সহকারী অধ্যাপক
০৬ জুলাই, ২০২৬ ০৪:৫২ পূর্বাহ্ণ
পরকালের বিশ্বাস ও প্রতিবেশীর অধিকার - মোঃ মুজিবুর রহমান
পরকালের বিশ্বাস ও প্রতিবেশীর অধিকার
মোঃ মুজিবুর রহমান
সহকারী অধ্যাপক
মোজাদ্দেদীয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা,কালিয়াকৈর, গাজীপুর।
যে হৃদয়ে ঈমানের দীপ
নিভে না কোনো কালে,
সে হৃদয় জ্বলে আলোর মতো
সত্যের অমল জ্বালে।
আল্লাহভীতি যার অন্তরে,
পরকালের স্মরণ,
তারই জীবন দয়ার সুরে
গড়ে শুভ আচরণ।
রাসুল দিলেন অমর বাণী,
মানবতার ডাক—
"প্রতিবেশীর অন্তর ভেঙো না,
রাখো না কোনো ফাঁক।"
যে বলে, "আমি ঈমানদার,"
মুখে শুধু নয়,
তার চরিত্রে ফুটে উঠুক
সততারই জয়।
যে বিশ্বাসী মহান রবের,
শেষ বিচারের দিন,
সে কখনোই কষ্ট দেবে না
পাশের আপনজন।
হাসিমুখে সে খোঁজ নেবে,
দুঃখে হবে সাথি,
অন্ধকারে প্রদীপ হয়ে
জ্বালবে আশার বাতি।
প্রতিবেশী ক্ষুধার্ত হলে
নিজে কেমন তৃপ্ত?
বিবেক তখন প্রশ্ন তোলে,
হৃদয় হয় বিপ্ত।
একটি রুটির ভাগ দিলে যে
কমে না তো ধন,
বরং তাতে প্রসারিত হয়
মানবতার মন।
একটি মিষ্টি সম্ভাষণে
মুছে যায় অভিমান,
একটি স্নেহের স্পর্শে জাগে
ভালোবাসার গান।
কর্কশ ভাষা বিষের মতো,
দগ্ধ করে প্রাণ;
মধুর বচন শিশির হয়ে
আনে শান্তি দান।
প্রতিবেশীর সুখে হাসো,
দুঃখে দাও কাঁধ,
এমন জীবন গড়তে পারাই
মানবতার সাধ।
তার ঘরে যদি নেমে আসে
বিপদের কালরাত,
তোমার হাতে জ্বলে উঠুক
সহমর্মিতার প্রভাত।
অসুস্থ হলে দেখতে যেও,
করো দোয়া তার,
মানবসেবায় লুকিয়ে থাকে
রবের অপার আদর।
বৃদ্ধ যদি পথ হারিয়ে
দাঁড়িয়ে থাকে চুপ,
তোমার হাতে ফিরে পাক সে
নিরাপত্তার রূপ।
শিশুর হাসি, মায়ের অশ্রু,
বৃদ্ধের দীর্ঘশ্বাস—
সবই যেন মনে করায়
মানুষ হও আজ।
দেওয়াল যত উঁচুই হোক,
হৃদয় রেখো খোলা,
মানুষ যদি মানুষ না হয়,
জীবন থাকে শূন্যতলা।
ধন-সম্পদ, খ্যাতি, মান,
সবই ক্ষণিক ছায়া,
সদাচরণের সোনার ফসল
চিরদিনের মায়া।
প্রতিবেশী শান্তিতে থাকুক—
এ কামনা যার,
তারই ঘরে বরকত নামে
রহমতের উপহার।
অহংকারের অগ্নিশিখা
পুড়িয়ে দেয় প্রাণ,
বিনয় হলো নির্মল নদী,
শীতল তার টান।
ক্ষমা যদি করতে শেখো,
কমে যায় বিবাদ,
