খুব সুন্দর একটি ইসলামী শিক্ষণীয় গল্প। আমরাও এ থেকে শিখতে পারি কীভাবে মানুষের ভুলগুলো শুধরিয়ে দেয়া যায়।

তৌহিদুল ইসলাম ২৬ মার্চ,২০২০ ১৪ বার দেখা হয়েছে লাইক কমেন্ট ৫.০০ ()

ফোরাত নদীর তীরে একদা এক বৃদ্ধ লোক খুব দ্রুত অযু করলেন। এত দ্রুত অযু করলেন যে, তার অযুই হল না। অতঃপর পূর্বের মত তাড়াহুড়া করেই নামায আদায় করলেন। যার দরুণ তার নামাযে ‘খুসু’, ‘খুযু’ কিছুই উপস্থিত ছিলনা।

বৃদ্ধের এ অবস্থা পর্যবেক্ষণ করছিলেন নবী দুলাল হযরত হাসান ও হোসাইন রা. কিন্তু তারা উভয়েই অস্থির হয়ে ভাবছিলেন যে, এ বৃদ্ধ লোকের ভুলগুলো কিভাবে শুধরে দেয়া যায়! কোন বেয়াদবি হয়ে যায় কিনা! তখন তারা খুব চমৎকার বিনয়ীর পন্থা অবলম্বন করলেন।

যখন বৃদ্ধ লোকটির নামাজ শেষ হল তখন তারা বিনয়ের শুরে তাকে বললেন জনাব! আপনি আমাদেরকে একটু সময় দিবেন। বৃদ্ধ সম্মতি প্রকাশ করলে তারা বলল যে- আমরা ওযু করব এবং নামায আদায় করব। আপনি দয়া করে আমাদের ভুলগুলো শুধরিয়ে দেবেন।

অতপর ইমাম হাসান ও  হোসাইন রা. উভয়েই সুন্নত তরিকায় এতমিনানের সাথে অজু করলেন এবং দু’রাকাত নামায আদায় করলেন। তাদের নামাযটি ছিল স্বয়ং রাসুলুল্লাহর নামাযের মত ‘খুসু’, ‘খুযুু’ সম্পন্ন।

বৃদ্ধ লোকটি তখন নিজের ভুল গুলো বুঝতে পারলেন এবং তাদেরকে ধন্যবাদ জানালেন। বড়দের ভুল ধরার কত সুন্দর, চমৎকার বিনয়ি পদ্ধতি। সুবহান আল্লাহ, এ জন্যই তাদের এত মর্যাদা।

(সংগৃহীত)

মতামত দিন
সাম্প্রতিক মন্তব্য
আব্দুল্লাহ আত তারিক
২৭ মার্চ, ২০২০ ০৯:০৫ পূর্বাহ্ণ

ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন । আপনি ভালো থাকলে ভালো থাকবে দেশ । চমৎকার নির্মাণের জন্য লাইক, কমেন্ট ও রেটিংসহ শুভেচ্ছা ও ভালবাসা রইল । আমার বাতায়ন বাড়িতে আমন্ত্রণ রইল । আমার উপস্থাপন করা নবম-দশম শ্রেণির সাহিত্য কণিকা বইয়ের কবি সৈয়দ শামসুল হকের লেখা আমার পরিচয় কবিতাটি দেখার জন্য নিবেদন রইলো। লিংক - https://teachers.gov.bd/content/details/544114