সহকারী শিক্ষক
০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:২১ পূর্বাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
ছবিতে যাকে দেখতে পাচ্ছেন, তিনি ছিলেন মিলিটারির হাবিলদার। ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে চাকরি করতেন। লোকটা মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেওয়ার অপরাধে রাজাকাররা তার স্ত্রীকে রেইপ করার হুমকি দিয়েছিল।
একদিন লোকটা বৌ ও সন্তানদের দেখার জন্য যুদ্ধের ময়দান থেকে রওনা দিল। এসে দেখলো তার বউ গলায় দড়ি দিয়েছে। সন্তানরা কেউ জীবিত নাই।
সেই যে লোকটা বাড়ি ছেড়ে গেল, আর বাড়ি ফিরলো দেশ স্বাধীন করে। এই লোকটা পাঁচ হাজার লোক নিয়ে মুক্তির এক ফৌজ বানিয়েছিলেন- বরিশাল, ঝালকাঠি, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, মাদারীপুর, শরিয়তপুর আর বাগেরহাটে এরা যুদ্ধ করে বেড়াতো।
একদিন যুদ্ধের মধ্যে রাজাকারদের একটা বুলেট এসে লোকটার গালের একপাশ দিয়ে ঢুকে অন্য পাশ দিয়ে বের হয়ে গিয়েছিল। আটটা দাত পড়ে গেল! দরদর করে রক্ত পড়ছিলো, তবু লোকটা যুদ্ধ থামায় নাই। ঐ যুদ্ধে পাকিস্তানি বাহিনিকে হারিয়ে তারপর সে ব্লিডিংয়ের কারণে বেহুশ হয়ে গিয়েছিলেন কিন্তু হারে নাই!
এই লোকটার নাম হেমায়েত উদ্দিন। বাংলাদেশের না খালি, গোটা মডার্ন মিলিটারি হিস্ট্রির অন্যতম গেরিলা লিজেন্ড। এই মাটিতে এইরকম আরও অনেক হেমায়েত উদ্দিন ঘুমায়। এই মাটি হেমায়েত উদ্দিনদের, কোনো রাজাকার পন্থীদের না...
১
১ মন্তব্য