Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৯:৫০ পূর্বাহ্ণ

জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার মধ্যেই ইউপি ভোট, শিক্ষক-অভিভাবকদের উদ্বেগ

চলতি বছরের জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা আগামী ৮ ডিসেম্বর শুরু হয়ে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে। এর মধ্যেই ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপের ভোট ১৩ ডিসেম্বর আয়োজনের সম্ভাব্য তারিখ জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ফলে একই দিনে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা ও স্থানীয় সরকারের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে তা নিয়ে শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। দ্বিতীয় ধাপে ভোট অনুষ্ঠিত হওয়া উপজেলাগুলোতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের নানা জটিলতায় পড়তে হতে পারে বলে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

সোমবার একাধিক শিক্ষক ও অভিভাবক দৈনিক শিক্ষাডটকমকে এ উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন।

AIUB (300x250) 25-08-26

তারা বলেন, দেশের বিভিন্ন উপজেলায় পরীক্ষা কেন্দ্র ও ভোটকেন্দ্র একই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হওয়ায় জটিলতা তৈরি হতে পারে। তাই জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার মধ্যে ইউপি ভোট দেওয়া উচিত নয়। ভোটের তারিখ পরিবর্তনের দাবি জানান তারা।

বরিশালের একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক দৈনিক শিক্ষাডটকমকে বলেন, ‘আমাদের উপজেলায় দুটি পরীক্ষা কেন্দ্র রয়েছে। এই কেন্দ্রগুলোই ভোটকেন্দ্র হিসেবেও ব্যবহার করা হয়। বৃত্তি পরীক্ষা একটি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে। একই দিনে ভোট হলে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের যাতায়াত এবং নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হবে। তাই ভোটের তারিখ পরিবর্তন করা দরকার।’

জানা গেছে, জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার সূচি অনুযায়ী, ৮ ডিসেম্বর বাংলা, ১০ ডিসেম্বর ইংরেজি, ১৩ ডিসেম্বর গণিত এবং ১৫ ডিসেম্বর বিজ্ঞান ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত পরীক্ষা চলবে।

অন্যদিকে, সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) নির্বাচন ভবনে ইউপি নির্বাচন নিয়ে কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, বিভিন্ন পরীক্ষা ও জাতীয় কর্মসূচির বিষয় বিবেচনায় নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সময়সূচির সম্ভাব্য স্লট নির্ধারণ করা হয়েছে।

Presidency University admission (300x250) 20-08-26

তবে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এখনো ১৩ ডিসেম্বরের সম্ভাব্য ভোটের তারিখ চূড়ান্ত ঘোষণা করা হয়নি। প্রথম ধাপে কোন কোন ইউনিয়ন পরিষদে ভোট হবে, সেটিও পরবর্তী সময়ে নির্দিষ্ট করে জানানো হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার।

ফলে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ১৩ ডিসেম্বরের গণিত পরীক্ষা এবং একই দিনে সম্ভাব্য ইউপি ভোটের বিষয়টি শেষ পর্যন্ত কীভাবে সমন্বয় করা হয়, তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

নির্বাচন কমিশনার বলেন, টেস্ট পরীক্ষা, বার্ষিক পরীক্ষা, জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা, দুর্গাপূজা, রোজার ঈদ এবং ঈদুল আজহার সময় বিবেচনায় নিয়ে সাত ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সম্পন্ন করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। তবে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার বিষয়টি কমিশনের বিবেচনায় নেই বলে মনে করছেন শিক্ষক-অভিভাবকরা।

কমিশনের সম্ভাব্য সময়সূচি অনুযায়ী, প্রথম ধাপের ভোট ১২ নভেম্বর, দ্বিতীয় ধাপের ভোট ১৩ ডিসেম্বর এবং তৃতীয় ধাপের ভোট ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হতে পারে। এরপর চতুর্থ ধাপ ১৭ জানুয়ারি, পঞ্চম ধাপ ৪ ফেব্রুয়ারি, ষষ্ঠ ধাপ ২২ ফেব্রুয়ারি এবং সপ্তম ও শেষ ধাপের ভোট ২৭ মে আয়োজনের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

ব্লগ