হিংসার কাঁটা ঝরে পড়ে,
ফোটে প্রেমের সাধ।
শত্রুতাকে ভেঙে ফেলো
সৌজন্যের হাত,
দয়ার মাঝে খুঁজে নাও
জীবনের প্রভাত।
যে প্রতিবেশী অন্য ধর্মের,
সেও মানুষ ভাই,
সম্মান দিয়ে পাশে থাকো—
এ শিক্ষাই পাই।
কারও ঘুমে শব্দ দিও না,
দূষণ ছড়িও না,
অন্যের অধিকারে হস্তক্ষেপ
কখনো করো না।
পথের ধুলো সরিয়ে দাও,
কাঁটা যদি থাকে,
সেবার মাঝে ঈমানেরই
সুবাস নীরব ডাকে।
পরের সুখে ঈর্ষা নয়,
করো মঙ্গলচিন্তা,
স্বার্থপরতার শুষ্ক মাটি
ভরাও প্রেমের বীজে।
যে ঘরে থাকে দয়ার আলো,
সেখানে সুখ হাসে,
সেই পরিবার মানুষেরই
ভালোবাসায় ভাসে।
মসজিদের ডাক কানে এলে
নত হয় যে প্রাণ,
প্রতিবেশীর অধিকারে সে
রাখে সমান জ্ঞান।
ইবাদতের সৌন্দর্য তখন
পূর্ণতা পায় ঠিক,
যখন মানুষ নিরাপদ হয়
তোমার হাতের দিক।
নামাজ, রোজা, দান ও হজ—
মহান ইবাদত সব,
সঙ্গে চাই উত্তম চরিত্র,
এটাই শিক্ষা রব।
পরকালের কঠিন দিনে
হবে যখন বিচার,
মানুষ তখন খুঁজবে শুধু
সৎকর্মেরই ভার।
সেদিন যদি সাক্ষ্য দেয়
প্রতিবেশীর মুখ—
"এই মানুষটি দয়া করেছে,
মুছিয়েছে আমার দুঃখ।"
সেই সাক্ষ্য হবে অমূল্য ধন,
সফল জীবনের ফল,
সদাচরণের পুষ্পমাল্য
হবে অনন্ত সম্বল।
এসো তবে গড়ি সবাই
মমতার সমাজ,
যেখানে মানুষ মানুষকে
করবে না লাজ।
আল্লাহভীতি, ঈমান, দয়া,
সত্য হবে সাথি,
প্রতিবেশীর অধিকারে জ্বলুক
মানবতার বাতি।
কষ্ট নয়, দাও সান্ত্বনা,
ঘৃণা নয়, দাও প্রেম,
এমন জীবন রেখে যাক
অমর কল্যাণ-নেম।
যে বিশ্বাসী পরকালে,
সে জানে অন্তরভরে—
প্রতিবেশীর হাসির মাঝে
রবের সন্তোষ ঝরে।
মানুষ হয়ে মানুষের পাশে
দাঁড়ানোই মহিমা,
এই শিক্ষাতেই প্রস্ফুটিত হোক
জীবনের গরিমা।
প্রতিবেশীর প্রতি সদয় হও,
দূর করো সব ভয়—
এমন চরিত্রেই ফুটে ওঠে
ঈমানের সত্য পরিচয়।
***
পরকালের বিশ্বাস ও প্রতিবেশীর অধিকার
বিশ্বাস যদি হৃদয়জুড়ে
জ্বলে প্রভাত-আলো,
অন্যের সুখে ফুটে ওঠে
আপন প্রাণের ভালো।
যে মানুষটি আল্লাহভীরু,
পরকালের ধ্যানে,
তার প্রতিটি কর্ম ফুটে
করুণারই গানে।
রাসুলের সেই অমর বাণী
যুগে যুগে রয়—
ঈমান কেবল মুখের বুলি
নয় তো পরিচয়।
ঈমান মানে সত্যপথে
অটল থেকে চলা,
অন্য প্রাণের সুখের তরে
নিজের সুখও ভুলা।
