খেজুর, চমৎকার উপকারি একটি ফল। দেশের বাজারে বছরভরই পাওয়া যায় এ ফল

Md.Shohidul Islam ১৯ এপ্রিল,২০২১ ৭২ বার দেখা হয়েছে ১১ লাইক ১২ কমেন্ট ৫.০০ (১১ )

খেজুর, চমৎকার উপকারি একটি ফল। দেশের বাজারে বছরভরই পাওয়া যায় এ ফল। অনেকেরই পছন্দের তালিকায়ও রয়েছে খেজুর। তবে খেজুর যারা পছন্দ করেন না তারা হয়ত জানেনই না যে এটি খেলে শারীরিকভাবে কী দারুণ উপকার মেলে।

খেজুরে রয়েছে এমিনো এসিড, প্রচুর শক্তি, শর্করা ভিটামিন ও মিনারেল। এতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন রয়েছে। খেজুর শরীরের প্রয়োজনীয় গ্লুকোজের ঘাটতি পূরণ করতে সাহায্য করে। খেজুরের গুণের কারণে পুষ্টিবিজ্ঞানীরা এর নাম দিয়েছেন ‘পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ডায়েট ফুড’। এবার খেজুরের যাবতীয় পুষ্টিগুণ জেনে নেওয়া যাক-

ইন্সট্যান্ট এনার্জি
বিজ্ঞানীরা খেজুরকে বলে থাকেন ইন্সট্যান্ট এনার্জির ভাণ্ডার। মানে নিমিষেই প্রাণশক্তি। ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অফ ফুড সায়েন্সেস এন্ড নিউট্রিশনের এক রিপোর্টে বলা হয়, কেউ যদি দুর্বল বা ক্লান্ত বোধ করে, তাহলে কয়েকটা খেজুর খেয়ে নেওয়ার পর পরই সে চাঙ্গা এবং প্রাণশক্তি অনুভব করবে। খেজুরে থাকা গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ ও সুক্রোজের মতো প্রাকৃতিক শর্করা এই ‘এনার্জি’র উৎস। তাই খাদ্যতালিকায় দুটো খেজুর রাখলে সারাদিন প্রাণবন্ত থাকা যাবে।

কোলেস্টেরল কমায় এবং ধমনীতে চর্বি জমতে দেয় না
মিষ্টি হলেও খেজুরে কোনো ফ্যাট নেই, নেই কোন কোলেস্টেরল। বরং খেজুরের ‘ক্যাটাচিনস’ নামক এন্টিঅক্সিডেন্ট রক্তের খারাপ কোলেস্টেরল কমায় এবং বাড়ায় ভালো কোলেস্টেরলের পরিমাণ। তাছাড়া খেজুর ধমনীতে চর্বির স্তর জমতে দেয় না।

হৃদরোগ, ক্যান্সার এবং ডায়াবেটিস
এই তিনটি রোগের বিরুদ্ধেই খেজুর লড়ে খুব সফলভাবে। খেজুরে আছে এন্টিঅক্সিডেন্ট ফ্ল্যাভোনয়েডস। মিশরের সুয়েজ ক্যানেল বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা গেছে, খেজুরের ফ্ল্যাভোনয়েড উপাদানটি ক্যান্সার এবং ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রে উপকারী। এছাড়া খেজুরে আছে আইসোফ্ল্যাভন ও ক্যারোটেনয়েডস নামে আরও দুটি উপাদান। গবেষণায় দেখা গেছে, এই উপাদান দুটি হৃদরোগ প্রতিরোধ করতে বেশ কার্যকরী। এছাড়া খেজুরের ফেনোলিক এসিড নামক এন্টিঅক্সিডেন্ট ক্যান্সার প্রতিরোধ করে থাকে।

রক্তচাপ কমায়
আমরা যেসব খাবার খাই এর অনেকগুলোতেই থাকে উচ্চমাত্রার লবণ। আর উচ্চ রক্তচাপের বড় কারণ হলো এটি। কিন্তু খেজুরে কোনো সোডিয়াম (লবণ) নেই। বরং আছে বেশ ভালো মাত্রার পটাশিয়াম, যা সোডিয়াম কমাতে সাহায্য করে। এ কারণেই বলা হয়, খেজুর হচ্ছে প্রাকৃতিক প্রতিষেধক যা রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।

হাড় মজবুত করে
খেজুরে আছে সেলেনিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, কপার এবং ম্যাগনেসিয়াম ইত্যাদি খনিজ উপকরণ। যা হাড়ের জন্যে উপকারি। ফলে অস্টিওপরেসিসসহ হাড়ের যে কোনো রোগ প্রতিরোধের জন্যে খেজুর খাওয়া যেতে পারে। 

দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়
খেজুরে আছে প্রচুর ভিটামিন ‘এ’ এবং এন্টিঅক্সিডেন্ট ‘ক্যারোটানয়েডস’ যা দৃষ্টিশক্তির জন্য উপকারি। এমনকি বয়স হয়ে গেলে চোখের পেশীর সংকোচন-প্রসারণ ক্ষমতা কমে যাওয়া সংক্রান্ত সমস্যা খেজুর প্রতিরোধ করতে সক্ষম।

মস্তিষ্ককে উজ্জীবিত করে
অস্ট্রেলিয়ায় পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, খেজুর স্মৃতিশক্তি এবং শেখার ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করেছে। খেজুরে থাকা নানা ধরনের এন্টিঅক্সিডেন্টই এ ভূমিকা পালন করে। তাছাড়া বয়স হয়ে গেলে ব্রেনের যে ক্ষয় হওয়ার ঝুঁকি দেখা দেয় তাও চমৎকারভাবে প্রতিরোধ করে খেজুর। কারণ কর্টিসল এবং অক্সিডেন্ট উপকরণের অভাবে ব্রেনের ক্ষয় হয়। কিন্তু এই উপকরণ দুটি খেজুরে রয়েছে ভরপুর।

পাইলস ও কোষ্ঠকাঠিন্য
সাধারণত খাদ্যে ফাইবার বা আঁশের অভাবে পাইলস ও কোষ্ঠকাঠিন্য রোগগুলো হয়। খেজুরে যেহেতু প্রচুর আঁশ থাকে, তাই নিয়মিত খেজুর খেলে এ রোগগুলো আপনি সহজে প্রতিরোধ করতে পারবেন। ইউনিভার্সিটি অব রচেস্টার মেডিকেল সেন্টারের এক গবেষণায় দেখা গেছে, দিনে মাত্র ২০-৩৫ গ্রাম খেজুর খেলেই কোষ্ঠকাঠিন্যকে প্রতিরোধ করা যায়।

ওজন রাখে নিয়ন্ত্রণে
খেজুরে আছে ভিটামিন বি, ভিটামিন কে, রিবোফ্লোভিন, নিয়াসিন এবং আরও অনেক ধরনের পুষ্টি উপকরণ। এসবের মিলিত ফসল হলো মেটাবলিজম বাড়ানো। অর্থাৎ শরীরে যতটুকু ওজনের প্রয়োজন হয় তা ধরে রাখে খেজুর। তাছাড়া খেজুর এমন একটি খাবার যা অল্প খেলেই তৃপ্তি হয়, ফলে বেশি খাওয়ার চাহিদা থাকে না। ফলে শরীরে ওজন আর বাড়ে না।

ত্বক সুন্দর করে
নিয়মিত খেজুর খেলে আপনার ত্বক হবে সতেজ, পরিচ্ছন্ন এবং প্রাণবন্ত! খেজুরে আছে প্রচুর ভিটামিন, এন্টিঅক্সিডেন্ট। যেমন- ভিটামিন ‘সি’ ত্বকের নমনীয়তা বাড়ায়। ভিটামিন ‘ডি’ বাড়ায় কমনীয়তা। অধিকন্তু খেজুর দেহের মেলানিনের মাত্রা কমিয়ে বয়সের চিহ্নকে দূরীভূত করে। 

চুল পড়া বন্ধ করে
খেজুরে আছে প্রচুর আয়রন। যা রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণ বাড়ায়। আর চুলসহ গোটা শরীরেই তা ভারসাম্যপূর্ণভাবে পৌঁছায়। ফলে চুল পড়া যেমন কমে, তেমনি নতুন চুল গজায়ও।

রক্তশূন্যতার সমস্যা
রক্তশূন্যতায় ভুগলে অবসাদ, শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা- ইত্যাদি সমস্যাগুলো দেখা দেয়। রক্তশূন্যতার রোগীরা খেজুর খেতে পারেন নিশ্চিন্তে। কারণ খেজুরে আছে প্রচুর আয়রন। তাছাড়া খেজুর রক্ত পরিষ্কারও করে।

প্রসবকালীন জটিলতা কমায়
গর্ভবতী মায়েদের জন্যে দরকার বাড়তি ক্যালরি। আর খেজুরের চেয়ে উপকারি সমৃদ্ধ ক্যালরির উৎস খাবার কমই আছে। জর্ডানের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, প্রসবের চার সপ্তাহ আগ পর্যন্ত যে মায়েরা পর্যাপ্ত খেজুর খেয়েছেন, প্রসবকালীন জটিলতা তাদের কম হয়েছে। সন্তানসম্ভবা মায়েদের জরায়ুর পেশী মজবুত করেছে খেজুর, সে প্রমাণও পাওয়া গেছে এই গবেষণায়।  

