Loading..

ব্লগ

রিসেট

১১ আগস্ট, ২০২৬ ০৮:২৫ পূর্বাহ্ণ

খেলাধুলার সুযোগবঞ্চিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুরা
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত সংশ্লিষ্টরা বাংলাদেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক অবস্থা, শিক্ষকদের করুণ যন্ত্রণাময় জীবনযাপনের সঙ্গে উন্নত বিশ্বের ব্যবধান উপলব্ধিতে না নিয়ে শিশুদের খেলাধুলা, বিনোদনের অধিকার হরণসহ সরকারি প্রাথমিক শিক্ষা বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

#শিক্ষাবিদের কলাম #মতামত

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুরা খেলাধুলা ও বিনোদনের সময় থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছে। অথচ শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশে পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলার গুরুত্ব অপরিসীম। এ উপলব্ধিবোধ পরিবার, সমাজ, সচেতন নাগরিক, সুধীসমাজ, রাষ্ট্রের মাঝে বিদ্যমান। অথচ তাদের খেলাধুলার অধিকার হরণ করে প্রতারণা করে চলেছে।

Presidency University admission (300x250)
রাষ্ট্রের কর্তাব্যক্তিদের সন্তানদের খেলাধুলা ও বিনোদনের অধিকার হরণ করা হচ্ছে না। রাষ্ট্রের শিশুদের প্রতি এ বৈষম্য কোনো অবস্থায় কাম্য নয়।

সাধারণত নিম্ন, নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তানদের খেলাধুলা, বিনোদনের অধিকার হরণ করে চলেছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর সময়সূচি। উন্নত বিশ্বের কর্মঘণ্টার এক করার অভিপ্রায়ে কর্তাব্যক্তিরা এনজিও পরামর্শক্রমে সরকারি প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন। তারা উন্নত বিশ্বের কর্মঘণ্টার সঙ্গে আমাদের দেশের একই কর্মঘণ্টার ষড়যন্ত্রে বিভোর। তারা মনে করেন, এ একটি ষড়যন্ত্রই সরকারি প্রাথমিক শিক্ষা বিলীন করার জন্য যথেষ্ট। তারপর তারা নানা অপবাদ দিয়ে প্রাথমিক শিক্ষা বেসরকারীকরণ করে শিশু শিক্ষা নিয়ে এনজিওগুলো তাদের বাণিজ্য সমৃদ্ধ করতে পারবে।

মন্তব্য করুন

ব্লগ