যে বিশ্বাসী আল্লাহর প্রতি,
শেষ বিচারের দিন,
সে তো জানে প্রতিটি কাজ
লেখা আছে ঋণ।
সেদিন যখন দাঁড়াতে হবে
রবের মহান দ্বারে,
ধন-সম্পদ কিছুই থাকবে
না তো কারও পাশে।
থাকবে শুধু কর্মের খাতা,
মানবতার দান,
সত্য, ন্যায় আর দয়ার লেখা
অমল অবদান।
তাই তো নবী শিখিয়েছেন
অতুল বাণী দিয়ে—
প্রতিবেশীর মনে কভু
ব্যথা দিও না গিয়ে।
তোমার মুখের একটি কথা
হতে পারে ফুল,
আবার তাতেই জেগে উঠতে
পারে বিষের কূল।
কোমল ভাষা শিশিরধারা,
রূঢ় বাক্য ক্ষার,
একটি হাসি ভেঙে দিতে
পারে শত অন্ধকার।
প্রতিবেশীর ঘরে যদি
জ্বলে দুঃখের আগুন,
তোমার হাতে শান্তির জল
হোক স্নিগ্ধ বরুণ।
তাঁর শিশুটি ক্ষুধায় কাঁদে,
তুমি যদি জানো,
নিজের থালা ভাগ করে দাও,
মানবধর্ম মানো।
বৃদ্ধ যদি পথ হারিয়ে
চেয়ে থাকে চুপ,
তোমার হাতের স্পর্শে যেন
ফিরে পায় সে রূপ।
অসুস্থ হলে খোঁজ নাও গিয়ে,
করো আন্তরিক দোয়া,
মানুষ সেবার প্রতিটি ক্ষণে
রহমতেরই ছোঁয়া।
দেওয়াল শুধু ইটের গাঁথুনি,
হৃদয় নয় তেমন,
হৃদয় যদি খুলে দাও,
বদলে যাবে জীবন।
কেউ যদি হয় ভিন্ন ধর্মের,
তবু সে তো মানুষ,
সম্মান দিয়ে পাশে দাঁড়াও,
এটাই নৈতিক স্পর্শ।
অন্যের সুখে ঈর্ষা নয়,
করো মঙ্গলকাম,
ভালোবাসাই মানুষ গড়ে,
ঘোচায় সব অবসাদ।
অহংকারের আগুন জ্বেলে
পুড়ে নিজের প্রাণ,
বিনয়ের জল নেমে এলে
ফোটে শান্তির গান।
ক্ষমার মাঝে লুকিয়ে থাকে
অশেষ মহিমা,
ক্ষমাহীন হৃদয় কখনো
পায় না গরিমা।
তোমার ঘরে সুখের আলো
যদি জ্বলে নিত্য,
পাশের ঘরেও ছড়িয়ে দাও
ভ্রাতৃত্বেরই নীতি।
প্রতিবেশীর নিরাপত্তা
তোমারও দায়িত্ব,
এই শিক্ষাতেই গড়ে ওঠে
সভ্যতার ঐশ্বর্য।
রাতের নীরব ঘুম ভেঙে
শব্দ কোরো না,
অন্যের অধিকারে কখনো
হস্তক্ষেপ কোরো না।
রাস্তা জুড়ে কাঁটা দেখলে
সরিয়ে দাও ত্বরায়,
ক্ষুদ্র কাজও মহৎ হয়ে
রবের কাছে যায়।
একটি মিষ্টি সম্ভাষণে
মুছে যায় যে ক্ষত,
একটি আন্তরিক করমর্দনে
মেটে কত বিরত।
প্রতিবেশীর আনন্দ যেন
তোমারও উৎসব,
তার দুঃখে হও ছায়াবৃক্ষ,
ভুলো নিজের সব।
নামাজ যদি পড়ো নিয়মে,
রাখো তারও মান—
প্রতিবেশীর অধিকারে যেন
না হয় অবহেলান।
রোজার ক্ষুধা শেখায় মানুষ
অপরেরই ব্যথা,
দান শেখায়—নিজের মাঝে
