জাতির জনকের সংগ্রামী জীবন থেকে ২১ শতকের তরুণ প্রজন্মের ধারণ করার মতো আছে অনেক কিছুই।

হাবিবুর রহমান ১৫ আগস্ট,২০২১ ১৯ বার দেখা হয়েছে লাইক কমেন্ট ৫.০০ ()

জাতির জনকের সংগ্রামী জীবন থেকে ২১ শতকের তরুণ প্রজন্মের ধারণ করার মতো আছে অনেক কিছুই। বঙ্গবন্ধুর জীবনী আমাদের প্রজন্মকে শিক্ষা দেয় অনেক বাধা-বিপত্তির মাঝেও সততা এবং সাহসিকতায় অটল থাকতে। বঙ্গবন্ধু ছিলেন স্পষ্টভাষী। যে কোনো পরিস্থিতিতে যে কারো সামনে বঙ্গবন্ধুর স্পষ্টভাষিতা আমাদের প্রজন্ম ধারণ করতে পারে। বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন,এই স্বাধীনতা তখনই আমার কাছে প্রকৃত স্বাধীনতা হয়ে উঠবে, যেদিন বাংলার কৃষক-মজুর দুঃখী মানুষের সকল দুঃখের অবসান হবে।অতি সাধারণ জীবন যাপন এবং শ্রেণি নির্বিশেষে মানুষকে কাছে টেনে নেওয়া ভালোবাসার শিক্ষাটা আমরা ধারণ করতে পারি জাতির জনকের জীবনী থেকে, যা একুশ শতকে দুর্লভ। বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের সৃষ্টির সাথে অবিভাজ্যভাবে জড়িয়ে আছে বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম। পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে প্রথম ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ১৯৫৪ সালের নির্বাচন, সামরিক শাসনবিরোধী বক্তব্য প্রদান, দফা আন্দোলন, ১৯৭০ সালের নির্বাচন, বাঙালির স্বাধীনতার ঘোষণা প্রভৃতি ক্ষেত্রে শেখ মুজিবুর রহমান অবিস্মরণীয় ভূমিকা পালন করেন। ইতিহাস যেমন নেতৃত্ব সৃষ্টি করে, নেতৃত্বও তেমনি ইতিহাস সৃষ্টি করে। মূলত বাঙালির গৌরবময় ইতিহাস সৃষ্টিতে সবচেয়ে বেশি অবদান রয়েছে বঙ্গবন্ধুর। বঙ্গবন্ধু বাঙালী জাতির চেতনার এক অনির্বাণ শিখা। তরুণদের নাড়ির স্পন্দন, আবেগ আকাক্সক্ষা তিনি সহৃদয়ে বুঝতে পারতেন।

তাই তরুণদের নিয়ে ১৯৪৮ সালের জানুয়ারি গঠন করেন ছাত্রলীগ তিনি বুঝতে পেরেছিলেন, দেশের মানুষকে না গড়ে, দেশের মানুষকে মবিলাইজড না করে আদর্শ নিয়ে চলা যায় না। তাই তরুণদের চিন্তা-চেতনায় ছড়িয়ে দিয়েছিলেন মুক্তিবার্তা। তাঁর লেখা বই অসমাপ্ত আত্মজীবনী কারাগারের রোজনামচা আজকের তরুণদের কাছে মুক্তির বার্তা প্রতিবাদের ভাষা হিসেবে সমাদৃত। তারুণ্যের প্রতি তাঁর বিশ্বাস ছিল অবিচল। যার অন্তরঙ্গ প্রমাণ এই বই দুটি। তিনি তরুণদের বলছেন, যেখানে অন্যায়-অবিচার, সেখানে প্রতিবাদ কর, মানুষের অসহায়ত্বকে পুঁজি করে যেসব ব্যক্তি প্রতিষ্ঠান ক্ষমতা এবং স্বার্থের ঘর বড় করে তাদের প্রতিরোধ কর। তিনি বিচারহীনতার সংস্কৃতিকে ঘৃণা করতেন। মানুষে মানুষে বিভাজনকে ঘৃণা করতেন। তাঁর দর্শন ছিল এক বহুত্ববাদী সংস্কৃতি ধর্মনিরপেক্ষতায় আদর্শ মানবতার উদ্দীপনা। তিনি বাঙালী সভ্যতার আধুনিক স্থপতি, যার জীবনের সবটুকু সময় ব্যয় করেছেন বাঙালীর অধিকার প্রতিষ্ঠায়। তিনি ২৩ বছরের নির্যাতিত, নিপীড়িত, শোষিত, বঞ্চিত অসহায় মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য দিনরাত পরিশ্রম করতেন। যার এক ডাকে জড়ো হতো কোটি বাঙালী। যাকে বাঙালী ছাত্রসমাজ বঙ্গবন্ধু উপাধি দিয়েছেন। যার জন্ম না হলে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্র সৃষ্টি হতো না। তাঁর নাম শেখ মুজিবুর রহমান। বাঙালীর জাতির পিতা। সকলের বঙ্গবন্ধু। বঙ্গবন্ধু ছাত্রজীবন থেকেই ছিলেন প্রতিবাদী। অন্যায় দেখলে আপোস করতেন না। কোন কিছুর কাছেই তিনি মাথা নত করেন নি। তিনি ভালবাসতেন দেশের মানুষকে।

