Loading..

ব্লগ

রিসেট

০৪ জুলাই, ২০২৬ ১১:০৫ অপরাহ্ণ

প্রাথমিকে খেলার ছলে শেখা কার্যক্রমের পক্ষে ৮১ শতাংশ

প্রাথমিকে খেলার ছলে শেখা কার্যক্রমের পক্ষে ৮১ শতাংশ

জরিপে প্রশ্ন করা হয়েছিলো, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘খেলার ছলে শেখা’ কার্যক্রমের নির্দেশ-এর সঙ্গে আপনি কি একমত? জরিপে ‘হ্যাঁ’ এবং ‘না’ এর পাশাপাশি ‘মন্তব্য নেই’ নামে আরেকটি ঘর ছিলো।শিক্ষার্থীদের সময়মতো বিদ্যালয়ে উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং ঝরে পড়া রোধে ছবি আঁকা, মাটির কাজ ও বিভিন্ন উপকরণ তৈরির মাধ্যমে ‘খেলার ছলে শেখা’ কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)। নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস (আনন্দময় শিক্ষা)’ কর্মসূচির আওতায় এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই নির্দেশনার সঙ্গে একমত হন ৮১ শতাংশ।

দেশের শিক্ষাবিষয়ক পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল পত্রিকা দৈনিক শিক্ষাডটকমের এক জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে। তবে জরিপে অংশ নেয়া ১৬ শতাংশ এ নির্দেশনার সঙ্গে একমত নয়। আর অবশিষ্ট ৩ শতাংশ মানুষ এর পক্ষে বিপক্ষে কোনো মতামত দেননি।গতকাল শুক্রবার বিকেল থেকে শুরু হয়ে আজ শনিবার দুপুর পর্যন্ত দৈনিক শিক্ষাডটকমের ওয়েবসাইটে এই জরিপ চালানো হয়। দৈনিক শিক্ষাডটকম পরিচালিত এই জরিপে অংশ নিয়েছেন মোট এক হাজার ৪১৬ জন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী। ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন এক হাজার ১৫৪ জন এবং ‘না’ ভোট দিয়েছেন ২২৭ জন। ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ কোনো মন্তব্য করেননি ৩৫ জন।

জরিপে প্রশ্ন করা হয়েছিলো, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘খেলার ছলে শেখা’ কার্যক্রমের নির্দেশ-এর সঙ্গে আপনি কি একমত? জরিপে ‘হ্যাঁ’ এবং ‘না’ এর পাশাপাশি ‘মন্তব্য নেই’ নামে আরেকটি ঘর ছিলো।

প্রসঙ্গত, বর্তমানে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) প্রণীত প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির চারু ও কারুকলা বিষয়ে শিক্ষক সহায়িকা রয়েছে। এসব সহায়িকার আলোকে শ্রেণিভিত্তিক বিভিন্ন ছবি আঁকতে শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে হবে।

পাশাপাশি মাটি দিয়ে বিভিন্ন ধরনের উপকরণ তৈরি করাতে হবে এবং শিক্ষার্থীদের তৈরি শিল্পকর্ম শ্রেণিকক্ষে প্রদর্শনের ব্যবস্থাও করতে হবে, যাতে তারা উৎসাহিত ও আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠে।

এতে আরো বলা হয়, শ্রেণিকক্ষে আনন্দময় ও অংশগ্রহণমূলক পরিবেশে শিক্ষকরা এ কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। এর ফলে শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়কে প্রিয় ও নিরাপদ স্থান হিসেবে অনুভব করবে। বিদ্যালয়ে নিয়মিত উপস্থিত থাকার প্রতিও তাদের আগ্রহ বাড়বে।

এ কার্যক্রম বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, বিভাগীয় উপপরিচালক, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের নির্দেশ দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

#প্রাথমিক বিদ্যালয় #শিক্ষার্থী

#প্রাথমিক বিদ্যালয় #শিক্ষার্থী

মন্তব্য করুন