ভাগ করে নাও প্রথা।
হজের শিক্ষা বিশ্বজোড়া
ভ্রাতৃত্বেরই সুর,
মানুষ যেন মানুষ থাকে
এটাই মহা নূর।
যে ইবাদত চরিত্রহীন,
সে তো অসম্পূর্ণ,
মানবপ্রেমে পূর্ণ হলে
হয় ইবাদত পূর্ণ।
পরকালের স্মরণ মানুষকে
রাখে সদা সজাগ,
অন্যায় থেকে ফিরিয়ে আনে,
মুছে মনের দাগ।
সেদিন যখন বিচার হবে
ন্যায়ের অমল তলে,
প্রতিবেশী যদি হাসিমুখে
তোমার কথা বলে—
"এই মানুষটি কষ্ট দেয়নি,
ছিল দয়ার ছায়া,
দুঃসময়ে পাশে দাঁড়িয়ে
মুছিয়েছে সব মায়া।"
সে সাক্ষ্য হবে অমূল্য রত্ন,
অনন্ত পাথেয়,
রবের রহমত ছায়া হয়ে
রাখবে তোমায় ঢেকে।
তাই এসো আজ প্রতিজ্ঞা করি,
ভাঙব না কোনো মন,
মানবতার সুবাস ছড়াই
প্রতিটি ক্ষণক্ষণ।
প্রতিবেশীর হাসির মাঝে
নিজের সুখ খুঁজি,
অপরের অশ্রু মোছার তরে
জীবন করি পুঁজি।
ঈমান হোক কর্মে ভরা,
সত্য হোক পরিচয়,
প্রতিবেশীর কল্যাণে যার
নিবেদিত হৃদয়।
আল্লাহভীতি পথের প্রদীপ,
দয়া তারই আলো,
পরকালের বিশ্বাস নিয়ে
চলো নির্ভয় ভালো।
মানুষ যেন মানুষ থাকে,
এই হোক অঙ্গীকার,
প্রতিবেশীর অধিকারেই
সভ্যতার ভিত্তিপ্রস্তর।
শেষ বিচারে সফল হবে
সে-ই মহামানব,
যার জীবনে দয়ার নদী
বহে অবিরত সব।
আসুক এমন ভোরের আলো
প্রতিটি ঘরে ঘরে,
প্রতিবেশীর সুখের হাসি
ফুটুক অন্তরে।
এই হোক প্রাণের প্রার্থনা,
এই হোক জীবনের বাণী—
"প্রতিবেশীর অধিকার রক্ষা
ঈমানেরই চিরকাহিনি।"
***
পরকালের বিশ্বাস ও প্রতিবেশীর অধিকার
প্রভাত যখন রাঙায় ধরা
সোনালি আলোর রঙে,
শিশিরভেজা ঘাসের ডগায়
হাসে নবীন ঢঙে।
পাখির কণ্ঠে জেগে ওঠে
স্রষ্টার পবিত্র গান,
নীল আকাশে ছড়িয়ে পড়ে
করুণারই আহ্বান।
মানুষ তখন পথ খুঁজে নেয়
আলোর অন্বেষণে,
সত্যের সুধা পান করতে চায়
অন্তরেরই ক্ষণে।
যার হৃদয়ে ঈমান জাগে
স্বচ্ছ নদীর মতো,
তার জীবনের প্রতিটি ধ্বনি
কল্যাণময় শত।
আল্লাহর প্রতি অগাধ ভরসা,
পরকালের ধ্যান,
তারই বুকে জাগিয়ে তোলে
উত্তম চরিত্রের জ্ঞান।
সে জানে—জীবন ক্ষণিক পথ,
চিরদিনের নয়,
শেষ বিচারে সত্য ছাড়া
আর কিছুই নয়।
ধন হারাবে, মান হারাবে,
মুছে যাবে রূপ,
থাকবে শুধু কর্মের আলো,
সততারই রূপ।
তাই তো নবীর অমর বাণী
ধ্বনিত যুগে যুগে—
ঈমান শুধু উচ্চারণে
