প্রকাশনা

‘ডিজিটাল গেমিং’ রোগ : কোন্ অতলে হারিয়ে যাচ্ছে নতুন প্রজন্ম!

মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান (সুমন) ০৭ জুলাই,২০২০ ২৫৫ বার দেখা হয়েছে ৩৮ লাইক ৬০ কমেন্ট ৫.০০ রেটিং ( ৩৭ )

 ডিজিটাল গেমিং’ রোগ : কোন্ অতলে হারিয়ে যাচ্ছে নতুন প্রজন্ম!

মাঠে গিয়ে ধুলো কাদা মেখে, ঘেমে নেয়ে, রোজ বিকেলে খেলা শেষে বাড়ি ফেরা- এ দৃশ্য আজকাল যেন হারিয়ে যাচ্ছে। পাড়ায় পাড়ায় খেলার জায়গার অভাব, পড়ার চাপ, যেমন তেমন ছেলে-পিলেদের সাথে মিশে খারাপ হবার ভয়- কত না অভিযোগ অভিভাবকদের! তার পরিবর্তে আমাদের অভিভাবকরা বিনোদনের নামে যা তুলে দিচ্ছেন ছেলে-মেয়েদের হাতে, তার ক্ষতির পরিমাণটা তাদের ধারণারও বাইরে।

পশ্চিমা বিশ্বের মতো আমাদের অনেক পরিবারে বাবা-মা দুজনই কর্মব্যস্ত। উভয়েই ছুটছেন ‘ক্যারিয়ার ও সফলতা’ নামক সোনার হরিণের পিছনে। এদিকে সন্তান বড় হচ্ছে কাজের বুয়ার কাছে। অনেক অপরিণামদর্শী মায়েরাই শিশুকে খাবার খাওয়াতে, তার কান্না থামাতে- টিভি, কম্পিউটার ও ভিডিও গেমসের অভ্যাস করাচ্ছেন।

অন্যদিকে শহরের ইট, পাথর আর কংক্রিটের আড়ালে আটকা পড়ছে শিশুদের বর্ণিল শৈশব। গ্রামের শিশুরা খেলাধুলার কিছুটা সুযোগ পেলেও শহরের শিশুদের সে সুযোগ কম। বড়দের মতো শিশুদের মধ্যেও ভর করছে শহুরে যান্ত্রিকতা। ফলে তারা খেলাধুলার আনন্দ খুঁজে ফিরছে মাউসের বাটন টিপে, কম্পিউটারের পর্দায় গেমস খেলে। অনেক সময় তাদের এ আকর্ষণটা চলে যাচ্ছে আসক্তির পর্যায়ে। ধীরে ধীরে তারা নির্র্ভরশীল হয়ে পড়ছে কম্পিউটার-মোবাইল-ট্যাব গেমসের উপর। এজন্য প্রথমেই বলা যায়, ভিডিও গেমস আমাদের শিশু-কিশোরদের প্রকৃত শৈশব-কৈশোর কেড়ে নিচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের অভিমত হল, অল্পবয়সী অর্থাৎ ১৬ থেকে ২৪ বছর বয়সীদের মধ্যেই ইন্টারনেটে ডুবে থাকার প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। যুক্তরাজ্যে এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ১৩-১৭ বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে অর্ধেকের বেশি শিশু সপ্তাহে ৩০ ঘণ্টার চেয়ে বেশি সময় ব্যয় করে ভিডিও গেমস, কম্পিউটার, ই-রিডার্স, মোবাইল ফোন ও অন্যান্য স্ক্রিনভিত্তিক প্রযুক্তি ব্যবহারের পিছনে। বাংলাদেশের শিশু কিশোরদের মধ্যেও প্রযুক্তি ব্যবহারের প্রবণতা বাড়ছে। ২০১৫ সালের এপ্রিলে একটি গবেষণা সংস্থার প্রতিবেদনে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম ফেসবুক ব্যবহারকারী হিসেবে ঢাকা শহরের নাম উঠে এসেছে। বিভিন্ন জরিপে দেখা গেছে, আট বছরের শিশুরাও ব্যবহার করছে ফেসবুক।

মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেট ভিত্তিক বিনোদনের ভয়াবহ পরিণতির চিত্র পাওয়া গেছে ‘মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন’-এর এক জরিপে। এতে দেখা যায়, ঢাকায় স্কুলগামী শিশুদের প্রায় ৭৭ ভাগ পর্নোগ্রাফি দেখে। প্রতিষ্ঠানের কর্মসূচি সমন্বয়ক আবদুল্লাহ আলমামুন বলেন, ৮ম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত ঢাকার ৫০০ (পাঁচ শ) স্কুলগামী শিক্ষার্থীর ওপর জরিপ চালিয়ে দেখা গেছে, ছেলে শিশুরা সবসময় যৌন মনোভাবসম্পন্ন থাকে, যা শিশুর মানসিক বিকৃতির পাশাপাশি বাড়িয়ে দিচ্ছে মারাত্মক যৌন সহিংসতার ঝুঁকি। শিশু কিশোরদের এ অবস্থা এখন বিশ্বব্যাপী মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। [সূত্র : দৈনিক সংগ্রাম (অনলাইন) ২৩-৩-২০১৭ ঈ.]

উইকিপিডিয়ার তথ্য অনুযায়ী ভিডিও গেমসের আবিষ্কার হয় ১৯৪০-এর দশকে যুক্তরাষ্ট্রে। তারপর সত্তর-আশির দশকের মধ্যে এটি জনপ্রিয়তায় পোঁছে। সর্বপ্রথম বাণিজ্যিকভাবে নির্মিত আর্কেড টাইপের ভিডিও গেম-এর নাম ছিল কম্পিউটার স্পেস। এরপর আটারি কোম্পানি বাজারে আনে বিখ্যাত গেম পং। তারপর ধীরে ধীরে আটারি, কোলেকো, নিনটেনডো, সেগা ও সনির মতো ব্যবসায়ী কোম্পানিগুলো নানা উদ্ভাবন ও প্রচারণা চালিয়ে কয়েক দশকের মধ্যে পৃথিবীর আনাচে-কানাচে মানুষের ঘরে পোঁছে দেয় পুঁজিবাদী সভ্যতার এ বিনোদনপণ্য।

২০০০ সনে সনি কোম্পানি জরিপ করে দেখেছিল যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি চারটি বাড়ির একটিতে একটি করে সনি প্লে স্টেশন আছে। ২০০৯ সালের এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, শতকরা ৬৮ ভাগ আমেরিকানের বাড়ির সব সদস্যই ভিডিও গেম খেলে।

তারপর সময় বদলেছে। কম্পিউটার এবং ভিডিও গেমস ক্রমান্বয়ে হয়ে উঠেছে বিশ্বের অন্যতম লাভজনক ও দ্রুত বর্ধনশীল শিল্প ইন্ড্রাস্ট্রি। বিশ্বজুড়ে আজ মহামারির মতো ছড়িয়ে পড়েছে ভিডিও গেম এবং গেমাররা। সাম্প্রতিক এক সমীক্ষা অনুযায়ী সারা পৃথিবীতে প্রায় ২২০ কোটি মানুষ নিয়মিত বা অনিয়মিতভাবে ভিডিও গেম খেলে থাকে। যাদের অধিকাংশই হচ্ছে অল্প বয়সী শিশু-কিশোর ও তরুণ-তরুণী। এদের বদৌলতে গ্লোবাল ভিডিও গেম বাজারের আর্থিক মূল্য দাঁড়িয়েছে ১০৮.৯০ মিলিয়ন ডলার! এর মধ্যে ‘মোবাইল গেমিং’ই হচ্ছে সবচে বেশি পয়সা আয় করা সেক্টর। স্মার্টফোন ও ট্যাবলেটে গেমিং প্রতি বছর ১৯শতাংশ হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। (সূত্র : উইকিপিডিয়া; মাসিক সি নিউজ- www.cnewsvoice.com; bengalinews..)

কী থাকে এসব ভিডিও গেমসে?

প্রশ্ন হচ্ছে, কী থাকে এসব ভিডিও গেমসে? কেন তাতে এত আসক্তি? খোঁজ করলে জানা যায়, জনপ্রিয় গেমগুলোর মধ্যে কিছু আছে ক্রিকেট ফুটবলের মতো। নানা রকম দল তৈরি করে এসব খেলা খেলতে হয়। খেলায় হারজিত হয়। এক ম্যাচ খেললে আরেক ম্যাচ খেলতে ইচ্ছে করে। এর কোনও শেষ নেই। ছেলে মেয়েদেরকে কম্পিউটারের সামনে থেকে টেনে তোলা যায় না। এতে চট করে এক ঘেয়েমিও আসে না। পড়াশুনা শিকেয় তুলে ছেলে মেয়েরা একটার পর একটা ক্রিকেট ও ফুটবল ম্যাচ খেলে যায়। অনলাইনভিত্তিক দাবা এবং তাসও এসবের অন্তর্ভুক্ত। এসব আবার সাধারণত খেলে অবসর বুড়ো খোকারা।

