সত্যিকারের একজন আদর্শ শিক্ষকের জীবনের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস।

শাহনাজ ফেরদৌসী জুই ২৬ জুলাই,২০২১ ১৪৩ বার দেখা হয়েছে লাইক কমেন্ট ৫.০০ ()

🔶💠🔶💠🔶💠🔶💠🔶💠🔶💠🔶💠🔶💠


🍂  সত্যিকারের একজন আদর্শ শিক্ষক ছিলেন

       আমাদের প্রিয় আবুল খয়ের স্যার 


°°°°°°°°°°°°°🌷°°°°°°°°°°🌷°°°°°°°°°°🌷°°°°°°°°°°°°


দেশ-জাতির কল্যাণে নেতৃত্ব দিতে আদর্শবান মানুষ গড়ে  যারা ইতিহাসের সোনালী অধ্যায়ে চিরস্মরণীয় ও বরণীয়  হয়ে আছেন, তাদেরই অন্যতম ব্যক্তিত্ব হলেন, আমাদের প্রিয় আবুল খয়ের স্যার।


 ১৯৫৮ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি,ছাতক উপজেলাধীন কালারুকা ইউনিয়নের, মাধবপুর গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।


 মাধবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শিক্ষা সমাপন করে, ছাতক সরকারি বহুমুখী  মডেল  উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এস.এস. সি, ছাতক ডিগ্রী কলেজ থেকে প্রতিষ্ঠাকালীন প্রথম ব্যাচের ছাত্র হিসেবে এইচ,

এস.সি, সিলেট মদন মোহন কলেজ থেকে বিএ ও কুমিল্লা টিচার ট্রেনিং কলেজ থেকে বিএড ডিগ্রী অর্জন করেন।  


দোয়ারাবাজার উপজেলাধীন, নরসিংপুর ইউনিয়নে ঘিলাছড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে কর্মজীবন শুরু করেন। এখানে ৫ বছর শিক্ষকতা করে, ১৯৮৫ সালে ছাতক সরকারি  বহুমুখী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে যোগদান করেন।


 সদা হাস্যজ্জল মায়াবী এক অবয়বের অধিকারী, ধৈর্য্য,   সহিষ্ণুতা, বিদগ্ধ মননশীলতা,  দায়িত্ববোধ ও কর্তব্য নিষ্ঠা, চরিত্র মাধুর্যতায় এক অনন্য ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন আদর্শ শিক্ষক ছিলেন।


 স্যারের পরম যত্ন, মনকাড়া আচার-ব্যবহার, বিজ্ঞান ভিত্তিক পাঠদান সর্বোপরি অফুরন্ত ভালবাসায় সিক্ত কত শিক্ষার্থী সুপ্ত প্রতিভা বিকাশে শিক্ষার আলোয় উদ্ভাসিত হয়েছে এর কোনো হিসাব নেই।


``শিক্ষা-ই  জাতির মেরুদণ্ড``এ কথাটি যেন স্যারের রক্তের প্রতিটি  কণায় কনায় প্রতিধ্বনিত হত। স্যার  মনে করতেন শিক্ষা ছাড়া একটা জাতি, মাঝিবিহীন নৌকার মত।  তাইতো স্যার সারাজীবন-ই শিক্ষার ফেরি করে গেলেন। স্যারের কাছে একজন ছাত্র পড়াতে বাদ/খারাপ এ কথাগুলো খুবই অপছন্দনীয় ছিল।


স্যার বলতেন বাদ বা খারাপ নয়, সে কম মেধাবী হতে পারে। তাকে তার মেধা অনুযায়ী পাঠদান করো, দেখবে সেও একদিন সেরা মেধাবী হয়ে উঠতে পারে। স্যার প্রচুর ছাত্র-ছাত্রী প্রাইভেট পড়াতেন, স্বীয় স্কুল ছাড়াও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাও  পড়তো। টাকা রুজির উদ্দেশ্য স্যারের কোনদিনই ছিল না। নতুবা অনেক টাকা কামাই করে সম্পদ করতে পারতেন। 


