Loading..

ব্লগ

রিসেট

০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১১:৩৫ অপরাহ্ণ

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ১৩৩ অধ্যাদেশের হাল-হাকিকত

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে জারি করা গণভোট, গুম প্রতিরোধ, দুদক সংস্কারসহ ২০টি অধ্যাদেশ সংসদের চলতি অধিবেশনে অনুমোদনের জন্য তোলা হচ্ছে না। এর ফলে কার্যকারিতা হারাচ্ছে এসব অধ্যাদেশ। এর মধ্যে সুপ্রিমকোর্টের বিচারক নিয়োগ, সুপ্রিমকোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশসহ চারটি অধ্যাদেশ বাতিল করার সুপারিশ করা হয়েছে।

তবে এ চার অধ্যাদেশের অধীনে নেওয়া কার্যক্রম হেফাজতের জন্য সংসদে বিল আকারে তোলা হবে। বাকি ১৬টি অধ্যাদেশের ক্ষেত্রে এখনই বিল আকারে উত্থাপন না করে পরবর্তী সময়ে যাচাই-বাছাই করে অধিকতর শক্তিশালী করে বিল উত্থাপনের সুপারিশ করা হয়েছে। 

বুধবার সংসদ অধিবেশনে সংসদীয় বিশেষ কমিটির রিপোর্টে এ সুপারিশ করা হয়। সংসদে রিপোর্ট উত্থাপন করেন বিশেষ কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীন। এতে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলের ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ৯৮টি অধ্যাদেশ পাশ করা এবং বাকি ১৫টি অধ্যাদেশ সংশোধিত আকারে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সংসদে বিল উত্থাপনের জন্য সুপারিশ করেছে কমিটি। 

সংশ্লিষ্টরা জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা ২০টি অধ্যাদেশ ৯ এপ্রিলের মধ্যে সংসদে অনুমোদন না পাওয়ায় সেগুলো মূলত কার্যকারিতা হারাতে যাচ্ছে। আইন অনুযায়ী কোনো অধ্যাদেশ সংসদে উত্থাপনের ৩০ দিনের মধ্যে অনুমোদন করা না হলে তার কার্যকারিতা লোপ পাবে। বিশেষ কমিটির এ সুপারিশের মধ্য দিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের অনেক গুরুত্বপূর্ণ আইনি সংস্কার প্রশ্নের মুখে পড়ল। 

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর ড. মুহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারি করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী, সংসদ অধিবেশন শুরুর পর ওইসব অধ্যাদেশ সংসদের অনুমোদন নেওয়ার প্রয়োজন হয়। সংসদ অনুমোদন না করলে ওই অধ্যাদেশ কার্যকারিতা হারায়। কিন্তু ২০টি অধ্যাদেশ চলতি অধিবেশনে এখনই বিল আকারে উত্থাপন না করায় সেগুলো মূলত লোপ হতে যাচ্ছে। এর মধ্যে গণভোট অধ্যাদেশও রয়েছে। 

১৩৩টি অধ্যাদেশ নিয়ম অনুযায়ী ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বৈঠকে (১২ মার্চ) উপস্থাপন করা হয়। পরে এগুলো যাচাই করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য সরকারি দল ও বিরোধী দলের সদস্যদের সমন্বয়ে বিশেষ কমিটি গঠন করে সংসদ। ওই কমিটি ২৪, ২৫ ও ২৯ মার্চ বৈঠক করে এ প্রতিবেদন জমা দেয়। 

মন্তব্য করুন

ব্লগ