করোনাকালীন সময়ে আমার অনলাইন ক্লাসের গল্প

মোহাম্মদ নাসির হোসেন ৩১ আগস্ট,২০২০ ৭৮ বার দেখা হয়েছে লাইক কমেন্ট ৪.৮৬ ()

করোনাকালীন সময়ে আমার অনলাইন ক্লাসের গল্পঃ

সকাল থেকে বিদ্যুৎ নাই, এদিকে ল্যাপটপের চার্জও মাত্র ৩০% তাই যত্ন সহকারে রেখে দিলাম কারন আমার অনলাইনে ক্লাস সকাল ১১ টায় তারমধ্যে আবার আমার মোবাইলের চার্জও কমতে থাকে করোনাকালীন সময়ে মোবাইলের উপরও করোনার প্রভাব ৪০% চার্জ থাকা অবস্থায় মোবাইল আপনা আপনি বন্ধ হয়ে যায় সকাল ১০টা ৫০মিনিটে ক্লাস করার প্রস্তুতি সাথে অপেক্ষা বিদ্যুতের, না মনে হয় না বিদ্যুৎ আসবে না তাই যতটুকু চার্জ আছে তা দিয়েই ল্যাপটপ অন করলাম ইতিমধ্যে ১০ টা ৫৫ মিনিটে মোবাইল ফোনে কল আসে কিন্তু রিসিভ করিনাই কারন কল রিসিভ করলে মোবাইলের ইন্টানেট সেবা বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে একবার বিচ্ছিন্ন হলে সহজে সংযোগ পেতে চায় নাগ্রাম্য পরিবেশে 4G নেটওয়ার্ক শো করলেও শুধু G/E সেবাটাও পাওয়া কষ্টকর কল না রিসিভ করায় কয়েকবারই কল আসে এবং ইন্টারনেট সংযোগ অটো বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়তখনই অন্য মোবাইল দিয়ে অনলাইন ক্লাসের সেবা প্রদান করলাম অন্য এক শিক্ষক বন্ধুকে,যার জন্য আমার মোবাইলে তার এতো কল দেয়া। কয়েকবার মোবাইল বন্ধ করে চালু করে ইন্টারনেট সংযোগ পেতে বৃথা চেষ্টা তবুও হাল না ছেড়ে ১১ টা ২০ মিনিট এ হট স্পট দিয়ে ল্যাপটপে  দিতে দিতেই আমার সেই নেট সংযোগ দেয়া মোবাইল ফোনটি চার্জ শূন্য হয়ে বন্ধ হয়ে যায়!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!

হয়তো যখন বিদ্যুৎ আসবে তখন রুটিনে আমার ক্লাসের সময় পার হয়ে অন্য জনের ক্লাস চলবে। তবুও অপেক্ষা আর অপেক্ষা কখন আসবে কাঙ্ক্ষিত বিদ্যুৎ। এ সময়ে যে অন্য কাজ করবো তাও না, অনলাইন রুটিনে একজন শিক্ষকের একটা ক্লাস থাকলে তিনি ক্লাস করা পর্যন্ত তিনি কি পরিমান টেনশনে থাকেন তা শুধু একমাত্র তিনিই জানেন। ১১টা ৪৫ মিনিটে বিদ্যুৎ আসলে আবার চার্জে রেখে চেষ্টা শুরু করলাম। ০৫ মিনিট পরে আবারও বিদ্যুৎ চলে গেল, বিকাল ২ টা ৩৫ মিনিটে বিদ্যুৎ আসলে ক্লাস করতে যথারীতি মোবাইল ও ল্যাপটপ চার্জে দিয়ে বসে পড়লাম।  কপাল কি আমার -ই পোড়া না নেট স্লো চেষ্টা চলছে তবুও যে পেইজ এ ক্লাস করবো সেটাতো অপেন হচ্ছে না। এভাবেই সারাদিন চেষ্টা করে বিকাল ৪ টা ১০ মিনিটে ক্লাস দিতে সক্ষম হয়েছি।  দিনের সব কষ্ট হারিয়ে গেছে এটা ভেবে আমার এ ক্লাসে যদি কোন শিক্ষার্থী সামান্যতম উপকৃত হয়।                 


এভাবে একদিন দুদিন তা-তো নয় প্রতিনিয়তোই ইন্টারনেট-বিদ্যুৎ যুদ্ধে লিপ্ত হতে হয়। যেদিন জয়ী হওয়া যায় সেদিন-ই ক্লাস দেয়া সম্ভব হয়। আর ক্লাস প্রস্তুতির কথা না-ই বা বললাম।  

আপনাদের সকলের কাছে আমার একটা-ই প্রশ্ন বলুনতো একটা অনলাইন ক্লাসের পিছনে একজন শিক্ষকের শ্রম কতটুকু????????????????????????



       মোহাম্মদ নাসির হোসেন

হকারী শিক্ষক

দূর্গাপুর উচ্চ বিদ্যালয় 

হাইমচর, চাঁদপুর। 





মতামত দিন
সাম্প্রতিক মন্তব্য
অনিমেষ মন্ডল
১৫ অক্টোবর, ২০২০ ০৮:৫৪ অপরাহ্ণ

লাইক ও পূর্ণ রেটিং সহ শুভকামনা।


এস,এম, সাদিকুল ইসলাম
১০ অক্টোবর, ২০২০ ০২:০৭ পূর্বাহ্ণ

লাইক ও পূর্ণ রেটিং সহ শুভকামনা। আমার ১ম ব্লগ দেখে আপনার মূল্যবান মতামত ও রেটিং প্রদানের বিনীত অনুরোধ মন্তব্যের প্রত্যাশায়...


মোঃ মেহেদুল ইসলাম
০৬ অক্টোবর, ২০২০ ০৯:০৭ অপরাহ্ণ

লাইক ও পূর্ণ রেটিংসহ শুভকামনা। আমার কনটেন্টগুলো দেখে আপনার মূল্যবান মতামত ও রেটিং প্রদান করার জন্য বিনীত অনুরোধ মন্তব্য করুন


মোঃ আল -আমিন মন্ডল
০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০৯:৪৪ পূর্বাহ্ণ

সুন্দর ও শ্রেণি উপযোগী কনটেন্ট আপলোড করে বাতায়নকে সমৃদ্ধ করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। লাইক পূর্ণ রেটিংসহ শুভকামনা ও অভিনন্দন। ভালো থাকুন , সুস্থ থাকুন , নিজেকে নিরাপদে রাখুন । আমার আপলোডকৃত কনটেন্ট দেখে লাইক ও রেটিংসহ মূল্যবান মতামত প্রদানের অনুরোধ রইল।


মীর্জা মোঃ মাহফুজুল ইসলাম
৩১ আগস্ট, ২০২০ ০৯:০৯ অপরাহ্ণ

Full,ratings,best,of,luck,visit,my,page,আমার,ব্লগ,লিংক, https://www.teachers.gov.bd/blog-details/574922


মোহাম্মদ নাসির হোসেন
৩১ আগস্ট, ২০২০ ০৯:৪৩ অপরাহ্ণ

Thanks


হিরেন্দ্র দেবনাথ
৩১ আগস্ট, ২০২০ ০৬:৩০ অপরাহ্ণ

Please stay home, stay safe. Thanks for nice content and best wishes including full ratings. Please give your like, comments and ratings after watching my contents. https://www.teachers.gov.bd/profile/hirendra0501


মোহাম্মদ নাসির হোসেন
৩১ আগস্ট, ২০২০ ০৯:৪৩ অপরাহ্ণ

Thanks