বিভিন্ন প্রতিবেদন থেকে জানা যায়-

এক ধরনের গেম আছে, তাতে প্রচন্ড গতিসম্পন্ন গাড়ি নিয়ে রাস্তা, মাঠ-ঘাট পেরিয়ে ছুটে চলতে হয়। বিপজ্জনক ব্যাপার হল, এই ছুটে চলার পথে অন্য প্রতিযোগীকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেয়া, গাড়ির নিচে মানুষ পিষে ফেলা, পথচারীর কাছ থেকে মোটর সাইকেল বা গাড়ি কেড়ে নিয়ে পালিয়ে যাওয়া, ট্রাফিক আইন ভঙ্গ করে ফুটপাতে উঠে পড়া, রাস্তার স্থাপনা ও বাড়িঘর ভাঙচুর করা, পুলিশ ধাওয়া করলে পুলিশের সঙ্গে যুদ্ধ করে শেষ পর্যন্ত টিকে থাকা- এসব নাকি গেমের সবচে আকর্ষণীয় বিষয়! এ অনৈতিক কাজগুলো করে যে যত পয়েন্ট অর্জন করতে পারে সেই বিজয়ী হয়!

আর এক ধরনের গেম আছে, যার পুরোটা জুড়েই থাকে হিংস্রতা, মারামারি, যুদ্ধ, দখল এবং রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ। যত বেশি সহিংসতা তত বেশি পয়েন্ট! হিংসার উদ্দাম আনন্দ নিয়ে দুর্গম গিরিপর্বত, নদীনালা, জঙ্গল ও সমুদ্রের উপর দিয়ে শত্রু খুঁজে বেড়ানো। বাংকার খনন করে ওঁত পেতে থাকা। প্রতি মুহূর্তে শত্রুর আক্রমণের টেনশন। আরো দ্রুত চলতে হবে! যত আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে সম্ভব প্রতিপক্ষকে শেষ করতে হবে!

কোমলমতি শিশু কিশোররা নিজেরাও জানে না, কেন তারা এ মারণখেলা খেলছে! একের পর এক মানুষ খতম করছে। কখনো হাতুড়িপেটা করে মাথা থেতলে দিচ্ছে। মুহূর্তে রক্তে ভেসে যাচ্ছে মেঝে। কখনো গ্রেনেড ছুঁড়ে প্রতিপক্ষের পা জখম করছে। এরপর খোঁড়াতে খোঁড়াতে পলায়নপর মানুষটির উপর মারছে দ্বিতীয় গ্রেনেড। বিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে তার হাত পা। তারপর রক্তমাখা দেহটা লুটিয়ে পড়ছে খেলোয়াড়ের পায়ের উপর!

চোখের সামনে ভাসছে জীবন্ত যুদ্ধক্ষেত্র। কানে আসছে অস্ত্র ও গোলাবারুদ ব্যবহারের বাস্তব আওয়াজ। এমনকি আহত শত্রুসেনার রক্তমুখের গর্গর শব্দটাও শুনতে পাচ্ছে আপনার সন্তান! এতে কিন্তু তার আনন্দ, উৎসাহ এবং উত্তেজনা কেবল বৃদ্ধিই পাচ্ছে। কোনো কোনো খেলায় রাস্তায় পড়ে থাকা লাশের পকেট এবং ব্যাগ থেকে মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করতে পারলে পাওয়া যাচ্ছে বাড়তি পয়েন্ট! এমনকি রাস্তায় ড্রাগ বিক্রেতার কাছ থেকে ড্রাগও কেনা যাচ্ছে!