 

দেশের মানুষও ভালবাসত বঙ্গবন্ধুকে। তাঁর শক্তির উৎস হচ্ছে বাঙালীর প্রতি ভালবাসা এবং তাঁর আপোসহীনতা। মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানের কারাগারে বন্দী ছিলেন বঙ্গবন্ধু। যেকোন দিন তাঁকে ফাঁসি দিতে পারত পাকিস্তানী শাসকরা। এমনকি কবর খোঁড়া হয়েছিল তাঁর জন্য। নির্ভীক বঙ্গবন্ধু সেই কবর দেখে বলেছিলেন, আমিতো জানি তোমরা আমাকে ফাঁসি দেবে। আমি মৃত্যুকে ভয় পাই না। বাংলার দামাল ছেলেরা যখন হাসিমুখে মৃত্যুকে বরণ করে নিতে শিখেছে, তখন বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে পৃথিবীর কোন শক্তি নাই দমিয়ে রাখে। তবে তোমাদের কাছে অনুরোধ, তোমরা আমাকে এই কবরে কবর দিয়ো না, আমার লাশ বাংলার মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়ো। বঙ্গবন্ধু জানতেন, বাংলার মানুষ দেশকে স্বাধীন করতে পারবেই। স্বাধীনতা ছিনিয়ে আনতে লাখ লাখ মানুষ প্রাণ দিয়েছে। বঙ্গবন্ধুও প্রাণ দিতে প্রস্তুত ছিলেন। বঙ্গবন্ধুর আপোসহীনতার কারণ হলো জনগণের অধিকার। সাধারণ মানুষের প্রশ্নে বঙ্গবন্ধুর আপোস ছিল না। মুক্তিযুদ্ধের সূচনালগ্নে তিনি জানতেন যে কোন মুহূর্তে গ্রেফতার হবেন। কিন্তু পালিয়ে যাননি। কারণ পালায় কাপুরুষ, ভীরুর দল। বাঙালীর প্রিয় নেতা বঙ্গবন্ধুর প্রতি মানুষের আস্থা শতভাগ ঠিক ছিল। জনগণকে রেখে সত্যিকারের নেতা পালাতে পারে না। বঙ্গবন্ধু চাইলে পাকিস্তানী শাসকদের সঙ্গে আপোস করে আরাম-আয়েশের জীবন বেছে নিতে পারতেন। তার কাছে বরং জেলজীবন এরচেয়ে উত্তম মনে হয়েছে। তাই জনগণের অধিকার আদায়ের জন্য তিনি আমৃত্যু ছিলেন আপোসহীন।১০ জানুয়ারি বাঙালী জাতির জন্য একটি ঐতিহাসিক অবিস্মরণীয় মাহেন্দ্রক্ষণ।

 

