কফি-Coffee. কফি গাছের বৈজ্ঞানিক নাম- Coffea arabic

মোহাম্মদ লিয়াকত আলী ২৪ আগস্ট,২০২০ ২৭ বার দেখা হয়েছে লাইক কমেন্ট ৪.৬৭ ()

কফি-Coffee.


 

কফি গাছের বৈজ্ঞানিক নাম- Coffea arabica

পরিবার- Rubiaceae

 

সারাবিশ্বে কফির ব্যাপক চাষাবাদ হয়। জ্বালানী তেলের পর কফি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিক্রিত পণ্য এবং বিশ্বের সর্বাপেক্ষা বেশি পানকৃত পানীয়দের অন্যতম।


সারা বিশ্বে চা এর থেকে কফি অনেক বেশি জনপ্রিয়। তার কারণ কর্পোরেট দুনিয়ায় খাওয়া হয় এই ‘কফি’। অফিসে কাজের চাপে যখন মাথা আর কাজ করেনা তখন এক কাপ কফি হলে শরীর মন দুটোই চাঙ্গা হয়ে ওঠে। ৬০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে মানুষ কফি পান করে আসছে। পৃথিবীতে সর্বপ্রথম কফি পানের প্রমাণ পাওয়া যায় পঞ্চদশ শতাব্দীতে ইয়েমেনে।


কফি আসলে এক ধরণের চেরি ফল, যেই বীজগুলো চোলাই করে কফি উৎপাদন করা হয় সেগুলো আসলে একধরণের ফলের রোস্ট করা বীজ, যে ফলগুলোকে কফি চেরি বলা হয়। কফির ভেতরের মূল চেরি ফলটিতে কামড় দিলে অনেকটা ডিম্বাকার দুই ভাগ হয়ে যায় বীজটি। আমরা যে কফি পান করি, তা কফি বীজ বা বিন; এই বিন গুঁড়া করেই তৈরি হয় কফি। এটিই তার আসল উপাদান। ১৫৯৮ খ্রিস্টাব্দে ডাচ ‘koffie’ শব্দের মাধ্যমে ‘coffee’ শব্দটি ইংরেজি ভাষায় গৃহীত হয়।


কফি গাছ সাধারণত উচ্চতায় ২০ থেকে ৩০ ফুট হয়। উজ্জ্বল সবুজ রঙের পাতার আকার হয় ডিম্বাকৃতি, ফুলের রং সাদা আর বেশ সুগন্ধী। থোকা – থোকা ফল ধরে, প্রথমে রং হয় হালকা সবুজ, পরে লাল এবং শেষে ঘন ক্রিমসন রং। ফলের ভিতরে মিষ্টি শাঁসে মুড়নো দুটি বিন (বীজ )থাকে। অনেক ধরনের কফি গাছ হতে পারে এর মধ্যে পূর্ব আফ্রিকার ইথিওপিয়ায় জন্ম নেয়া গাছ থেকে পাওয়া 'এ্যারাবিকা' কফি স্বাদে ও গন্ধে অতুলনীয়।


কফিতে ক্যাফেইন নামক এক প্রকার উত্তেজক পদার্থ রয়েছে। ৮ আউন্স কফিতে প্রায় ১৩৫ মিলিগ্রাম ক্যাফেইন থাকে। কফির উপাদান ক্যাফেইনের জন্যে কফি মানুষের উপর উত্তেজক প্রভাব ফেলে ও উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে। 


অস্ট্রেলিয়ার স্নায়ু বিজ্ঞান বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, প্রতিদিন কফি পান মানুষের লিভারের স্বাস্থ্য উন্নত করে এবং ক্যান্সার রোধ করে। ডায়াবেটিস ও ওজন কমাতে সাহায্য করে পাশাপাশি কর্মে ও খেলাধূলায় উদ্যমী করে। সতর্কতা: যাদের হৃদরোগ, অনিদ্রা বা মেজাজ খিটখিটে তাদের ও গর্ভবতী নারীর কফি খাওয়া উচিৎ নয়।


তবে বিস্ময়কর ব্যাপার হলো বিশ্বের সবচেয়ে দামী কফির নাম 'কোপি লুয়াক’। যা সিভেট নামক ইন্দোনেশিয়ান স্তন্যপায়ী বিড়ালের বিষ্ঠা থেকে তৈরি হয়।বিড়ালের পরিপাকতন্ত্র দিয়ে যাওয়ার সময় স্বাভাবিক প্রক্রিয়াতে কফি চেরিগুলো গাঁজানো হয়, পরবর্তীতে সেগুলো সংগ্রহ করে বাজারজাত করা হয়।

মতামত দিন
সাম্প্রতিক মন্তব্য
মীর্জা মোঃ মাহফুজুল ইসলাম
২৪ আগস্ট, ২০২০ ০৭:৪২ অপরাহ্ণ

সুন্দর পোস্ট, লাইক, রেটিং সহ শুভকামন, আমার আপলোডকৃত কন্টেন্ট দেখে পূর্ণ রেটিং লাইক সহ মতামত দেওয়ার জন্য বিনয়ের সাথে অনুরোধ করছি। বাতায়ন আইডি-https://www.teachers.gov.bd/content/details/668134


মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান (সুমন)
২৪ আগস্ট, ২০২০ ১২:৪৩ অপরাহ্ণ

পূর্ণ রেটিং সহ শুভ কামনা রইল। আমার কনটেন্ট দেখে আপনার অত্যন্ত মুল্যবান মতামত ও রেটিং প্রত্যাশা করছি। সর্বদা সুস্থ ও নিরাপদে থাকুন।


মোঃ গোলাম ওয়ারেছ
২৪ আগস্ট, ২০২০ ১২:৩৮ অপরাহ্ণ

সুন্দর উপস্থাপনা। লাইক ও রেটিং সাথে অসংখ্য শুভকামনা। সেই সাথে আমার আগস্ট ২০২০ ইং ২য় পাক্ষিক কন্টেন্ট "ন্যানো টেকনোলোজি" ও ব্লগ দেখে সুচিন্তিত মতামত, লাইক ও রেটিং প্রদানের অনুরোধ রইন। ধন্যবাদ।