দধির উপকারিতা ও দধির
অপকারিতা
টক বা মিষ্টি দই—দুটোই পুষ্টিগুণে ভরপুর।
দইয়ে থাকা প্রোবায়োটিক, ক্যালসিয়াম ও প্রোটিন হজমশক্তি বাড়াতে এবং হাড় মজবুত করতে
অত্যন্ত কার্যকর。তবে যাদের ল্যাকটোজ ইনটলারেন্স (lactose
intolerance) বা দুগ্ধজাত খাবারে অ্যালার্জি রয়েছে, অতিরিক্ত দই খেলে তাদের পেটে সমস্যা
দেখা দিতে পারে।
দধির উপকারিতা
- হজমশক্তি বৃদ্ধি: দইয়ে প্রচুর
'গুড ব্যাকটেরিয়া' বা প্রোবায়োটিক থাকে, যা হজমশক্তি উন্নত করতে ও কোষ্ঠকাঠিন্য
দূর করতে সাহায্য করে।
- হাড় ও দাঁত মজবুত: দই ক্যালসিয়াম
ও ভিটামিন ডি-এর চমৎকার উৎস, যা হাড়ের ক্ষয় রোধ করে এবং মজবুত রাখে।
- রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা: এটি শরীরের রোগ
প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
- ওজন নিয়ন্ত্রণ: দই প্রোটিনের
ভালো উৎস হওয়ায় এটি পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে এবং ওজন কমাতে সহায়ক ভূমিকা পালন
করে।
- ত্বক ও চুল ভালো
রাখে: দইয়ের ল্যাকটিক অ্যাসিড ত্বক উজ্জ্বল করতে এবং চুলের খুশকি দূর করতে
সাহায্য করে।
দধির অপকারিতা বা সতর্কতা
- ল্যাকটোজ অসহনীয়তা: যাদের দুধে সমস্যা
(ল্যাকটোজ ইনটলারেন্স) আছে, তাদের দই খেলে পেট ফোলা, গ্যাস বা ডায়রিয়ার মতো
সমস্যা হতে পারে।
- ঠান্ডা লাগা: যাদের ঠান্ডা
লাগা, হাঁপানি বা সাইনাসের সমস্যা আছে, তাদের জন্য রাতে দই খাওয়া ক্ষতিকর হতে
পারে, কারণ এটি কফ বা শ্লেষ্মা বাড়াতে পারে।
- ওজন বৃদ্ধি: অতিরিক্ত মিষ্টি
দই খেলে ওজন ও রক্তের শর্করার মাত্রা বেড়ে যেতে পারে।
- অ্যালার্জি: দইয়ে থাকা হিস্টামিনের
কারণে সংবেদনশীল ত্বকে বা শরীরে চুলকানি বা র্যাশ বের হতে পারে।
(তথ্য সূত্রঃ অনলাইন
ডেক্স)
বিনীত নিবেদক
মোঃ সাখাওয়াত হোসেন
প্রভাষক
ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ,
আগানগর ডিগ্রি কলেজ,
বরুড়া, কুমিল্লা।
ICT4E
District Ambassador at a2i (Cumilla District)
Best
Content Developer at a2i.
১৪
২৪ মন্তব্য