বঙ্গবন্ধু ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি তাঁর প্রিয়ভূমি স্বাধীন স্বদেশে মহাপ্রতাপে প্রত্যাবর্তন করেন। স্বাধীন দেশে বীরের বেশে মহান নেতা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আগমন ঘটে নিজ মাতৃভূমি প্রিয় দেশে। তাই ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস হিসেবে দিনটি পালিত হয়। মুক্তিযুদ্ধে চূড়ান্ত বিজয় অর্জনের পর বিশ্বনেতাদের চাপের মুখে পরাজিত পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠী বন্দীদশা থেকে বঙ্গবন্ধুকে সসম্মানে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর লন্ডন-দিল্লী হয়ে তিনি ঢাকায় পৌঁছান ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি। প্রিয় নেতা বঙ্গবন্ধুকে বহনকারী বিমানটি বিমানবন্দরে কখন অবতরণ করবে সে অপেক্ষায় পুরো বিমানবন্দর এলাকা যেন পরিণত হয় এক মহামিলনমেলায়। স্বাধীন দেশের মাটিতে পা স্পর্শ করবেন তাদের প্রাণপ্রিয় নেতা স্বাধীন বাংলার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, সে আনন্দে মাতোয়ারা প্রতিটি পথ-প্রান্তরে অপেক্ষমাণ কোটি বাঙালী। অবশেষে অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু বিজয়ীবেশে পা রাখলেন লাখো শহীদের রক্তে রঞ্জিত স্বাধীন বাংলার মাটিতে। পুরো বঙ্গরাজ্য জয় বাংলা স্লোগানে স্বাগত জানায় তাদের প্রিয় নেতাকে। প্রিয়ভূমের মৃত্তিকাবক্ষে পা রেখেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন বঙ্গবন্ধু। দীর্ঘ মাস পাকহানাদার বাহিনী তাদের এদেশীয় দোসরদের গণহত্যার সংবাদ শুনে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। বঙ্গবন্ধু তাঁর দেশে ফেরা সম্পর্কে বলেছিলেন, অভিযাত্রা অন্ধকার থেকে আলোয়, বন্দীদশা থেকে স্বাধীনতায়, নিরাশা থেকে আশায় অভিযাত্রা।

 

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের এই কথাগুলো বাঙালী চেতনায় নতুনভাবে আশার সঞ্চার করতে সচেষ্ট হয়েছিল সেদিন। সুখী সমৃদ্ধশালী একটি বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে দেশ পরিচালনায় নিজেকে মেলে ধরার আগেই দেশীয় কিছু বিপথগামী সেনা সদস্য ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করে স্বাধীন বাংলার স্থপতিকে। স্তব্ধ হয় পুরো জাতি। ঢুকরে কেঁদে ওঠে বাঙালী এবং বাংলাদেশ।বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। তিনিও বাবার মতোই আপোসহীন বলিষ্ঠ চিত্তের। তাঁরও শক্তির একমাত্র উৎস দেশের মানুষের প্রতি ভালবাসা বঙ্গবন্ধুর আদর্শ। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর দেশে ঢুকতে না দেয়া, একাধিকবার হত্যাচেষ্টা, একুশ আগস্টের ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা, যুক্তরাষ্ট্রের রক্তচক্ষু ইত্যাদি ঘটনার কোন কিছুই তার চলার পথকে রুদ্ধ করতে পারেনি। তাঁকে ভীত করতে পারেনি। বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা এনে দিয়েছিলেন, কিন্তু স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়া তাঁর হয়নি। শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বাস্তবায়ন করেছেন। তিনি বলেছেন, আমি বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়ন করছি। বাংলাদেশের মানুষের জন্য কাজ করতে গিয়ে মৃত্যু হলেও মাথা পেতে নেব। দেশপ্রেম তাঁর সকল কাজের প্রেরণা। একমাত্র বঙ্গবন্ধু কন্যার পক্ষেই এমনটা বলা সম্ভব। আমরা গর্বিত আমাদের দেশে বঙ্গবন্ধুর জন্ম হয়েছে। আমাদের আছেন গণতন্ত্রের মানসকন্যা শেখ হাসিনা। আমরা আরও গর্বিত, বাংলাদেশে মুজিববর্ষ চলছে। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বাস্তবায়ন হতে চলেছে।

 

