইল-shbiddut@gmail.com)


মো:তাজুল ইসলাম ভূইয়া
১২ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০৬:৫৬ অপরাহ্ণ

লাইক রেটিং সহ শুভকামনা। আমার কন্টেন্ট দেখার অনুরুধ রইল।


মোঃ শাহজালাল পাটওয়ারী
১১ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০৭:৫০ অপরাহ্ণ

রেটিংসহ শুভ কামনা।আমার এ সপ্তাহের কন্টেন্ট দেখে লাইক, রেটিং ও মতামত দেওয়ার অনুরোধ করছি।


মোঃ শাহজালাল পাটওয়ারী
১১ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০৭:৪৮ অপরাহ্ণ

রেটিংসহ শুভ কামনা।আমার এ সপ্তাহের কন্টেন্ট দেখে লাইক, রেটিং ও মতামত দেওয়ার অনুরোধ করছি।


মোহাম্মদ সাজাদ মিয়া
১০ ডিসেম্বর, ২০১৯ ১০:৩৩ অপরাহ্ণ

ধন্যবাদ স্যার। পূর্ণ রেটিং দিয়েছি।


মোঃ আমিনুল ইসলাম
১০ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০৯:৩৬ অপরাহ্ণ

ধন্যবাদ স্যার। পূর্ণ রেটিং দিয়েছি।


মোঃ রুহুল আমিন খান
০৯ ডিসেম্বর, ২০১৯ ১০:৪৭ অপরাহ্ণ

ধন্যবাদ স্যার। পূর্ণ রেটিং সহ শুভ কামনা রইল।


মোঃশাহবাজ উদ্দিন
০৯ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০১:৩০ অপরাহ্ণ

পুর্ন রেটিং সহ ধন্যবাদ। আমার কন্টেন্ট দেখার অনুরোধ রইল


মুহাম্মদ সালাউদ্দিন ভূইয়া
০৮ ডিসেম্বর, ২০১৯ ১০:৫৫ অপরাহ্ণ

ধন্যবাদ


মোহাম্মদ নাসির হোসেন
০৯ ডিসেম্বর, ২০১৯ ১২:০৬ অপরাহ্ণ

thanks


লাইলী আক্তার
০৮ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০৯:৩৯ অপরাহ্ণ

লাইক এবং পূর্ণ রেটিংসহ শুভকামনা রইল। আমার এই সপ্তাহের কনটেন্ট ৫ম শ্রেণির English বিষয়ের Happy Birthday, Unite: 15 কনটেন্টটি দেখবেন এবং মতামত ও রেটিং দিবেন।


মোহাম্মদ নাসির হোসেন
০৯ ডিসেম্বর, ২০১৯ ১২:০৬ অপরাহ্ণ

thanks


মোছাঃ মাহ্‌মুদা বেগম
০৮ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০৮:২২ অপরাহ্ণ

ধন্যবাদ আপনাকে স্যার।


মোহাম্মদ নাসির হোসেন
০৯ ডিসেম্বর, ২০১৯ ১২:০৬ অপরাহ্ণ

thanks


অমর চন্দ্র দাস
০৮ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০৭:৪৮ অপরাহ্ণ

পূর্ণরেটিং সহ শুভ কামনা।


মোহাম্মদ গোলাম ছামদানী
০৮ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০৩:০৩ অপরাহ্ণ

সুন্দর শ্রেণী উপযোগী ও মানসম্মত কন্টেন্ট আপলোড এর জন্য পূর্ণ রেটিং সহ শুভকামনা রইল। আমার কন্টেন্ট দেখে রেটিং সহ মতামত প্রদানের জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। আমার ছবির উপর ক্লিক করেন > কনটেন্ট টাইটেলের উপর ক্লিক করেন প্লিজ পূর্ণ রেটিং সহ মন্তব্য করুন। ধন্যবাদ। ICT4E জেলা শিক্ষক অ্যাম্বাসেডরশিপ প্রোগ্রাম শিক্ষাক্ষেত্রে আইসিটির বহুমাত্রিক ব্যবহার নিশ্চিত করে ডিজিটাল বাংলাদেশ রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রোগ্রামের আওতায় শিক্ষাক্ষেত্রে বিভিন্ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। শিক্ষায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার, গুণগত শিক্ষা বাস্তবায়ন ও শিক্ষায় উদ্ভাবনী সংস্কৃতির বিকাশে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর ও এটুআই এর যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত হচ্ছে ICT4E জেলা শিক্ষক অ্যাম্বাসেডরশিপ প্রোগ্রাম। আমাদের লক্ষ্য আইসিটির বহুমাত্রিক ব্যবহারে প্রতি উপজেলায় কমপক্ষে ১০ জন করে দক্ষ শিক্ষকদের ICT4E জেলা শিক্ষক অ্যাম্বাসেডর হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করা যারা নিজ জেলা ও উপজেলায় শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন ও গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত করণে শিক্ষাক্ষেত্রে চলমান আইসিটির বিভিন্ন কার্যক্রমে প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করবেন। ICT4E জেলা শিক্ষক অ্যাম্বাসেডর নির্বাচনের ক্ষেত্রে কিছু মানদণ্ডঃ - শিক্ষক বাতায়নের সক্রিয় সদস্য হতে হবে। - শিক্ষক বাতায়নে নিজের তৈরি কমপক্ষে ২০ টি কনটেন্ট থাকতে হবে। - সপ্তাহের সেরা কনটেন্ট নির্মাতা (শিক্ষক বাতায়ন) - মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট কম্পিটিশনে সেরা মডেল কনটেন্ট নির্মাতা - মাস্টার ট্রেইনার অফ আইসিটি ইন এডুকেশন - অ্যাডভানসড আইসিটি ট্রেনিং কোর্স সম্পন্নকারী - মাইক্রোসফট ইনোভেটিভ এডুকেটর -মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম সক্রিয়করণে বিশেষ ভুমিকা পালনকারী - মুক্তপাঠ প্রত্যয়িত (মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট তৈরি –MMCD ও বেসিক টিচার্স ট্রেনিং (BTT) কোর্স) - বেসিক টিচার্স ট্রেনিং (BTT) কোর্স)- আইসিটি ২ প্রকল্প - ধারাবাহিক মুল্যায়ন প্রশিক্ষণ- সেসিপ প্রকল্প উপরিউক্ত যে মানদণ্ডে (কমপক্ষে ৪ টি মানদণ্ড) আপনি নির্বাচিত হবেন তার প্রমাণপত্র সহ উপজেলা মাধ্যমিক/জেলা শিক্ষা অফিসের সুপারিশ দাপ্তরিক পত্রের মাধ্যমে স্ক্যান কপি avijitsdu@gmail.com এই ঠিকানাই পাঠাতে হবে।


মোহাম্মদ নাসির হোসেন
০৮ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০৬:০৯ অপরাহ্ণ

ধন্যবাদ


মো: শরীফুল ইসলাম
০৮ ডিসেম্বর, ২০১৯ ১২:০৭ অপরাহ্ণ

Happy Birthday, Our honourable Education Minister Dr. Dipu Moni MP


মোহাম্মদ নাসির হোসেন
০৮ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০৬:০৯ অপরাহ্ণ

ধন্যবাদ