সহকারী শিক্ষক
১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৮:৪৫ অপরাহ্ণ
প্রান্তিক পর্যায়ের স্কুলে শিখন ঘাটতি কেন?
প্রান্তিক পর্যায়ের স্কুল গুলোতে শিখন ঘাটতির অন্যতম কারণ হচ্ছে শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে নিয়মিত উপস্থিত না থাকা এবং অভিভাবকদের অসচেতনতা।
একজন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের SMC সভাপতি হিসেবে
বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম ও শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি যে বিষয়টি ভাবিয়ে তুলছে, তা হলো—অনিয়মিত উপস্থিতি ও অভিভাবকদের অসচেতনতার কারণে অনেক শিক্ষার্থীর মৌলিক শিখন দক্ষতায় উল্লেখযোগ্য ঘাটতি তৈরি হচ্ছে।
অনেক শিক্ষার্থী বাংলা লেখা দেখে পড়তে পারে না, ইংরেজি পড়তে পারে না এবং মৌলিক যোগ-বিয়োগেও দুর্বল। প্রাথমিক স্তরে তৈরি হওয়া এই শিখন ঘাটতি ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবনে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।
আমাদের শিক্ষকরা সীমাবদ্ধতার মধ্যেও অত্যন্ত আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে পাঠদান করছেন এবং দুর্বল শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নিতে নিরলস চেষ্টা করে যাচ্ছেন। কিন্তু শুধু শিক্ষকের প্রচেষ্টায় এ সমস্যা সমাধান সম্ভব নয়।
দুঃখজনকভাবে, অনেক অভিভাবক সন্তানের নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিতি, বাড়ির পড়াশোনা ও শিখন অগ্রগতির বিষয়ে যথেষ্ট সচেতন নন। প্রধান শিক্ষক জানান অভিভাবক সমাবেশে অভিভাবকদের উপস্থিত করানো যায় না।সন্তানকে শুধু বিদ্যালয়ে ভর্তি করানোই যথেষ্ট নয়; তাকে নিয়মিত বিদ্যালয়ে পাঠানো, বাড়িতে পড়তে বসানো এবং তার শেখার অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজ নেওয়াও অভিভাবকের দায়িত্ব।
শিক্ষক চেষ্টা করবেন, বিদ্যালয় সহযোগিতা করবে—কিন্তু সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য অভিভাবকের সচেতনতা ও দায়িত্বশীল অংশগ্রহণ অবশ্যই প্রয়োজন।
___সেলিম উল্লাহ
সহকারী শিক্ষক( ইংরেজি)
লম্বরী মলকা বানু উচ্চ বিদ্যালয়।
সভাপতি (এসএমসি)
লম্বরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
১৪
২৪ মন্তব্য