বহু অসহায় দিনমজুর গরীব (হিন্দু-মুসলিম) মানুষের সন্তানদের বিনে পয়সায় পড়াতেন, এমনকি কাউকে টাকা দিয়েও সহযোগিতা করছেন,  এমন নজির রয়েছে অনেক। যাদেরকে টাকার বিনিময়ে পড়াতেন তারা যে যখন যা দিত স্যার খুশিমনে গ্রহণ করতেন।


মেধাবী ছাত্র তো আছেই স্যারের টার্গেট থাকতো  ফেল করা ও ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের প্রতি। স্যার বলতেন ওরা  সবার কাছে অবহেলিত। আমি একটু চেষ্টা করে দেখি না তার ভাগ্য  কি আছে। এরকম বহু শিক্ষার্থী স্যারের কাছে পড়ে কাঙ্খিত ফলাফল লাভে ধন্য হয়েছে। স্যার  বলতেন এরকম কিছু শিক্ষার্থী, তাদের অভিভাবক ও আমার নিকট নিয়ে আসতো। কোন কোন সময় আমি চ্যালেঞ্জ করতাম ওকে পাস করতেই হবে। 


শিক্ষার্থীদের পাঠ বোঝানোর স্বতন্ত্র একটা বৈশিষ্ট্য সারের মধ্যে ছিল,  যা সচরাচর দেখা যায় না। অন্যান্য সাব্জেক্ট এর মধ্যে বেশি পড়াতেন গণিত ও ইংলিশ।

স্যার কোনো শিক্ষার্থীর প্রতি রাগ বা ক্রোধ প্রকাশ করছেন বলে আমার জানা নেই। 


অত্যন্ত সহজ ও প্রাঞ্জল ভাষায় পাঠ দান করতেন, স্যারের লক্ষ থাকতো,  যেন প্রতিটি শিক্ষার্থী তার কথাগুলো বুঝতে পারে ও হৃদয়াঙ্গম করতে পারে। তিনি পাঠদানের সময় দেখতাম ছাত্রদেরকে  বাপ ও  ছাত্রীদেরকে  মা বলে সম্বোধন করতেন। তাঁর মধু মাখা শিক্ষাদান পদ্ধতি যেকোনো শিক্ষার্থীকে আকর্ষণ করতো। স্যারের কাছে সব সময় একটা ব্যাগে সিক্স থেকে টেন পর্যন্ত ক্লাসের গণিত, ইংলিশ  ও গ্রামার বই থাকতো। স্যারের হাতে ব্যাগ নেই, এমন দৃশ্য কোনদিন চোখে পড়েছে বলে মনে হয়নি। এতেই বোঝা যায় শিক্ষার প্রতি কত মমত্ববোধ ছিল।


শিক্ষা দানের পাশাপাশি সমাজ উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করতেন ও সুপরামর্শ দিতেন। সাধারণ মানুষের সাথে তার বিনয়ী  আচার-ব্যবহার ও ভালবাসা ছিল সর্বদা। রাস্তাঘাটে  যে কাউকে পেলে হাসিমুখে কুশলাদি বিনিময় করতেন। তিনি ছিলেন খুবই বন্ধুসুলভ সাদাসিধে  জীবন যাপনকারী সুশিক্ষিত সর্বজনস্বীকৃত একজন ভালো মানুষ।  জীবন চলার পথে কাউকে কষ্ট ব্যথা দিয়েছেন বলে কোনদিন শুনিনি। 


ছাতকের শিক্ষাঙ্গনে আলোচিত ব্যক্তিত্ব, শত শত ছাত্র-ছাত্রীদের অন্তরে সুশিক্ষার আলো প্রজ্বলিত করে,  সুদীর্ঘ প্রায় ৩৭ বছর শিক্ষাদানের পর ২০১৭ সালে তাঁর প্রিয় স্কুল থেকে অবসর গ্রহণ করেন।


