সহকারী শিক্ষক
১৯ ডিসেম্বর, ২০২৪ ১২:২৯ পূর্বাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
মানবসেবা মহৎ ধর্ম। আমাদের পরিবারে শিশু, বয়স্ক সদস্য বা শারীরিক ও মানসিকভাবে অক্ষম (স্থায়ী বা অস্থায়ী) কেউ যখন স্বাভাবিক রুটিন কাজগুলো করতে পারে না, তখন তাদের প্রিয়জনদের সেবার ওপর নির্ভর করতে হয়। তাদের পরিচর্যা বা যত্ন নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। এমনকি হাসপাতাল বা নার্সিং হোমে চিকিৎসা গ্রহণ করার পরেও প্রিয়জনদের দ্বারা তাদের যত্ন প্রদান অব্যাহত রাখতে হয়। এই যত্ন বা সেবা প্রদান কার্যক্রম দীর্ঘমেয়াদিও হতে পারে।
কেয়ার গিভিং হলো একটি সেবামূলক কার্যক্রম। বৃহত্তর অর্থে কোনো ব্যক্তি বা প্রাণির সঠিক ও কার্যকর উপায়ে যত্ন বা সেবা প্রদান করার যে কৌশল বা কার্যক্রম তাই হলো- কেয়ার গিভিং। আর যিনি সেবা প্রদান করেন বা এই দায়িত্বপালন করেন তাকে কেয়ার গিভার বলা হয়। এই দায়িত্ব যে কেউ নিতে পারেন; যেমন- পিতামাতা, শিক্ষক, প্রাথমিক যত্নের শিক্ষাবিদ, শিশু যত্ন প্রদানকারী, আয়া, ঠাকুরমা, পারিবারিক বন্ধু, কোচ কিংবা আমরাও।
আমাদের দেশের সম্ভাব্য আয়ুষ্কাল ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ১৯৬০ সালে বাংলাদেশের গড় আয়ুষ্কাল ছিল ৪৫ বছর অর্থাৎ গড়ে মানুষ ৪৫ বছর বেঁচে থাকতো। বর্তমানে তা বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় ৭৩ বছর হয়েছে। এতে বোঝা যায়, আমাদের দেশে বয়স্ক ব্যক্তির সংখ্যা অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরো বাড়বে। বয়স্ক ব্যক্তিদের দেখাশোনার জন্য বিশেষ দক্ষতার প্রয়োজন হয়। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ যেখানে গড় আয়ুষ্কাল অনেক বেশি, সেসব দেশে অনেক কেয়ার গিভারের প্রয়োজন হয় এবং কেয়ার গিভার সেখানে একটি সম্মানজনক পেশা। আমাদের দেশেও অদুর ভবিষ্যতে অনেক কেয়ার গিভার প্রয়োজন হবে। আবার প্রতিটি পরিবারে বয়স্ক ব্যক্তির সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে নিজেদেরও কেয়ার গিভারের কাজ শিখে নিতে হবে, পরিবারের প্রিয় মানুষদের সেবাযত্ন করার জন্য।
কেয়ার গিভিং-এর তিনটি ক্ষেত্র। এগুলো হলো-
ক. ব্যক্তিগত পরিচর্যা
খ. স্বাস্থ্য পরিচর্যা
গ. সামাজিক পরিচর্যা
৭৩
১৪৬ মন্তব্য