বাড়তি ভিটামিনের প্রয়োজন নেই
বিজ্ঞানীরা বলেছেন, নিয়মিত খেজুর খেলে বাড়তি ভিটামিন খাওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। খেজুরে আছে ২৩টি অ্যামাইনো এসিড। যা আপেল, কমলা, কলার মতো জনপ্রিয় ফলেও নেই। এই অ্যামাইনো এসিড ‘কার্সিজেনিক’ নামের টক্সিনকে দেহের বাইরে বের করে দিতে সাহায্য করে।

খেজুর যেহেতু একটি মিষ্টি ফল এবং এতে ক্যালরির পরিমাণ বেশি, তাই এটি পরিমিত খাওয়াই উত্তম। পুষ্টিবিজ্ঞানীরা খেজুরের এই উপকারগুলো পাওয়ার জন্যে দিনে দুটি খেজুরই যথেষ্ট বলে মনে করেন।


মতামত দিন
সাম্প্রতিক মন্তব্য
মোঃ মামুনুর রহমান
২০ এপ্রিল, ২০২১ ০৮:৪৪ পূর্বাহ্ণ

মহান স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী, মুজিব শতবর্ষ এবং পবিত্র মাহে রমজান ও ঈদুল ফিতরের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। মানসম্মত, শ্রেণি উপযোগী ও চমৎকার কনটেন্ট তৈরি করে প্রিয় শিক্ষক বাতায়নকে সমৃদ্ধ করার জন্য লাইকসহ পূর্ণ রেটিং-এর শুভকামনা রইলো। এই পাক্ষিকের আমার ১৭/০৪/২১ তারিখের ৮ম শ্রেণির " তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি " বিষয়ের বাস্তব জীবন ঘনিষ্ঠ ও দৈনন্দিন জীবনের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় "ইমেইল ও ইমেইল পাঠানোর প্রক্রিয়া" সম্পর্কিত কনটেন্ট এবং ১৮/০৪/২১ তারিখের ভিডিও কনটেন্টটিতে লাইক, কমেন্ট, শেয়ার ও পূর্ণ রেটিং প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের নিকট বিনীতভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি। এছাড়াও সম্মানিত পেডাগজি রেটার ও এডমিন প্যানেল মহোদয়, সেরা কন্টেন্ট নির্মাতা, সেরা উদ্ভাবক, আইসিটি জেলা অ্যাম্বাসেডরবৃন্দ ও সেরা অনলাইন পারফর্মারদের নিকট গুরুত্বপূর্ণ মতামতসহ পূর্ণ রেটিং আশা করছি। আমার প্রোফাইলের ছবির উপর ক্লিক বা নিচের লিংকের উপর ক্লিক করে অথবা অন্য যেভাবে সুবিধা প্লিজ লাইক, পূর্ণ রেটিং সহ গুরুত্বপূর্ণ মতামত প্রদান করুন। বাতায়ন আইডি : mamunggghsc10 , Profile Name : মোঃ মামুনুর রহমান , Content Link : https://www.teachers.gov.bd/content/details/921929 Video Content Link : https://www.teachers.gov.bd/content/details/922896


মোঃ মনজুরুল আলম
২০ এপ্রিল, ২০২১ ১২:২১ পূর্বাহ্ণ

আপনার শ্রম স্বার্থক হোক। সুন্দর ও মানসম্মত কন্টেন্ট তৈরি করে বাতায়নকে সমৃদ্ধশালী করায় লাইক ও পূর্ণ রেটিংসহ ধন্যবাদ। আমার এ পাক্ষিকের প্রেজেন্টেশন ৮ম শ্রেণির আইসিটি বিষয়ের "কর্মসৃজন ও কর্মপ্রাপ্তিতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার" দেখে লাইক ও পূর্ণ রেটিং দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি।


ফারহানা পারভীন জুঁই
২০ এপ্রিল, ২০২১ ১২:১৫ পূর্বাহ্ণ

like with full ratting


মোঃ মুজিবুর রহমান
১৯ এপ্রিল, ২০২১ ১০:০৫ অপরাহ্ণ

লাইক ও পূর্ণ রেটিংসহ আপনার জন্য শুভকামনা রলো। আমার আপলোডকৃত কনটেন্ট দেখে আপনার মূল্যবান মতামত ও পরামর্শ দেয়ার জন্য অনুরোধ করছি।