সরকারি বাধ্যবাধকতায় অবসর নিলেও যার চিন্তা-চেতনা সাধনা শিক্ষিত জাতি গঠনের। তার কি আর  বসে থাকা যায়। স্যারের মূলমন্ত্র ছিল, যে জাতি যত শিক্ষিত সে জাতি তত উন্নত।  কিছু করতে না পারলেও একটা সুশিক্ষিত ছেলে সমাজ তথা দেশের কোনো ক্ষতি করবে না। সমাজের জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়াবে না। 


অবসর গ্রহণের পর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে অধ্যাপনার অনুরোধ আসলেও, কারো কথা রাখেন, আবার কারো কথা  রাখতে পারেননি। 


আমি তখন হাজি কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য (ইতিপূর্বে দুই মেয়াদে ছিলাম) প্রিয় তাজ উদ্দিন ভাই শিক্ষানুরাগী সদস্য, ছাতকের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী ও বিশিষ্ট সমাজসেবক সায়েদ মিয়া ভাই সভাপতি,(তারা চলিত কমিটিতেও একই দায়িত্বে আছেন) স্যারের সাথে সাক্ষাৎ করে আমরা দাবি করলাম। বললাম স্যার  এতোদিন তো বাহিরে শিক্ষা দান করলেন, এবার নিজ এলাকার প্রতিষ্ঠানে কিছু সময় দেন। স্যার আমাদের দাবি রাখলেন, স্কুলে আসলেন। 


স্যার আসাতে ছাত্র শিক্ষকদের মধ্যে এক প্রাণ চাঞ্চল্য দেখা দিলো, সবাই খুশি। আমরা পেলাম একজন অভিজ্ঞ অভিভাবক। মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত স্যার স্কুলে ছিলেন। সামান্য কয়দিনই স্যারের পরিশ্রমের ফলে, স্কুলের শিক্ষার মান বৃদ্ধি, পাঠদানে নিয়মাবর্তিতা, সুশৃঙ্খলা সহ প্রশাসনিকভাবে অনেক উন্নত হয়েছে। 


স্যারের সাথে সাক্ষাত হলে শুধুমাত্র স্কুলের শিক্ষার মান নিয়ে আলাপ করতেন। স্কুল সম্পর্কে কোন একটা কথা স্মরণ হলেই  আমাকে ডেকে তা অবগত করতেন। শিক্ষার মান উন্নয়নে স্যার অনেক সুন্দর সুন্দর প্রস্তাব দিয়েছেন। আমরা তা সাদরে গ্রহণ করেছি ও বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করেছি।  কমিটির সভায় গঠনমূলক কিছু আলোচনা করলে স্যার  আমাকে ধন্যবাদ দিতেন ও আরো সুন্দর পরামর্শ দিতেন।


আমাদের গ্রামে অবস্থিত, লতিফিয়া ইসলামিক ক্যাডেট একাডেমী খারগাঁও এর সভাপতি মহোদয় একটু সময় দিতে প্রস্তাব করলে, স্যার সময়ের ব্যস্ততার কারণে অপারগতা প্রকাশ করেন।  একদিন স্যার একাডেমিতে আসলে,  আমি বললাম স্যার, আপনি জীবনে শত শত ছাত্রছাত্রীকে শিক্ষা দান করেছেন। আপনার আলোর পরশ পেয়ে তারা আজ সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সহ দেশ-বিদেশে নিজ নিজ পেশায় জড়িত। আপনাকে স্মরণ করার মতো  ফুরসত নেই তাদের। 


স্যার আপনি এ পৃথিবী থেকে একদিন চলে যাবেন। আর এ একাডেমির ছাত্র-শিক্ষক আপনার জানাজায় শরিক হবে ও দোয়া করবে। স্যার একটু আনমনা হয়ে কি যেন চিন্তা করলেন। বললেন ঠিক আছে আমি আসবো তবে সময় খুব বেশি দিতে পারব না। 