ফুটে না কোনো মুখে।
ঈমান মানে কোমল হৃদয়,
সদাচারের দীপ,
অন্যের সুখে হাসতে শেখা,
মুছিয়ে দেওয়া ক্ষীণ স্নিগ্ধ নীপ।
যে বলে—"আমি বিশ্বাসী",
সে আগে মানুষ হয়,
তার ব্যবহারে ফুটে ওঠে
দয়ার পরিচয়।
প্রতিবেশী তার আপনজন,
নিকটতম সহচর,
সুখে-দুঃখে পাশে থাকা
ঈমানেরই গহ্বর।
রাসুল শিখিয়েছেন স্পষ্ট ভাষায়—
কষ্ট দিও না কভু,
প্রতিবেশীর অশ্রুবিন্দু
হোক না তোমার ত্রুটি।
সদয় হও, নম্র হও,
ভালোবাসা দাও,
একটি হাসি, একটি সম্ভাষণ
জীবনভরে চাও।
প্রতিবেশীর ঘরে যদি
দুঃখ নামে নীরব,
তোমার হৃদয় ছুটে যাক
সহমর্মিতার তরব।
তার ক্ষুধাতে কাঁপলে প্রাণ,
ভাগ করো আহার,
দানেই কমে না সম্পদের মান,
বাড়ে অনুগ্রহ অপার।
রোগে যদি শয্যাশায়ী
হয়ে পড়ে কেউ,
একটি খোঁজ, একটি দোয়া
সান্ত্বনারই ঢেউ।
অভিমানী কঠিন বচন
রেখো দূরে সরিয়ে,
মধুর ভাষার ফুল ফোটাও
হৃদয়খানি ভরিয়ে।
অহংকারের অগ্নিশিখা
পুড়িয়ে দেয় মন,
বিনয়েরই শীতল ছায়ায়
ফোটে শুভ জীবন।
যে ক্ষমা করে, সে-ই বড়,
সে-ই মহীয়ান,
ক্ষমার মাঝেই প্রস্ফুটিত
রবের সন্তোষ-জ্ঞান।
হিংসা নয়, বিদ্বেষ নয়,
ভালোবাসার পথ,
এই পথেই প্রসারিত হয়
মানবতার রথ।
ধর্ম, বর্ণ, ভাষা ভিন্ন—
তবু মানুষ এক,
সম্মান দিয়ে পাশে দাঁড়াও,
এটাই উত্তম পথের রেখ।
দেওয়াল যত উঁচু হোক,
হৃদয় রেখো খোলা,
স্নেহের ছোঁয়ায় পৃথিবী হয়
ফুলে-ফলে ভরা।
পরকালের বিশ্বাস যখন
জাগে অন্তর-মাঝে,
মানুষ তখন অন্যায় ত্যাগে
সত্যের পথে সাজে।
নিজের আগে অন্যের কথা
ভাবতে শেখে প্রাণ,
প্রতিবেশীর কল্যাণেই সে
খুঁজে নেয় সম্মান।
শেষ বিচারের প্রভাত যখন
উদিত হবে ধীরে,
কর্মের পাল্লা দুলবে তখন
সত্যেরই নীরে।
সেদিন যদি প্রতিবেশী
হাসিমুখে কয়—
"এই মানুষটি কষ্ট দেয়নি,
ছিল দয়ারময়।"
সে সাক্ষ্য হবে নূরের মতো,
অমূল্য মহাধন,
রবের রহমত ছায়া হয়ে
ভরিয়ে দেবে মন।
এসো তবে প্রতিজ্ঞা করি,
ঘৃণা রাখব দূরে,
প্রেমের আলো জ্বালব সদা
মানবতার সুরে।
আল্লাহভীতি পথের প্রদীপ,
ঈমান তারই আলো,
প্রতিবেশীর অধিকার রক্ষায়
জীবন হোক ভালো।
এই শিক্ষা চির অমলিন,
এই শিক্ষা চিরসত্য—
প্রতিবেশীর প্রতি সদাচারেই
ঈমান পায় পূর্ণতা।
১৪
২৪ মন্তব্য