Loading..

ব্লগ

রিসেট

১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৮:১৯ অপরাহ্ণ

Cyber Safety for Teacher

বর্তমান যুগ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির যুগ।দৈনন্দিন নিত্যনতুনভাবে প্রযুক্তির ব্যবহার করা হচ্ছে।সকালে ঘুম থেকে ওঠা থেকে শুরু করে রাতে ঘুমানো যাওয়া পর্যন্ত প্রতিটি পদক্ষেপে কোনো না কোনোভাবে প্রযুক্তি অন্তর্নিহিত থাকে।এই প্রযুক্তির দিনে সহজেই যেমন জটিল কিছুর সমাধান করা যায় তেমনি দিনদিন বেড়েই চলেছে এর অপব্যবহার। যা মানিকের জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছে।আমরা জানি প্রতিটি জিনিসের যেমন উপকার আছে তেমনি তার সাথে কিছু উপকারও নিহিত থাকে।তেমনি বর্তমান এই প্রযুক্তির যুগে দাঁড়িয়ে মানুষ বিভিন্নভাবে হয়রানির স্বীকার হচ্ছে।হারিয়ে ফেলছে মানসম্মান, অর্থ সম্পদ এমনকি নিজের জীবনও।তাই বর্তমান বিশ্বের এই প্রযুক্তির অপব্যবহার রুখতে আমাদের সাইবার ক্রাইম সম্পর্কে জানতে হবে এবং সেই সম্পর্কিত সর্তকতা অবলম্বন করতে হবে। 


সাইবার স্পেস,সাইবার ক্রাইম এবং সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ে অবগত করার জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতায় সম্পূর্ণ সেপ্টেম্বর মাস জুড়ে মাধ্যমিক শিক্ষকদের জন্য Cyber Safety For Teacher  অনলাইন কোর্সের আয়োজন করা হয়েছে।


শিক্ষক জানলে জানবে জাতি,তাতেই ঘুচবে ডিজিটাল দুর্গতি।


এই কোর্সের বিষয়বস্তু সমূহ নিম্নরূপ:

১. সাইবার স্পেস : ভার্চুয়াল জগতের সমস্ত প্লাটফর্মকেই সাইবার স্পেস বলা হয়।

২. সাইবার অপরাধ: প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে বিভিন্নধরনের অনৈতিক কার্যকলাপ সাইবার অপরাধের অন্তর্ভুক্ত। 


নিচে কিছু সাইবার অপরাধ উল্লেখ করা হলো-

a) হ্যাকিং- মোবাইলে OTP প্রেরণের মাধ্যমে অন্যের যাবতীয় তথ্য ও জমানো টাকা চুরি করা।

b)ডিসইনফরমেশন - ইচ্ছাকৃত ভুল তথ্য ছড়ানো।

c)মিসইনফরমেশন- অনিচ্ছায় ভুল তথ্য ছড়ানো।

d) ম্যালইফরমেশন- সত্যঘটনা ভুল তারিখ বা ভুল স্থান বা ভুল প্রতিষ্ঠানের নামে ছড়ানো।

e) ছবি বা ভিডিওর মাধ্যমে ব্লাকমিল করে উচ্চমূল্যের পণ দাবী।

f)ব্যাংক, মোবাইল ব্যাংকিং, কুইজ,লটারি জেতা ইত্যাদির নাম করে বড় অঙ্কের এমাউন্ট দাবী করা।

g)সাইবার বুলিংবডি শেমিং সহ নানা রকমভাবে সাইবার ক্রাইম বিস্তৃত লাভ করছে।


৩.সাইবার নিরাপত্তা : যাবতীয় সাইবার অপরাধের মোকাবিলায় করণীয় বিষয়বস্তুই সাইবার নিরাপত্তার আলোচিত বিষয়। নিচে সাইবার নিরাপত্তায় করণীয় বিষয়গুলো উল্লেখ করা হলো-

a)সকল সোসাল মিডিয়ার প্রোফাইল সিকিউর করা

b)2 ফ্যাক্টর চালু করা।

c)অপরিচিত ফোন এলে ধৈর্য ধরে প্রধান শাখায় যোগাযোগ করে সঠিক তথ্য নেয়া।

d)কোনো কিছুর তথ্যসূত্র না জেনে তা শেয়ার দেয়া থেকে বিরত থাকা। 

e) অনলাইন সেবার জন্য ১০৯ এ কল করা।

f) পুলিশি সহায়তার জন্য ৯৯৯ এ কল কর।

g)অনলাইন পুলিশ সেবা PCSW এর মাধ্যমে অনলাইন জিডি করা।

উপরোক্ত বিষয়গুলো অবলম্বন করে সাইবার ক্রাইম থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে বলে আশা করা যায়। 

পরিশেষে বলতে চাই কাউকে সাইবার এট্যাক করবো না, সাইবার নিরাপত্তা আইন মেনে চলবো এবং নিজের আশেপাশে থাকা সকলে সাইবার অপরাধ ও সাইবার নিরাপত্তা সম্পর্কে অবগত করবো।

ধন্যবাদ।


উর্মিলা রায় চৌধুরী 

সহকারী শিক্ষক 

রাজারচর উচ্চ বিদ্যালয়

শিবচর,মাদারীপুর। 


 

মন্তব্য করুন