সিনিয়র শিক্ষক
০৮ জুলাই, ২০২৬ ০২:৩৪ অপরাহ্ণ
সিনিয়র শিক্ষক
কৈশোরকালীন পুষ্টি
কৈশোরকাল মানুষের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়। সাধারণত ১০ থেকে ১৯ বছর বয়স পর্যন্ত সময়কে কৈশোরকাল বলা হয়। এ সময়ে শারীরিক, মানসিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ দ্রুত ঘটে। তাই এই সময়ে সুষম ও পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
কৈশোরে শরীরের বৃদ্ধি দ্রুত হওয়ায় প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, চর্বি, ভিটামিন, খনিজ লবণ ও পর্যাপ্ত পানি প্রয়োজন। দুধ, ডিম, মাছ, মাংস, ডাল, শাকসবজি, ফলমূল এবং পূর্ণ শস্যজাতীয় খাবার নিয়মিত খেলে শরীর সুস্থ ও সবল থাকে। বিশেষ করে কিশোরীদের জন্য আয়রন ও ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এগুলো রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধ করে এবং হাড়কে শক্তিশালী করে।
অন্যদিকে, অতিরিক্ত ফাস্ট ফুড, কোমল পানীয়, অতিরিক্ত তেল-চর্বিযুক্ত ও জাঙ্ক ফুড খাওয়ার অভ্যাস স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এসব খাবার স্থূলতা, ডায়াবেটিস ও অন্যান্য স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াতে পারে। তাই এসব খাবার যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলা উচিত।
সুষম খাদ্যের পাশাপাশি নিয়মিত ব্যায়াম, পর্যাপ্ত ঘুম, ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা এবং বিশুদ্ধ পানি পানও সুস্থ থাকার জন্য অপরিহার্য। পরিবারের সদস্য ও শিক্ষকদের উচিত কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলতে উৎসাহিত করা।
পরিশেষে বলা যায়, কৈশোরকালীন সঠিক পুষ্টি একজন মানুষকে সুস্থ, কর্মক্ষম ও মেধাবী নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই এই সময়ে পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন নিশ্চিত করা সবার দায়িত্ব।
৪
৬ মন্তব্য