এখানে একটুও বাড়িয়ে বলা হচ্ছে না। এই গেমগুলিই এখন সবচে জনপ্রিয়। এসব ধ্বংসাত্মক গেমসের মধ্যে এ যাবতকালের পৃথিবীর সবচে জনপ্রিয় গেমটির নাম ‘পাবজি’ (চটইএ)। দক্ষিণ কোরিয়ার ভিডিও গেম নির্মাতা প্রতিষ্ঠান পিইউবিজি কর্পোরেশন ২০১৭-এর মার্চে এ অনলাইন মাল্টিপ্লেয়ার গেমটি বাজারে আনে।

এর নির্মাতা ব্লু হোয়েল কোম্পানি আর পরিচালক আইরিশ ওয়েব ডিজাইনার ব্রান্ডন গ্রিন। রিলিজের মাত্র তিন দিনের মাথায় ‘প্লেয়ার আননউনস ব্যাটেলগ্রাউন্ডস’ সংক্ষেপে ‘পাবজি’ নামক এ গেম প্রায় ১১ মিলিয়ন ডলার আয় করে। আপনি জানলে অবাক হবেন, পাবজি গেম নির্মাণকারী সংস্থা প্রতিদিন ৬,৮৯০০০ ডলার আয় করে থাকে গেমারদের থেকে। প্রথম ৬মাসেই তারা লাভ করেছে ৩৯০ মিলিয়ন ডলার।

রিপোর্ট অনুযায়ী সারা পৃথিবীতে এখন প্রতি মাসে প্রায় ২২৭ মিলিয়ন মানুষ এ গেম খেলে। আর প্রতিদিন খেলে প্রায় ৮৭ মিলিয়ন লোক। লাখো গরিবের দেশ বাংলাদেশেও প্রতিদিন এ গেম খেলছেন ১ কোটি ৪০ লাখ মানুষ! [সূত্র: ধষশন সবফরধ ১৯-১-১৯ঈ.; বাংলাদেশ প্রতিদিন (অনলাইন) ১৫-৩-২০১৯ঈ.; প্রবাস সংবাদ নিউজ পেইজ ২০-৩-১৯ঈ.)

অনলাইনভিত্তিক এই ভিডিও গেমটিতে একসাথে ১০০জন মানুষ একটি পরিত্যাক্ত দ্বীপে থাকে। খেলোয়াড়কে প্রথমে প্যারাসুটের মাধ্যমে সেখানে নামিয়ে দেয়া হয়। সেখানে একে অপরকে হত্যা করে টিকে থাকতে হয়। ভয়ংকর সব গোলাবারুদ ও আগ্নেয়াস্ত্র সংগ্রহ করে খতম করতে হয় একে একে সবাইকে। এক্ষেত্রে বিশ্বাসঘাতকতারও আশ্রয় নেয়া হয়। চলে হত্যার ষড়যন্ত্র-পরিকল্পনা। অনলাইনে বন্ধুরা পরস্পরে কথাবার্তা বলে এ হত্যাযজ্ঞের বিষয়ে শলা-পরামর্শ করে। কয় পয়েন্ট পাওয়া গেল, কতজন নিহত হল, বাকিদেরকে কীভাবে হত্যা করা যায়- এসবই এ ভয়ংকর গেমের বিষয়। হত্যাযজ্ঞ শেষে যে ব্যক্তি বা যে গ্রুপ বেঁচে থাকে, তারাই হয় বিজয়ী।

সব মিলিয়ে মোবাইল কিংবা কম্পিউটারের পর্দায় কিশোর-তরুণেরা ‘পাবজি’তে এতটাই মগ্ন থাকছে যে, বাস্তব পৃথিবী ভুলে তারা এক বিপজ্জনক নেশায় আক্রান্ত হয়ে পড়ছে। ভিডিও গেমসের এ নিধনযজ্ঞ অনেক বাস্তব অনুভব হচ্ছে তাদের কাছে।

আমরা যদি এখন ও সচেতন না  হয়ে এই সমস্ত গেমস থেকে বাচ্চাদের বিরত রাখতে না পারি তা হলে আমাদের জন্য এক ভয়ানক পরিস্থিতি অপেক্ষা করছে। কারন আজকের এই কিশোররাই আগামীর ভবিষ্যত নির্ধারন করবে।

 

 

 