যাই হোক।  পরবর্তীতে স্যার আসলেন একাডেমী অফিস ও সভাপতি মহোদয়ের বাড়িতে বসে ঘন্টার পর ঘন্টা বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে আলাপ করেছি।  ২০১৯ সালে আমাদের একাডেমির ইবতেদায়ী সমাপনী পরীক্ষায় ২০  জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ১৫  জন বৃত্তি পেয়েছে শুনে, স্যার আমাকে ফোন দিয়ে বললেন মিষ্টি খাওয়াতে হবে, বিশে পনের। আমি প্রথমে ব্যাপারটা বুঝে উঠতে পারিনি, স্যার সে দিন কি যে, খুশি হয়েছিলেন তা বুঝাতে পারছি না। খুশি তো হবেনই  এ ধরণের  ফলাফল যার আত্মার প্রশান্তি। একাডেমিতে আসার পর বছর পূর্ণ হয় নাই তিনি যে এভাবে চলে যাবেন, তা ভাবতেই কষ্ট লাগছে।  যাইহোক স্যারের সাথে কথা রেখেছি, আমরা জানাজায় শরিক হয়েছি এবং সপ্তাহে দুই/তিন দিন তাঁর কবর জেয়ারত ও সর্বদা তাঁর আত্মার মাগফেরাতের দোয়া করছি। 


ব্যক্তিগত ভাবে স্যারের কোন ছেলে সন্তান ছিল না। আটজন কন্যা সন্তানের জনক। স্যার  প্রতিটি শিক্ষার্থীকে তার নিজের সন্তানের মত স্নেহ মমতা করতেন, ভালোবাসতেন। তার মেয়েদেরকে অত্যন্ত ভালোবাসতেন, আমি নিজে অবলোকন করেছি। 


স্যার মেয়েদের সাথে এত সুন্দর মিষ্টি ভাষায় কথাবার্তা বলতেন মনে হতো, প্রতিটি মেয়ে যেন তার এক একজন মা। তাঁর ছাত্রদের মধ্যে যেমন শিক্ষার আলো বিতরণ করেছেন। ঠিক তেমনি মেয়েদেরকেও সময় দিয়েছেন, শিক্ষায় আলোকিত করেছেন। 


মেয়েদের মধ্যেঃ

 ১.শাহনাজ ফেরদৌসী জুই ( বি.এ) সহকারি শিক্ষক মাধবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ২. জান্নাতুল ফেরদৌসী (আর্কিটেক্ট ইঞ্জিনিয়ার) ৩.ফারহানাজ ফেরদৌসী (এডভোকেট,  সিলেট জজ কোট)  

৪. ফররুখ নাজ ফেরদৌসী (এমবিবিএস) ৫. সাদেকা ফেরদৌসী (বিবিএ অধ্যায়নরত,শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সিলেট, )  ৬. তাসপিয়া ফেরদৌসী ( এইচ এস সি) ৭. ইসরাত ফেরদৌসী ও ৮. নুজহাত ফেরদৌসী (দশম শ্রেণি, অধ্যায়নরত ছাতক সরকারি বহুমুখী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়)। 


স্যার, আজ আর আমাদের মধো নেই। ১লা মে ২০২০ খ্রিষ্টাব্দ, ৭ রমজান ১৪৪১ হিজরী, রোজ শুক্রবার। ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। চলে গেছেন না ফেরার দেশে। 


স্যার ছিলেন শিক্ষা জগতের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। শিক্ষাদানে অনবদ্য অবদানের জন্য  শত শত শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সুধীজনের হৃদয়ে তার নাম চির অম্লান ও ভাস্বর হয়ে থাকবে। স্যারের পবিত্র আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।  



মতামত দিন
সাম্প্রতিক মন্তব্য
বিপুল সরকার
২৬ জুলাই, ২০২১ ০৬:২৮ অপরাহ্ণ

🕊️শ্রদ্ধেয় বাতায়ন প্রেমী , অনিন্দ্য সুন্দর আপনার উপস্থাপন । শুভকামনা ও অভিনন্দন সহ বাতায়নে প্রবেশ করলে আমার পাতায় স্বাগত। চলতি পাক্ষিকের কন্টেন্টে 👍 Like - Rating করার বিনীত 🙏 অনুরোধ করছি। 💐💐


