Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৮ আগস্ট, ২০২৬ ১১:৫৭ পূর্বাহ্ণ

পিত্তনালিতে পাথরের চিকিৎসা কী

কোলেডোকোলিথিয়াসিস হলো সাধারণ পিত্তনালিতে পিত্তপাথরের উপস্থিতি। যা যকৃৎ ও পিত্তথলি থেকে ক্ষুদ্রান্ত্রে পিত্তরসের প্রবাহকে বাধাগ্রস্ত করে। এর ফলে তলপেটে তীব্র ব্যথা, বমি বমি ভাব ও জন্ডিস হয়। চিকিৎসা না করা হলে এটি থেকে প্রাণঘাতী সংক্রমণ (কোলাঞ্জাইটিস) ও অগ্ন্যাশয়ের প্রদাহ (প্যানক্রিয়াটাইটিস) হতে পারে।

লক্ষণ কী

যখন কোনো পাথর পিত্তনালিতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে, তখন সাধারণত নিম্নলিখিত লক্ষণগুলো দেখা যায়—

তলপেটের ওপরের ডান দিকে তীব্র, মোচড়ানো ব্যথা (পিত্তশূল)। জন্ডিস—ত্বক ও চোখের সাদা অংশ হলুদ হয়ে যাওয়া। বমি বমি ভাব ও বমি। জ্বর ও কাঁপুনি, যা সংক্রমণের প্রধান সতর্ক সংকেত। গাঢ় রঙের প্রস্রাব এবং ফ্যাকাশে, মাটির রঙের মল।

ঝুঁকি

ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে অতীতে পিত্তথলিতে পাথর হওয়ার ইতিহাস, স্থূলতা, দ্রুত ওজন হ্রাস এবং আগে পিত্তথলি অপসারণের অস্ত্রোপচার। বেশির ভাগ পাথর পিত্তথলিতে উৎপন্ন হয় এবং ধীরে ধীরে বিত্তশালী বা কমন বাইল ডাক্টে চলে আসে। কিছু ক্ষেত্রে, বাইল স্ট্যাসিস বা সংক্রমণের কারণে এগুলি সরাসরি পিত্তনালিতেই তৈরি হয়।

রোগনির্ণয়

রক্ত পরীক্ষা: বিশেষ করে লিভার ফাংশন টেস্ট এবং ইমেজিংয়ের সমন্বিত ব্যবহারের মাধ্যমে কোলেডোকোলিথিয়াসিস নির্ণয় করা হয়।

পেটের আলট্রাসাউন্ড: প্রসারিত নালি বা পাথর দেখার জন্য এটিই সবচেয়ে ব্যবহৃত ও প্রথম ইমেজিং পরীক্ষা।

এমআরসিপি: ম্যাগনেটিক রেজোন্যান্স কোলানজিওপ্যানক্রিয়াটোগ্রাফি একধরনের অত্যন্ত সংবেদনশীল এমআরআই। যা পিত্তনালির মানচিত্র তৈরি করে লুকানো পাথর খুঁজে বের করে।

এন্ডোস্কোপিক আলট্রাসাউন্ড: এটি এন্ডোস্কোপ ও আলট্রাসাউন্ডের সমন্বয়ে নালিগুলোর বিস্তারিত চিত্র ধারণ করে।

মন্তব্য করুন

ব্লগ