মতামত দিন
সাম্প্রতিক মন্তব্য
শাহ আলম মিঞা
২৩ এপ্রিল, ২০২১ ০২:১৪ পূর্বাহ্ণ

লাইক ও পূর্ণ রেটিংসহ আপনার জন্যে শুভ কামনা। সম্মানিত শ্রদ্ধেয় প্যাডাগজি রেটার মহোদয়, সেরা কনটেন্ট নির্মাতা , সেরা উদ্ভাবক , সেরা নেতৃত্ব , সেরা অনলাইন পারফর্মার, বাতায়নের সকল শিক্ষক- শিক্ষিকা ও আইসিটি জেলা অ্যাম্বাসেডর মহোদয়কে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা। সম্মানিত শ্রদ্ধেয় প্যাডাগজি রেটার মহোদয়, শ্রদ্ধেয় এডমিন মহোদয় ও শ্রদ্ধেয় শিক্ষকগণকে আমার সকল কনটেন্ট দেখে আপনাদের মূল্যবান মন্তব্য সহ পূর্ণ রেটিং ও লাইক দেয়ার জন্যে সবিনয়ে অনুরোধ করছি। ৫৪’তম ও ৫০’তম কনটেন্ট লিংকঃ https://www.teachers.gov.bd/content/details/897130, https://www.teachers.gov.bd/content/details/895257


মোঃ মুজিবুর রহমান
২১ এপ্রিল, ২০২১ ১০:১৩ পূর্বাহ্ণ

সুন্দর শ্রেণি উপযোগী কন্টেন্ট আপলোড করার জন্য লাইক ও রেটিং সহ শুভ কামনা। আমার আপলোডকৃত কন্টেন্ট দেখে মতামত ও রেটিং দেয়ার অনুরোধ করছি।


MD. JULPIKER AZAD
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০৫:০৭ অপরাহ্ণ

শুভকামনা রইল।


মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান (সুমন)
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১০:৪৩ পূর্বাহ্ণ

thanks for your nice comments


ABDUL ALIM
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০৩:২৬ অপরাহ্ণ

Thanks for nice content and best wishes including full ratings.


মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান (সুমন)
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১০:৪৩ পূর্বাহ্ণ

thanks for your nice comments


Shafaly Begum
৩১ আগস্ট, ২০২০ ১০:৫০ পূর্বাহ্ণ

পূর্ণ রেটিং সহ ধন্যবাদ ও শুভকামনা রইল।


মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান (সুমন)
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১০:৪৩ পূর্বাহ্ণ

thanks for your nice comments


Nazma Akter
৩০ আগস্ট, ২০২০ ১২:৩৮ অপরাহ্ণ

লাইক ও পূর্ণ রেটিংসহ অসংখ্য শুভকামনা ।


মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান (সুমন)
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১০:৪৩ পূর্বাহ্ণ

thanks for your nice comments


Romiz Uddin
২৮ আগস্ট, ২০২০ ০৪:৪৩ অপরাহ্ণ

আপনাকে লাইক পূর্ণ রেটিংসহ শুভকামনা ও অভিনন্দন।


মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান (সুমন)
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১০:৪৩ পূর্বাহ্ণ

thanks for your nice comments


রফিকুল ইসলাম
২৮ আগস্ট, ২০২০ ০৪:০০ অপরাহ্ণ

best of luck


মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান (সুমন)
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১০:৪৩ পূর্বাহ্ণ

thanks for your nice comments


Mohammad Shafiqul Islam
২৮ আগস্ট, ২০২০ ০৩:৫৮ অপরাহ্ণ

best of luck


মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান (সুমন)
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১০:৪৩ পূর্বাহ্ণ

thanks for your nice comments


Mst. Romena Afaj Khanom
২৮ আগস্ট, ২০২০ ০৩:৫৩ অপরাহ্ণ

পূর্ণ রেটিং সহ শুভ কামনা রইল। সব সময় সুস্থ ও নিরাপদে থাকুন।


মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান (সুমন)
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১০:৪৩ পূর্বাহ্ণ

thanks for your nice comments


মোঃ রায়হান আনছারী
২৮ আগস্ট, ২০২০ ০৩:৪৯ অপরাহ্ণ

পূর্ণ রেটিং সহ শুভ কামনা রইল। সব সময় সুস্থ ও নিরাপদে থাকুন।


মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান (সুমন)
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১০:৪৩ পূর্বাহ্ণ

thanks for your nice comments


Shamima Rahman
২৮ আগস্ট, ২০২০ ০৩:৪৮ অপরাহ্ণ

পূর্ণ রেটিং সহ শুভ কামনা রইল। সব সময় সুস্থ ও নিরাপদে থাকুন।


মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান (সুমন)
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১০:৪৩ পূর্বাহ্ণ

thanks for your nice comments


মোঃ আনিসুর রহমান
২৮ আগস্ট, ২০২০ ০৩:৪৬ অপরাহ্ণ

best wishes.


মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান (সুমন)
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১০:৪৩ পূর্বাহ্ণ

thanks for your nice comments


মো: জাসেম
২৮ আগস্ট, ২০২০ ০৩:৪৩ অপরাহ্ণ

best wishes.


মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান (সুমন)
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১০:৪৩ পূর্বাহ্ণ

thanks for your nice comments


Mahbuba Kabir
২৮ আগস্ট, ২০২০ ০৩:৪০ অপরাহ্ণ

best wishes.


মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান (সুমন)
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১০:৪৩ পূর্বাহ্ণ

thanks for your nice comments


ইসরাত জাহান সুচনা
২৮ আগস্ট, ২০২০ ০৩:৩৮ অপরাহ্ণ

best wishes.


মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান (সুমন)
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১০:৪৩ পূর্বাহ্ণ

thanks for your nice comments


আনোয়ার হোসেন
২৭ আগস্ট, ২০২০ ১০:৩৬ অপরাহ্ণ

শুভ কামনা রইল।


মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান (সুমন)
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১০:৪৩ পূর্বাহ্ণ

thanks for your nice comments


Mafruza Sarmin
২৬ আগস্ট, ২০২০ ০৮:১৫ অপরাহ্ণ

পূর্ণ রেটিং সহ শুভ কামনা রইল। সব সময় সুস্থ ও নিরাপদে থাকুন।


মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান (সুমন)
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১০:৪৩ পূর্বাহ্ণ

thanks for your nice comments


মেরিনা জাহান
২৬ আগস্ট, ২০২০ ০৭:১৯ অপরাহ্ণ

পূর্ণ রেটিং সহ শুভ কামনা রইল। সব সময় সুস্থ ও নিরাপদে থাকুন।


মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান (সুমন)
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১০:৪৪ পূর্বাহ্ণ

thanks for your nice comments


Asadul Islam
২৬ আগস্ট, ২০২০ ০১:০৭ অপরাহ্ণ

শুভ কামনা রইল


মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান (সুমন)
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১০:৪৪ পূর্বাহ্ণ

thanks for your nice comments


মোঃ শহিদুল ইসলাম
২৫ আগস্ট, ২০২০ ০৪:৫৮ অপরাহ্ণ

লাইক ও রেটিংসহ শুভকামনা


মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান (সুমন)
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১০:৪৪ পূর্বাহ্ণ

thanks for your nice comments


তাহমিনা ইয়াসমিন
২০ আগস্ট, ২০২০ ১১:৪১ অপরাহ্ণ

পূর্ণ রেটিং সহ শুভ কামনা রইল। আমার কনটেন্ট দেখে আপনার অত্যন্ত মুল্যবান মতামত ও রেটিং প্রত্যাশা করছি। সর্বদা সুস্থ ও নিরাপদে থাকুন।


মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান (সুমন)
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১০:৪৪ পূর্বাহ্ণ

thanks for your nice comments


মো: জাসেম
২০ আগস্ট, ২০২০ ০৪:৩২ অপরাহ্ণ

পূর্ণরেটিং সহ শুভ কামনা। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন, সুস্থ্য থাকুন, ভাল থাকুন।।


মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান (সুমন)
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১০:৪৪ পূর্বাহ্ণ

thanks for your nice comments


এটিএম মুজাহিদুল ইসলাম
১৮ আগস্ট, ২০২০ ০৪:৪৩ অপরাহ্ণ

পূর্ণ রেটিং সহ শুভ কামনা রইল। আমার পেইজে আপনার নিমন্ত্রণ রইল। সর্বদা সুস্থ ও নিরাপদে থাকুন।


মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান (সুমন)
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১০:৪৪ পূর্বাহ্ণ

thanks for your nice comments


মুঃ রায়হান আব্বাস
১৮ আগস্ট, ২০২০ ০২:০৪ অপরাহ্ণ

শুভকামনা জানাচ্ছি স্যার।


মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান (সুমন)
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১০:৪৪ পূর্বাহ্ণ

thanks for your nice comments


মোঃ ছাইফুল ইসলাম
৩০ জুলাই, ২০২০ ০১:৩৯ পূর্বাহ্ণ

সুন্দর, প্রকাশনা আপলোড করার জন্য লাইক ও পূর্ণ রেটিং সহ আপনার জন্য শুভকামনা রইল । আমার আপলোডকৃত কনটেন্টগুলো দেখে লাইক, পূর্ণ রেটিং ও আপনার সু-চিন্তিত মতামত দেওয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ রইল।


মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান (সুমন)
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১০:৪৪ পূর্বাহ্ণ

thanks for your nice comments


মোঃ আবু আব্দুর রহমান সিদ্দিকী
১৭ জুলাই, ২০২০ ০৯:১৩ পূর্বাহ্ণ

স্যার, কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার পক্ষ থেকে লাল গোলাপের শুভেচ্ছা। আপনার আপলোডকৃত কনটেন্টের জন্য নিঃসন্দেহে লাইক, পূর্ণ রেটিং সহ অসংখ্য ধন্যবাদ। বাতায়নে কনটেন্ট আপলোড করে শিক্ষক বাতায়নের আর্কাইভ সমৃদ্ধ করে চলেছেন, সমৃদ্ধ হচ্ছি আমরা শিক্ষক সমাজ। শুধু ধন্যবাদ দিলে খাটো করা হবে। এজন্য কাজ চালিয়ে যাবার সনির্বন্ধ অনুরোধ করছি। ধৈর্যের ফল আসবেই একদিন না একদিন পাবেন ইনশাল্লাহ। অতঃপর, যদি সম্ভব হয় আমার সদ্য আপলোডকৃত কনটেন্ট দেখার বিনীত আমন্ত্রন জানাচ্ছি। পাশাপাশি আপনাদের গঠনমূলক মতামত, লাইক ও পূর্ণ রেটিং প্রত্যাশা করছি। শুভ কামনা সকলের জন্য সব সময়। ধন্যবাদ।


মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান (সুমন)
২৩ জুলাই, ২০২০ ১২:৪৯ পূর্বাহ্ণ

thank you very much.... keep sound & Safe......


নিমাই চন্দ্র মন্ডল
১৬ জুলাই, ২০২০ ১০:৫৯ অপরাহ্ণ

আমার কনটেন্ট দেখার অনুরোধ রহিল।


মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান (সুমন)
২৩ জুলাই, ২০২০ ১২:৪৯ পূর্বাহ্ণ

thank you very much.... keep sound & Safe......


মো: রজব আলী
১০ জুলাই, ২০২০ ১২:৩৩ অপরাহ্ণ

লা্ইক ও পূর্ণ রেটিংসহ অভিনন্দন। আমার আপলোডকৃত কন্টেন্ট দেখার অনুরোধ রইল।


মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান (সুমন)
১২ জুলাই, ২০২০ ১২:২৭ পূর্বাহ্ণ

ধন্যবাদ।ঘরে থাকুন, সুস্থ থাকুন এবং নিরাপদে থাকুন। মহান মালিক আমাদের সবাইকে হেফাজত করুক।


মো: ইব্রাহীম হোসেন
০৮ জুলাই, ২০২০ ০৩:৩৫ অপরাহ্ণ

ঘরে থাকুন সুস্থ থাকুন। লাইক ও পূর্ণ রেটিং সহ অসংখ্য ধন্যবাদ এবং সেই সাথে আপনার দীর্ঘায়ু ও সাফল্য কামনা করছি। এ পাক্ষিকে আমার আপলোডকৃত কনটেন্টগুলো দেখে লাইক, রেটিং ও মতামত দেয়ার জন্য অনুরোধ রইলো।


মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান (সুমন)
১২ জুলাই, ২০২০ ১২:২৭ পূর্বাহ্ণ

ধন্যবাদ।ঘরে থাকুন, সুস্থ থাকুন এবং নিরাপদে থাকুন। মহান মালিক আমাদের সবাইকে হেফাজত করুক।


মোছাঃ লাকী আখতার পারভীন
০৭ জুলাই, ২০২০ ০৮:১৯ অপরাহ্ণ

লাইক পূর্ণ রেটিংসহ শুভ কামনা রইল। আমার কনটেন্ট দেখে লাইক, কমেন্ট ও রেটিং দেওয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ রইল।


মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান (সুমন)
১২ জুলাই, ২০২০ ১২:২৭ পূর্বাহ্ণ

ধন্যবাদ।ঘরে থাকুন, সুস্থ থাকুন এবং নিরাপদে থাকুন। মহান মালিক আমাদের সবাইকে হেফাজত করুক।