সহকারী শিক্ষক
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৭:৩০ পূর্বাহ্ণ
‘বিভিন্ন ক্লাসের পরীক্ষা বিবেচনায় ভোটের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে’

প্রাথমিকভাবে বিভিন্ন বাৎসরিক ইন্টারভেনশন ও পরীক্ষা বিবেচনায় রেখে নির্বাচনে ভোটের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, টেস্ট পরীক্ষা, বাৎসরিক পরীক্ষা, জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা, এসএসসি পরীক্ষা, এইচএসসি পরীক্ষা, দুর্গাপূজা, রোজার ঈদ এবং সবশেষে হচ্ছে ঈদুল আজহা-এই সবগুলো বিবেচনায় নিয়ে যে স্লটগুলো পেয়েছি সেখান থেকে আমরা আশা করছি যে সাতটা ধাপে আমরা এই নির্বাচন সম্পন্ন করতে পারবো।
সোমবার নির্বাচন ভবনে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন নিয়ে কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরে এ তথ্য দেন নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
তিনি এ সময় আরো বলেন, আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি- নিবন্ধিত সব রাজনৈতিক দলের সাথে আলোচনা করব এবং এই আলোচনাটা তিন ধাপে সম্পন্ন করব বলে আশা করছি।
আগামী ২৩, ২৪ ও ২৫ সেপ্টেম্বর (মঙ্গল, বুধ এবং বৃহস্পতিবার) রেজিস্ট্রেশন সিকোয়েন্স অনুযায়ী রাজনৈতিক দলগুলোকে ইনভাইট করব। প্রায় এক দশক পর এবার নির্দলীয়ভাবে ভোট হবে স্থানীয় সরকারে।
সম্ভব হলে পাঁচটা ধাপের মধ্যেই নির্বাচন উপযোগী সিংহভাগ ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন করে ফেলার পরিকল্পনার কথা বলেছেন তিনি।
তারপরে শেষের দুটো ধাপে (ষষ্ঠ ও সপ্তম) বাকি ইউনিয়ন পরিষদগুলো এবং কোনো কারণে আটকে থাকা ইউনিয়ন পরিষদগুলোর নির্বাচন করা হবে, বলেন এ নির্বাচন কমিশনার।
তিনি জানান, এ মুহূর্তে আইনি জটিলতার মধ্যে রয়েছে ৫৬টি ইউনিয়ন পরিষদ। সেগুলোতে নির্বাচন শেষের ধাপগুলোতে করা হবে।
৬৪ জেলায় ইউপি ভোটের সম্ভাব্য সময়: প্রথম ধাপ ১২ নভেম্বর, প্রায় ৮০টি উপজেলার সব ইউনিয়ন পরিষদ। ১৩ ডিসেম্বর দ্বিতীয় ধাপের ভোট। তৃতীয় ধাপের ভোট ৩০ ডিসেম্বর। আগামী বছর ১৭ জানুয়ারি চতুর্থ ধাপ। পঞ্চম ধাপের ভোট আগামী বছর ৪ ফেব্রুয়ারি। আগামী বছর ২২ ফেব্রুয়ারি ষষ্ঠ ধাপের নির্বাচন। সপ্তম ও শেষ ধাপের ভোট আগামী বছর ২৭ মে।
প্রথমধাপে কোন কোন ইউনিয়ন পরিষদে ভোট হবে, তা আরও আলোচনা করে কমিশন সুনির্দিষ্ট করে পরে জানাবে।
নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ বলেন, প্রথম ধাপে কোন ইউনিয়নে, সেগুলো আরো পরে ওয়ার্কআউট করা হবে। রাফলি যে গাইডলাইন দেওয়া হয়েছে আজকে কমিশন থেকে- প্রথম ধাপে আনুমানিক ৮০টা উপজেলার সকল ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন করতে পারব। প্রাইমারি ক্রাইটেরিয়া হচ্ছে-যেসব ইউনিয়ন ম্যাচিউর হয়ে গেছে সেগুলোকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রথম দিকের ধাপে শেষ করা।
নির্বাচন কমিশনার ৬৪ জেলায় একসঙ্গে এ স্থানীয় সরকারের ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনটা শুরু করার পরিকল্পনা নিয়েছে, বলেন তিনি।
এ নির্বাচন কমিশনার বলেন, শুধুমাত্র এ ক্ষেত্রে প্রথম ধাপে ঠাকুরগাঁও বাদ থাকবে। কারণ ঠাকুরগাঁও-১ আসনে উপনির্বাচন হচ্ছে। আমরা চাই না দুটো নির্বাচনের প্রচার একসঙ্গে শুরু হোক। এ জেলা দ্বিতীয় ধাপে হবে। সদর উপজেলাগুলো প্রথম ধাপে থাকবে।
তিনি বলেন, নির্বাচন ব্যবস্থাপনা সহজ করতে আন্তঃজেলা, ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা ও আইন শৃঙ্খলার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে কাজ করবে কমিশন। আগামী সপ্তাহে ২১ সেপ্টেম্বর আইনশৃঙ্খলা বৈঠকও হবে।
নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ বলেন, আনুমানিক ৮০টা উপজেলার সব ইউনিয়নের নির্বাচন দিয়ে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন শুরু হবে। আমরা ইন্টার ডিপার্টমেন্টাল একটা মিটিং কল করেছি। সকল মন্ত্রণালয় এবং বিভাগ এখানে উপস্থিত থাকবেন। আইনশৃঙ্খলার বৈঠকটা হবে ২১ সেপ্টেম্বর।


৭
৭ মন্তব্য