Loading..

ব্লগ

রিসেট

০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১০:১৮ পূর্বাহ্ণ

দুর্বল শিক্ষার্থী বলে কেউ নেই: প্রয়োজন শুধু সঠিক পদ্ধতি ও একটু বেশি যত্ন

দুর্বল শিক্ষার্থী বলে কেউ নেই: প্রয়োজন শুধু সঠিক পদ্ধতি ও একটু বেশি যত্ন

 

একটি শ্রেণিতে সাধারণত কিছু শিক্ষার্থী খুব দ্রুত শেখে। কিছু শিক্ষার্থী মাঝারি গতিতে শেখে। আবার কয়েকজন শিক্ষার্থী তুলনামূলকভাবে পিছিয়ে থাকে।আমরা অনেক সময় শেষের দলটিকে বলি“দুর্বল শিক্ষার্থী।”কিন্তু একজন শিক্ষক হিসেবে আমাদের একটু থেমে ভাবা দরকারসে কি সত্যিই দুর্বল, নাকি তার শেখার জন্য আমাদের পদ্ধতিটি যথেষ্ট উপযোগী হয়নি?প্রত্যেক শিক্ষার্থীর শেখার পথ এক নয়। একজন শিক্ষার্থী শুনে ভালো শেখে।কেউ ছবি দেখে।কেউ কাজ করতে করতে শেখে।

কেউ আবার বারবার অনুশীলনের মাধ্যমে বিষয়টি আয়ত্ত করে।তাই একই পদ্ধতিতে সবাইকে শেখানোর চেষ্টা সবসময় কার্যকর নাও হতে পারে।শিক্ষক কী করতে পারেন?

পিছিয়ে থাকা শিক্ষার্থীদের জন্য

 

- ছোট ছোট শেখার লক্ষ্য নির্ধারণ;

- সহজ উদাহরণ ব্যবহার;

- সহপাঠী সহায়তা;

- দলগত কাজ;

- পুনরাবৃত্তি;

- ব্যক্তিগত feedback;

- ছোট সফলতার জন্য প্রশংসা করা যেতে পারে।

“তুমি পারবে” শিক্ষকের এই কথাটি একটি ইতিবাচক বাক্য একজন শিক্ষার্থীর আত্মবিশ্বাস বদলে দিতে পারে।“তুমি পারবে না”শিক্ষার্থীকে থামিয়ে দেয়।“চেষ্টা করো, আমি তোমাকে সাহায্য করছি”শিক্ষার্থীকে আবার চেষ্টা করতে শেখায়।

 

উপসংহার

শিক্ষকের দায়িত্ব শুধু মেধাবী শিক্ষার্থীকে আরও ভালো করা নয়।শিক্ষকের সবচেয়ে বড় সাফল্য হতে পারেযে শিক্ষার্থী নিজেকে দুর্বল মনে করত, তাকে নিজের সক্ষমতার ওপর বিশ্বাস করতে শেখানো।তাই “দুর্বল শিক্ষার্থী” শব্দটির পরিবর্তে আমরা বলতে পারি“অতিরিক্ত সহায়তা প্রয়োজন এমন শিক্ষার্থী।”কারণ একটি শিশুর সম্ভাবনা তার বর্তমান ফলাফলের চেয়ে অনেক বড় হতে পারে।

 

মন্তব্য করুন