Loading..

ব্লগ

রিসেট

০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৩:০২ অপরাহ্ণ

দেশী ফল জাম্বুরার যতগুন

দেশী ফলের মধ্যে বর্তমান সময়ে জাম্বুরা সহজলভ্য। স্বাদে  কিছুটা টক-মিষ্টি সাইট্রাস ফল জাম্বুরা সবার পরিচিত এবং অত্যন্ত পুষ্টিগুণসম্পন্ন একটি ফল। অন্যান্য সাইট্রাস ফলের মতো জাম্বুরায় উচ্চ পরিমাণে ভিটামিন-সি এবং ভিটামিন-বি রয়েছে। এ ছাড়া, অন্যান্য পুষ্টি উপাদান তো রয়েছেই।


ফোলিক এডিসের উৎস: জাম্বুরা উচ্চ পরিমাণে বিটা ক্যারোটিন এবং ফোলিক এসিডের উৎস। আর এই দুটি উপাদানই অন্তঃসত্ত্বা মায়েদের জন্য উপকারী। সুতরাং, গর্ভস্থ শিশুর পুষ্টি নিশ্চিত করতে গর্ভকালীন সময়ে নিয়মিত জাম্বুরা খান। এ ছাড়া অন্যান্য পুষ্টি উপাদানে সমৃদ্ধ জাম্বুরায় রয়েছে ভিটামিন-এ, ভিটামিন-বি১, ভিটামিনবি-২, বায়োফ্লাভোনয়েডস, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, হেলদি ফ্যাট, প্রোটিন এবং এনজাইমস।


দাঁতকে শক্তিশালী করে: জাম্বুরায় থাকা ভিটামিন-সি দাঁতের ব্যথা দূর করতে এবং দাঁতের মাড়ি শক্তিশালী করতে সাহায্য করে।


প্রাকৃতিক রেমেডিস: জাম্বুরায় রয়েছে সাধারণ ঠান্ডা, জ্বর বা কাশি দূর করার প্রাকৃতিক রেমেডিস। জ্বর, কাশি বা ঠান্ডা হলেই যারা মুঠোভর্তি মেডিসিন খেয়ে অভ্যস্ত তারা জাম্বুরা খেলে খুব দ্রুত উপকার পাবেন।


হার্টকে সুস্থ রাখে: জাম্বুরায় রয়েছে উচ্চ পরিমাণে পটাশিয়াম, যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে এবং হার্টকে ভালো রাখতে জরুরি। এ ছাড়া, জাম্বুরায় উচ্চ পরিমাণে পেক্টিন রয়েছে, যা আর্টারিয়াল ডিপোজিট ক্লিয়ার করতে সাহায্য করে। ফলে হার্ট সুস্থ থাকে।


পেশির টান লাগা দূর করে: পানি পানের অভাব, ডিহাইড্রেশন এবং ইলেক্ট্রলাইটস ইম্ব্যালেন্সের কারণে আমাদের মাসেল ক্রাম্প হয়। আর যাদের প্রায় মাসেল ক্রাম্প অর্থাৎ পেশিতে টান লাগে, তারা নিয়মিত জাম্বুরা বা জাম্বুরার রস খেতে পারেন। জাম্বুরা বেশ ভালো পরিমাণে ইলেক্ট্রলাইটস এবং তরল সরবরাহ করতে পারে।


এনিমিয়া প্রতিরোধ করে: জাম্বুরায় থাকা ভিটামিন-সি আয়রন শোষণে সাহায্য করে, ফলে যারা এনিমিয়া বা রক্তস্বল্পতায় ভুগছেন তারা প্রতিদিন অন্তত এক কাপ জাম্বুরা খান।


ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে: যাদের দেহে উচ্চ পরিমাণে ইউরিক অ্যাসিড আছে তারা নিয়মিত জাম্বুরা খেলে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা স্বাভাবিক হতে সাহায্য করে।


বয়সের ছাপ দূর করে: নিয়ম করে প্রতিদিন এক গ্লাস জাম্বুরার জুস খেলে স্কিন এবং চুলের স্বাস্থ্য ভালো থাকে। জাম্বুরার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সেল ড্যামেজ প্রতিরোধ করে। ফলে বয়সের ছাপ দূর হয়। এ ছাড়া জাম্বুরায় চুল থাকে সুস্থ এবং সুন্দর।


ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়: জাম্বুরায় উচ্চ পরিমাণে বায়োফ্লাভোনয়েডস রয়েছে, যা ব্রেস্ট ক্যান্সার, কোলন ক্যান্সার এবং অগ্নাশয়ের ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। পাশাপাশি দেহের বিভিন্ন স্থানে ক্যান্সার ছড়িয়ে যাওয়া রোধ করে।


এলডিএল কমাতে সাহায্য করে : যাদের দেহে এল ডি এল বা ব্যাড কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেশি তাদের জন্য জাম্বুরা ভীষণ উপকারী। জাম্বুরায় থাকা ফাইবার কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। এ ছাড়া, এই ফাইবার ওজন কমাতে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতেও সমান উপকারী।


X

মন্তব্য করুন

ব্লগ