মোহাম্মদ শাহাদৎ হোসেন
২৬ জুলাই, ২০২১ ০১:৫১ অপরাহ্ণ

👉 লাইক ও পূর্ণ রেটিংসহ আপনার জন্য শুভকামনা রইলো। আমার আপলোডকৃত কনটেন্ট দেখে আপনার মূল্যবান মতামত ও পরামর্শ দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি। ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন এবং নিরাপদে থাকবেন। আবারও ধন্যবাদ।


মোঃ মামুনুর রহমান
২৬ জুলাই, ২০২১ ১১:০৪ পূর্বাহ্ণ

মানসম্মত, শ্রেণি উপযোগী চমৎকার কনটেন্ট তৈরি করে শিক্ষক বাতায়নকে সমৃদ্ধ করার জন্য লাইক ও পূর্ণ রেটিং সহ শুভকামনা রইল। আর এই পাক্ষিকে আমার আপলোডকৃত ৬৯-তম কনটেন্ট ও ব্লগগুলোতে লাইক ও পূর্ণ রেটিং সহ মতামত প্রদানের জন্য বাতায়নপ্রেমী সকলের নিকট বিনীতভাবে অনুরোধ রইল। Profile Link : https://www.teachers.gov.bd/profile/mamunggghsc10 , My Content Link : https://www.teachers.gov.bd/content/details/1055330


মোঃ ফারুক হোসেন
২৬ জুলাই, ২০২১ ১০:২৫ পূর্বাহ্ণ

মানসম্মত কন্টেন্ট আপলোড করে বাতায়নকে সমৃদ্ধ করায় আপনাকে ধন্যবাদ। লাইক, পূর্ণ রেটিং সহ আপনার জন্য রইলো শুভকামনা। আমার কন্টেন্ট, ব্লগ, চিত্র ও ভিডিও কন্টেন্ট দেখে লাইক,পূর্ণ রেটিং ও আপনার মূল্যবান মতামত ও পরামর্শ দেওয়ার জন্য অনুরোধ রইলো।


জাহিদুল ইসলাম
২৬ জুলাই, ২০২১ ০৮:৪৮ পূর্বাহ্ণ

আসসালামু আলাইকুম। ঈদ মোবারক। লাইক ও পূর্ণ রেটিংসহ আপনার জন্য শুভকামনা রইলো। আমার আপলোডকৃত ৩৪তম কনটেন্ট দেখার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। আমার এ পাক্ষিকের কনটেন্ট এ রেটিং করার অনুরোধ করছি। আমার কনটেন্ট লিংকঃ https://www.teachers.gov.bd/content/details/1053143


সন্তোষ কুমার বর্মা
২৬ জুলাই, ২০২১ ০৮:২৫ পূর্বাহ্ণ

মানসম্মত কন্টেন্ট আপলোড করে বাতায়নকে সমৃদ্ধ করায় আপনাকে ধন্যবাদ। লাইক রেটিং সহ আপনার জন্য রইলো শুভকামনা। আমার কন্টেন্ট দেখে আপনার মূল্যবান মতামত ও পরামর্শ দেওয়ার জন্য অনুরোধ রইলো।


লুৎফর রহমান
২৬ জুলাই, ২০২১ ০৮:১২ পূর্বাহ্ণ

Best wishes with full ratings. Sir/Mam. Please give your like comments and ratings to watch my contents below: pptx https://www.teachers.gov.bd/content/details/1052033 Blog: https://www.teachers.gov.bd/blog-details/613864 Video: https://www.teachers.gov.bd/content/details/1054236 Video 2: https://www.teachers.gov.bd/content/details/1063645 Publication: https://www.teachers.gov.bd/content/details/1054697 Batayon ID: https://www.teachers.gov.bd/profile/Lutfor%20Rahman


আবু নাছির মোঃ নুরুল্লা
২৬ জুলাই, ২০২১ ০৮:০৫ পূর্বাহ্ণ

লাইক ও রেটিংসহ আপনার জন্য শুভকামনা। আমার আপলোডকৃত কনটেন্ট ও ব্লগ দেখে আপনার মূল্যবান মতামত ও পরামর্শ প্রত্যাশা করছি।