Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৭ জুলাই, ২০২৬ ০৮:২৩ অপরাহ্ণ

বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোহাম্মদ রুহুল আমিন


 অফিসের ধরণ নির্বাচন করুন  স্বায়ত্তশাসিত   মন্ত্রণালয়   মন্ত্রণালয় বিভাগ   অধিদপ্তর   কর্পোরেশন   কমিশন   কোম্পানি   কর্তৃপক্ষ/অথরিটি   এজেন্সী   ব্যাংক / বীমা / আর্থিক প্রতিষ্ঠান   বিভাগীয় পোর্টাল   জেলা পোর্টাল   পৌরসভা পোর্টাল   উপজেলা পোর্টাল   ইউনিয়ন পোর্টাল   রেজাল্ট   প্রকল্প   বিদেশী দূতাবাস/মিশন   জেলা পরিষদ পোর্টাল   সিটি কর্পোরেশন পোর্টাল   প্রশিক্ষণ   শিক্ষা প্রতিষ্ঠান   সরকারি মাঠ পর্যায়ের অফিস  
অফিস নির্বাচন করুনসশস্ত্র বাহিনী বিভাগমন্ত্রিপরিষদ বিভাগঅর্থ বিভাগ, অর্থ মন্ত্রণালয়স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ভূমি মন্ত্রণালয়কৃষি মন্ত্রণালয়পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়বাণিজ্য মন্ত্রণালয়সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়শিক্ষা মন্ত্রণালয়পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়খাদ্য মন্ত্রণালয়পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়শিল্প মন্ত্রণালয়তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়রেলপথ মন্ত্রণালয়ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়রাষ্ট্রপতির কার্যালয়প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
দেখুন
আপনার মতামত প্রদান করুন

কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বৃহস্পতিবার, ১ মে, ২০২৫ এ ০৬:০০ AM

বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোহাম্মদ রুহুল আমিন

কন্টেন্ট: পাতা

বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের জন্ম ১৯৩৫ সালের জুন মাসের কোনো এক বর্ষণমুখর রাতে নোয়াখালীর বাঘচাপড়া গ্রামে। পিতা মোহাম্মদ আজহার পাটোয়ারি ছিলেন মোটামুটি স্বচ্ছল গৃহস্থ এবং মাতা জোলেখা খাতুন ছিলেন গৃহিণী।

ছোটবেলায় তার পড়াশোনা শুরু হয় পাড়ার মক্তবে ধর্মীয় শিক্ষার মাধ্যমে, পরে বাঘচাপড়া প্রাইমারি স্কুলে। স্কুল পাশ করে ভর্তি হন আমিষা পাড়া হাইস্কুলে। এসময় তার পিতার আর্থিক স্বচ্ছলতা কমতে থাকে। রুহুল আমিনকে এবার জীবিকা নিয়ে ভাবতে হয়। হাইস্কুল পাশ করে ১৯৫৩ সালে তিনি নৌ বাহিনীতে জুনিয়ার মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে যোগ দেন এবং প্রাথমিক প্রশিক্ষণের জন্য গমন করেন করাচীর অদূরে মানোরা দ্বীপে পি. এন. এস. কারসাজ-এ (নৌ বাহিনীর কারিগরী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান)।

১৯৫৮ সালে তিনি সফলভাবে পেশাগত প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেন এবং ১৯৬৫ সালে মেকানিশিয়ান কোর্সের জন্য নির্বাচিত হন। সফলভাবে কোর্স সমাপনান্তে তিনি ইঞ্জিন রুম আর্টিফিশার পদে নিযুক্ত হন। ১৯৬৮ সালে তিনি পি. এন. এস. বখতিয়ার নৌ-ঘাটি, চট্টগ্রামে বদলি হন।

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি পরিবারের মায়া ছেড়ে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেবার সিদ্ধান্ত নেন এবং এপ্রিল মাসে ত্রিপুরা সীমান্ত অতিক্রম করে ২নং সেক্টরে যোগদান করেন। সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত তিনি বহু সম্মুখ যুদ্ধে অংশ নেন।

সেপ্টেম্বর ১৯৭১ এ বাংলাদেশ নৌ-বাহিনী গঠনের উদ্দেশ্যে সকল সেক্টর থেকে প্রাক্তন নৌসেনাদের আগরতলায় সংগঠিত করে নৌ বাহিনীর প্রাথমিক কাঠামো গঠন করা হয়। পরে তাদের কোলকাতায় আনা হয়। সেখানে সবার সাথে রুহুল আমিনও ছিলেন।

মন্তব্য করুন