প্রভাষক
২২ জুলাই, ২০২৬ ০৭:২৯ অপরাহ্ণ
লেখালেখিতে মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি
লেখালেখি মননশীলতাকে উজ্জীবিত করে তোলে। তাতে নিজের অনুভুতি, মূল্যবোধ আর বিশ্বাস সম্বন্ধে বাড়ে সচেতনতা ।
লেখালেখি করলেও উন্নত হয় মানসিক স্বাস্থ্য! শুনে অবাক লাগলেও- ঘটনা সত্যি। কারণ, লিখলে নিজের মনোযোগ অন্তর্মুখী হয়। লেখালেখি মননশীলতাকে উজ্জীবিত করে তোলে। তাতে নিজের অনুভুতি, মূল্যবোধ আর বিশ্বাস সম্বন্ধে বাড়ে সচেতনতা ।
আত্ম সচেতনতার রয়েছে অনেক গুলো মানসিক স্বাস্থ্য তরিকা। যা কারণে লেখালেখি করলে উজ্জীবিত হয় আত্ম বিশ্বাস। আপনার চিন্তাভাবনাও ভালো থাকে।
লেখালেখির ফলে অন্যকে গ্রহন করার সামর্থ্য বাড়ে। ভাল সিদ্ধান্ত নিতে হয় সহায়ক। লেখালেখির দরূণ সৃজনশীল হয়ে ওঠার পথ সুগম হবে। নিজের মেধা ও মননশীলতার বিকাশ ঘটে।
তবে নিজের আত্ম সচেতনতা বাড়াতে তিন রকমের লিখন শৈলী প্রয়োজন ।
১। বর্ণনা আর অভিব্যক্তি মুলক লেখা , কোন দুখ বা আঘাতের অভিজ্ঞতা বা কঠিন কোন অভিজ্ঞতার বর্ণনা । এতে বিষণ্ণতা , দুশ্চিন্তা , স্ট্রেস উপশম হয় । এমনকি উন্নত হয় স্মৃতি শক্তি ।
২। চিন্তাশীল লেখা। অতীত কোন ও অভিজ্ঞতার সুক্ষ্ম বিচার বিশ্লেষণ ধর্মী লেখা। এমন লেখা উন্নত করে আত্মসমালোচনা আর ব্যক্তিগত বিকাশ। সাহায্য করে শক্তিশালী সম্পর্ক নির্মাণে ।
৩। সৃজনশীল লেখা। নিজের ভাবনা চিন্তা , অনুভূতির আর বিশ্বাসে পুন: আবিষ্কার , গভীরে গিয়ে উপলব্বধি । জটিল ধারনা প্রকাশে সতর্ক শব্দ চয়ন আর দৃশ্যপট বর্ণনা , বাড়ায় আত্ম মর্যাদা আর আত্ম সচেতনতা ।
১৪
২৪ মন্তব্য