Loading..

ব্লগ

রিসেট

০৬ অক্টোবর, ২০২৫ ০৯:২৭ অপরাহ্ণ

বিশ্বের কোন দেশে শিক্ষকের মর্যাদা কেমন!!!

ব্রিটেন-ভিত্তিক গবেষণা সংস্থা ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ইকোনোমকি এবং সোশ্যাল রিসার্চ ৩৫টি দেশে ৩৫ হাজার মানুষের ওপর এক গবেষণা চালিয়ে যে ‘শিক্ষক মর্যাদা সূচক’ প্রকাশ করেছে, তাতে এই চিত্র বেরিয়ে এসেছে।


ব্রিটেনে শিক্ষকের মর্যাদা সূচকের মাঝমাঝি জায়গায়। যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স এবং জার্মানির চেয়ে ওপরে।


চীন তালিকার সবচেয়ে ওপরে। চীনের ৮১ শতাংশ শিক্ষার্থী বিশ্বাস করে শিক্ষকদের সম্মান করতে হবে, যেখানে আন্তর্জাতিকভাবে এই গড় ৩৫ শতাংশ।


ইউরোপ ও দক্ষিণ আমেরিকায় শিক্ষকদের সম্মান দেওয়ার ইস্যু ততটা গুরুত্ব পায়না যতটা পায় এশিয়ায়।


বিশেষ করে চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, তাইওয়ান বা মালয়েশিয়ায় শিক্ষকদের সামাজিক মর্যাদা অনেক ওপরে। এবং আন্তর্জাতিকভাবে যে সব প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা হয়, সেখানে এই দেশের শিক্ষার্থীরাই সবচেয়ে ভালো করছে। তার অন্যতম কারণ হচ্ছে, মর্যাদা রয়েছে বলে ভালো শিক্ষক পাওয়া এবং ধরে রাখাও সহজ হয় এসব দেশ।




গবেষণায় দেখা গেছে, চীন, ভারত বা গানায় এখনও পরিবারগুলো তাদের সন্তানদের শিক্ষক হতে উৎসাহিত করে।


অন্যদিকে, ইসরায়েল বা ব্রিটেনে বাবা-মায়েরা চাননা তাদের সন্তানরা শিক্ষকতায় ঢুকুক।


ভার্কি ফাউন্ডেশন নামে যে দাতব্য প্রতিষ্ঠানটি এই গবেষণায় পয়সা জুগিয়েছে, সেটির প্রতিষ্ঠাতা সানি ভার্কি বলেন, এই গবেষণায় একটি প্রচলিত বিশ্বাস প্রমাণিত হলো যে যেসব সমাজে শিক্ষকের মর্যাদা বেশি, সেখানে শিক্ষার্থীরা ভালো শিক্ষা পায়।


তিনি বলেন, কোনো সন্দেহ ছাড়াই আমরা এখন বলতে পারি, শিক্ষককে মর্যাদা করা কোনো নৈতিক দায়িত্ব নয়, এটা কোনো দেশের শিক্ষার মানের জন্য জরুরি।


শিক্ষকরা সবেচেয়ে বেশি মর্যাদা পান এমন শীর্ষ ১০টি দেশ হলো- ১ চীন ২. মালয়েশিয়া ৩. তাইওয়ান ৪. রাশিয়া ৫. ইন্দোনেশিয়া ৬. দক্ষিণ কোরিয়া ৭. তুরস্ক. ৮. ভারত. ৯. নিউজিল্যান্ড ১০. সিঙ্গাপুর।


সম্মান ও সুযোগ সুবিধার বিচারে বাংলাদেশে শিক্ষকরা অনেক পিছিয়ে। উপযুক্ত বেতন-ভাতার অভাবে মেধাবীরা তাদের কর্মসংস্থানের পছন্দের তালিকায় শিক্ষকতাকে কম গুরুত্ব দেন। এ কারণে দাবি ও সম্মান আদায়ে শিক্ষকদের নিয়মিত আন্দোলন করতে দেখা যায়।


নোট: জরিপের এই ফল ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশ করে বিবিসি। এরপর গত কয়েক বছরে বিশ্বব্যাপী অবস্থার বড় কোনো পরিবর্তন ঘটেনি। গত গত এক বছরে বাংলাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে বহু শিক্ষককে শিক্ষার্থীদের হাতে লাঞ্ছিত হতে দেখা গেছে।


শিক্ষাসহ সব খবর সবার আগে জানতে দৈনিক আমাদের বার্তার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গেই থাকুন। ভিডিয়োগুলো মিস করতে না চাইলে এখনই দৈনিক আমাদের বার্তার ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন এবং বেল বাটন ক্লিক করুন। বেল বাটন ক্লিক করার ফলে আপনার স্মার্ট ফোন বা কম্পিউটারে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভিডিওগুলোর নোটিফিকেশন পৌঁছে যাবে।

মন্তব্য করুন

ব্লগ