মোঃ আবুল কালাম
১৯ এপ্রিল, ২০২১ ০৮:৩৯ অপরাহ্ণ

লাইক ও পূর্ণ রেটিংসহ আপনার জন্য শুভকামনা রইলো। এ পাক্ষিকে আমার আপলোডকৃত কন্টেন্ট দেখে আপনার মূল্যবান লাইক, রেটিং, মতামত ও পরামর্শ দেওয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি ।


মোঃ জাফর ইকবাল মন্ডল
১৯ এপ্রিল, ২০২১ ০৪:৪৪ অপরাহ্ণ

আসসালামু আলাইকুম, লাইক ও পুর্ণরেটিং সহ আপনার জন্য শুভ কামনা নিরন্তর। আমার গত ০৩/০৪/২০২১ ইং তারিখে আপলোডকৃত পানিতে ডোবা ৪র্থ প্রাথমিক রিজ্ঞান কনটেন্ট দেখার অনুরোধ রইলো।


মোঃ সাইফুর রহমান
১৯ এপ্রিল, ২০২১ ০৪:৩৫ অপরাহ্ণ

স্যার অনেক সুন্দর উপস্থাপন। লাইক ও পূর্ণ রেটিং সহ শুভকামনা রইল। বাতায়নে আমার আপলোডকৃত " মহাকাশ " শিরোনামমে ৬২তম কনটেন্ট দেখে লাইক ও রেটিং দেওয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ রইল। আমার বাতায়ন আইডিঃ saifurrajoir@gmail.com এবং কনটেন্ট লিংকঃ http://teachers.gov.bd/content/details/921784


লুৎফর রহমান
১৯ এপ্রিল, ২০২১ ০১:৪৯ অপরাহ্ণ

পবিত্র মাহে রমজান ও বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা। লাইক ও পূর্ণ রেটিংসহ আপনার জন্য শুভ কামনা রইলো। আমার এ পাক্ষিকে আপলোডকৃত ৫৭ তম কনটেন্ট ও ব্লগ দেখে লাইক,গঠন মূলক মতামত ও রেটিং প্রদানের জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। কনটেন্ট লিংকঃ https://www.teachers.gov.bd/content/details/921813 Blog link: https://www.teachers.gov.bd/blog-details/598800


বিপুল সরকার
১৯ এপ্রিল, ২০২১ ০১:৩৮ অপরাহ্ণ

স্যার/ম্যাডাম , নমস্কার / আদাব নিবেন।আপনি শ্রেণি উপযোগী ও মান সম্মত কনটেন্ট আপলোড করে বাতায়নকে সমৃদ্ধি করেছেন,আপনাকে অভিনন্দন।লাইক ও পূর্ণ রেটিং সহ শুভ আপনার জন্য অনেক অনেক শুভ কামনা রইলো। আমার আপলোডকৃত এ পাক্ষিকের ১৪৪ তম (নবম-দশম শ্রেণি) পরিমিতি (বৃত্ত) কন্টেন্ট দেখে আপনার গঠনমূলক মূল্যবান মতামত প্রত্যাশা করছি। কন্টেন্ট লিঙ্কঃ https://www.teachers.gov.bd/content/details/921057 (বাতায়ন আইডিঃbipulsarkar1977 )


মোঃ মেরাজুল ইসলাম
১৯ এপ্রিল, ২০২১ ১২:৫৯ অপরাহ্ণ

আমার আপলোডকৃত কনটেন্ট দেখে আপনার মূল্যবান মতামত ও পরামর্শ দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি। ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন এবং নিরাপদে থাকবেন। আবারও ধন্যবাদ।


মোঃ নূরল আলম
১৯ এপ্রিল, ২০২১ ১২:৫৮ অপরাহ্ণ

শুভেচ্ছা রইল লাইক ও পূর্ণ রেটিং সহ। আপনাকে একটু সহ্যোগিতা করতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি। সেই সাথে কর্তৃপক্ষের সু দৃস্টি কামনা করছি।আমার আপলোডকৃত ৪৯ ও ৫০তম কনটেন্ট দেখে মতামত ও পরামর্শ দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি।


মোহাম্মদ শাহাদৎ হোসেন
১৯ এপ্রিল, ২০২১ ১২:৫৬ অপরাহ্ণ

লাইক ও পূর্ণ রেটিংসহ আপনার জন্য শুভকামনা রইলো। আমার আপলোডকৃত কনটেন্ট দেখে আপনার মূল্যবান মতামত ও পরামর্শ দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি। ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন এবং নিরাপদে থাকবেন। আবারও ধন্যবাদ।