বঙ্গবন্ধু আজকের তরুণদের জন্য অবিসংবাদিত আদর্শ। ধর্মনিরপেক্ষতার বিষয়ে ১৯৭২ সালের জুন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বঙ্গবন্ধু বলেন, বাংলাদেশ হবে ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র। ধর্মনিরপেক্ষ মানে ধর্মহীনতা নয় তাই বঙ্গবন্ধুই বাংলার তরুণদের সঞ্জীবনী শক্তি। বঙ্গবন্ধু কোন নির্দিষ্ট দলের আদর্শ নন, তিনি বাঙালীর আদর্শ। তিনি নেতা, বাঙালী জাতির পিতা, স্বাধীনতার ঘোষক স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, বিশ্বসভায় রাজনীতির কবি বিশ্ববন্ধু-কিংবদন্তি মহানায়ক। বঙ্গবন্ধুর রাজনীতি ছিল অসহায় মানুষের সেবা করা, অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করা। বর্তমানে বাংলাদেশে আদর্শ বা উদার রাজনীতির সংকট চলছে। যে তরুণরা আগামী দিনের বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নদ্রষ্টা; তারা আজ রাজনীতিবিমুখ। এখন চলছে অর্থ আর ক্ষমতার রাজনীতি।বঙ্গবন্ধুর সেই আদর্শের রাজনীতির কাছে বড্ড অচেনা বর্তমান রাজনীতি। আর সে জন্যই তরুণ সমাজ আজ রাজনীতিবিমুখ। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হার না-মানা সংগ্রামমুখর জীবন কোনো নির্দিষ্ট গণ্ডির মধ্যে আবদ্ধ রাখার অবকাশ নেই। বঙ্গবন্ধুর সংগ্রামমুখর কর্মময় জীবন আদর্শ থেকে দেশের তরুণ সমাজকে শিক্ষা নিতে হবে।

 

মতামত দিন
সাম্প্রতিক মন্তব্য
মোহাম্মদ শাহাদৎ হোসেন
১৭ আগস্ট, ২০২১ ০১:০৪ পূর্বাহ্ণ

👉 লাইক ও পূর্ণ রেটিংসহ আপনার জন্য শুভকামনা রইলো। আমার আপলোডকৃত কনটেন্ট দেখে আপনার মূল্যবান মতামত ও পরামর্শ দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি। ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন এবং নিরাপদে থাকবেন। আবারও ধন্যবাদ।


আবু নাছির মোঃ নুরুল্লা
১৬ আগস্ট, ২০২১ ০৮:২২ পূর্বাহ্ণ

লাইক ও পূর্ণ রেটিংসহ আপনার জন্য শুভ কামনা রইল। আমার আপলোডকৃত কনটেন্ট দেখে লাইক, রেটিং ও আপনার মূল্যবান মতামত দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি।


লুৎফর রহমান
১৫ আগস্ট, ২০২১ ১১:৩৭ অপরাহ্ণ

Best wishes with full ratings. Sir/Mam. Please give your like, comments and ratings to watch my all contents PowerPoint, blog, image, video and publication of this fortnight. Link: PowerPoint: https://www.teachers.gov.bd/content/details/1078352 Blog: https://www.teachers.gov.bd/blog-details/617557 Video: https://www.teachers.gov.bd/content/details/1081084 Video 2: https://www.teachers.gov.bd/content/details/1092580 Publication: https://www.teachers.gov.bd/content/details/1079663 Batayon ID: https://www.teachers.gov.bd/profile/Lutfor%20Rahman


মোঃ নুর - ই- আলম ছিদ্দিকী
১৫ আগস্ট, ২০২১ ১১:৩২ অপরাহ্ণ

স্যার / ম্যাডাম , আচ্ছালামু আলাইকুম ও আদাব। অনেক শ্রম,মেধা ও সময় ব্যয় করে নির্মিত আপনার এই অনিন্দ্য সুন্দর নির্মাণ সত্যিই অপূর্ব। লাইক ও পূর্ণরেটিংসহ আপনার জন্য শুভ কামনা ও অভিনন্দন। আপনার সাফল্যের গল্প শোনার অপেক্ষা থাকলাম। আমার কন্টেন্ট দেখার বিনীত আমন্ত্রণ রইল । আপনার সুপরামর্শে আমার কাজের গতি উত্তর উত্তর বৃদ্ধি পাবে এই প্রত্যাশা করি । গঠনমূলক পরামর্শ দিয়ে আমাকে উৎসাহ প্রদান করবেন বলে আশা রাখি। বিনীত, মোঃ নুর-ই-আলম ছিদ্দিকী, সহকারী শিক্ষক, নাগেশ্বরী কেরামতিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, নাগেশ্বরী, কুড়িগ্রাম।