কুরবানির বিধান পালনের মাধ্যমে নিজে তাকওয়াবান হওয়া যায়ঃ

মোঃ মাজহারুল ইসলাম ১১ জুলাই,২০২১ ৫৭ বার দেখা হয়েছে লাইক কমেন্ট ৫.০০ ()


             কুরবানির বিধান পালনের মাধ্যমে নিজে তাকওয়াবান হওয়া যায়ঃ

আরবি করব বা কুরবান  শব্দটি উর্দূ ও ফার্সীতে  কুরবানি নামে রূপান্তরিত। এর অর্থ হলো-নৈকট্য বা সান্নিধ্য। কুরআনুল কারিমের কুরবানির একাধিক সমার্থক শব্দের ব্যবহার দেখা যায়।আরবি করব বা কুরবান শব্দটি উর্দূ ও ফার্সীতে  কুরবানি নামে রূপান্তরিত। এর অর্থ হলো-নৈকট্য বা সান্নিধ্য। কুরআনুল কারিমের কুরবানির একাধিক সমার্থক শব্দের ব্যবহার দেখা যায়।

কুরবানির বিধান যুগে যুগে সব শরিয়তেই বিদ্যমান ছিল।মানব সভ্যতার সুদীর্ঘ ইতিহাসে প্রমাণিত যে, পৃথিবীর সব জাতি ও সম্প্রদায় কোনো না কোনোভাবে আল্লাহর দরবারে তার প্রিয় বস্তু উৎসর্গ করতেন। উদ্দেশ্য একটাই- আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি অর্জন।আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আমি প্রত্যেক উম্মতের জন্যে কুরবানির এক বিশেষ রীতি পদ্ধতি নির্ধারণ করে দিয়েছি, যেন তারা ওই সব পশুর ওপর আল্লাহর নাম নিতে পারে, যা আল্লাহ তাদেরকে দান করেছেন।’ (সুরা হজ : আয়াত ৩৪)

কুরবানি একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। এটি আদায় করা ওয়াজিব। সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও যে ব্যক্তি এই ইবাদত পালন করে না তার ব্যাপারে হাদীস শরীফে এসেছে, যার কুরবানীর সামর্থ্য রয়েছে কিন্তু কুরবানী করে না সে যেন আমাদের ঈদগাহে না আসে।

প্রাপ্তবয়স্কসুস্থমস্তিষ্কসম্পন্ন প্রত্যেক মুসলিম নর-নারীযে ১০ যিলহজ্ব ফজর থেকে ১২ যিলহজ্ব সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনের অতিরিক্ত নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হবে তার উপর কুরবানী করা ওয়াজিব। টাকা-পয়সাসোনা-রূপাঅলঙ্কারবসবাস ও খোরাকির প্রয়োজন আসে না এমন জমিপ্রয়োজন অতিরিক্ত বাড়িব্যবসায়িক পণ্য ও অপ্রয়োজনীয় সকল আসবাবপত্র কুরবানীর নেসাবের ক্ষেত্রে হিসাবযোগ্য।

নেসাবঃ

  স্বর্ণের ক্ষেত্রে সাড়ে সাত (৭.৫) ভরিরূপার ক্ষেত্রে সাড়ে বায়ান্ন (৫২.৫) ভরিটাকা-পয়সা ও অন্যান্য বস্তুর ক্ষেত্রে নিসাব হল- এর মূল্য সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপার মূল্যের সমপরিমাণ হওয়া। আর সোনা বা রূপা কিংবা টাকা-পয়সা এগুলোর কোনো একটি যদি পৃথকভাবে নেসাব পরিমাণ না থাকে কিন্তু প্রয়োজন অতিরিক্ত একাধিক বস্তু মিলে সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপার মূল্যের সমপরিমাণ হয়ে যায় তাহলেও তার উপর কুরবানী করা ওয়াজিব। 


পশুর বয়সঃ

উট কমপক্ষে ৫ বছরের হতে হবে। গরু ও মহিষ কমপক্ষে ২ বছরের হতে হবে। আর ছাগলভেড়া ও দুম্বা কমপক্ষে ১ বছরের হতে হবে। তবে ভেড়া ও দুম্বা যদি ১ বছরের কিছু কমও হয়কিন্তু এমন হৃষ্টপুষ্ট হয় যেদেখতে ১ বছরের মতো মনে হয় তাহলে তা দ্বারাও কুরবানী করা জায়েয। অবশ্য এক্ষেত্রে কমপক্ষে ৬ মাস বয়সের হতে হবে।

উল্লেখ্যছাগলের বয়স ১ বছরের কম হলে কোনো অবস্থাতেই তা দ্বারা কুরবানী জায়েয হবে না।

 লোক দেখানোর জন্য কুরবানি নয় বরং পশুকে জবাইয়ের মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনে মনের পশু ও আমিত্বকে জবাই করার তাওফিক দান করুন। কুরবানির মাধ্যমে নিজেকে তাকওয়াবান হিসেবে তৈরি করার তাওফিক দান করুন। আমিন।





মতামত দিন
সাম্প্রতিক মন্তব্য
সাবিনা ইয়াসমিন
১২ জুলাই, ২০২১ ০৩:০৭ অপরাহ্ণ

Congratulations & best wishes including like, comment and ratings. Please watch my contents & give your valuable like, comment and ratings. Thank you so much.


সন্তোষ কুমার বর্মা
১২ জুলাই, ২০২১ ০৯:৪২ পূর্বাহ্ণ

পূর্ণ রেটিং সহ ধন্যবাদ আমার কন্টেন্ট দেখার জন্য অনুরোধ করছি।


মোঃ শাহ আলম
১২ জুলাই, ২০২১ ০৯:১৭ পূর্বাহ্ণ

লাইক ও পূর্ণ রেটিংসহ আপনার জন্য শুভ কামনা রইলো। আমার আপলোডকৃত ব্লগ দেখে আপনার মূল্যবান মতামত ও পরামর্শ দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি।


আবু নাছির মোঃ নুরুল্লা
১২ জুলাই, ২০২১ ০৬:৪৭ পূর্বাহ্ণ

লাইক ও রেটিংসহ আপনার জন্য শুভকামনা রলো। আমার আপলোডকৃত কনটেন্ট দেখে আপনার মূল্যবান মতামত ও পরামর্শ দেয়ার জন্য অনুরোধ করছি।


মোঃ আবুল কালাম
১১ জুলাই, ২০২১ ১১:১৩ অপরাহ্ণ

লাইক ও রেটিংসহ শুভকামনা রইলো। আমার আপলোডকৃত কনটেন্ট দেখে আপনার মূল্যবান মতামত ও পরামর্শ দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি।


মোহাম্মদ শাহাদৎ হোসেন
১১ জুলাই, ২০২১ ১০:১৩ অপরাহ্ণ

👉 লাইক ও পূর্ণ রেটিংসহ আপনার জন্য শুভকামনা রইলো। আমার আপলোডকৃত কনটেন্ট দেখে আপনার মূল্যবান মতামত ও পরামর্শ দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি। ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন এবং নিরাপদে থাকবেন। আবারও ধন্যবাদ।