Loading..

ব্লগ

রিসেট

২১ অক্টোবর, ২০২৬ ০৭:৪৫ অপরাহ্ণ

শিক্ষার্থীদের বৃত্তির টাকা পেতে ব্যাংক হিসাব সচল রাখার নির্দেশ, দায়িত্বে থাকবেন দুই শিক্ষক

শিক্ষার্থীদের বৃত্তির টাকা পেতে ব্যাংক হিসাব সচল রাখার নির্দেশ, দায়িত্বে থাকবেন দুই শিক্ষক

২০২৬-২৭ অর্থবছরে বিভিন্ন শ্রেণির মেধা ও সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্ত যে শিক্ষার্থীরা সাধারণ শিক্ষায় অধ্যয়নরত তাদের ইএফটি’র মাধ্যমে বৃত্তির টাকা পেতে তথ্য এন্ট্রি ও সংশোধন করতে বলা হয়েছে। বৃত্তির টাকা পেতে শিক্ষার্থীদের ব্যাংক হিসাব সচল রাখা এবং তথ্য নির্ভুলভাবে এন্ট্রি নিশ্চিত করতে হবে। এ জন্য বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ব্যাংক স্টেটমেন্ট, রাউটিং নম্বরসহ প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই করতে হবে। পাশাপাশি সফটওয়্যারে শিক্ষার্থীদের তথ্যের সঠিকতা নিশ্চিত করতে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দুজন শিক্ষককে দায়িত্ব দিতে হবে।

সম্প্রতি মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়। এ চিঠি সংশ্লিষ্টদের পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে শিক্ষার্থীদের জন্য জরুরি নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বৃত্তির তথ্য নির্ভুলভাবে এন্ট্রির জন্য জেএসসি, এসএসসি, ও এইচএসসি শিক্ষার্থীর বৃত্তির গেজেট ও রেজিস্ট্রেশন কার্ড এবং পিইসির ক্ষেত্রে প্রবেশপত্র এর ফটোকপি শিক্ষার্থী থেকে গ্রহণ করা যেতে পারে। ব্যাংক তথ্য নির্ভুলভাবে এন্ট্রির জন্য বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীর ব্যাংক স্টেটমেন্ট (রাউটিং নম্বরসহ) অথবা এমআইসিআর চেক বইয়ের ফটোকপি শিক্ষার্থী থেকে গ্রহণ করা যেতে পারে এবং ব্যাংক হিসাব সচল রাখতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাকের তফসিলভুক্ত অনলাইন ব্যাংক ছাড়া অন্য কোন মাধ্যমে বৃত্তির টাকা পাঠানো হয় না। ১ জন শিক্ষার্থীর একটি বৃত্তির ১টি এন্ট্রি থাকবে। ১ জন শিক্ষার্থী যদি এসএসসি বৃত্তিপ্রাপ্ত হয় তাহলে এসএসসির শুধু ১টি এন্ট্রি থাকবে। যদি সে এইচএসসিতেও বৃত্তি পেয়ে থাকে তাহলে তার এইচএসসির জন্য আলাদা ১টি এন্ট্রি থাকবে। প্রয়োজনে এন্ট্রিকৃত তথ্য সংশোধন করা যাবে কিন্তু একই বৃত্তির বিপরীতে একাধিক এন্ট্রি করা যাবে না।

এতে আরো বলা হয়, শিক্ষার্থীর ব্যাংকে পাঠানো টাকা রিটার্ন বা বাউন্স হলে তাদের ব্যাংকের চেক বই, ব্যাংক স্টেটমেন্টের তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে এমআইএস সফটওয়্যার তথ্য সংশোধন করতে হবে। এছাড়া ব্যাংক অ্যাকাউন্ট সচল (অ্যাক্টিভ) রাখতে হবে। তথ্য সঠিক থাকলে কোন সংশোধন করতে হবে না। শুধু তথ্য যাচাই করে সংরক্ষণ করতে হবে।

ব্যাংক হিসাব সচল রাখার জন্য প্রতি ৩ মাস অন্তর ব্যাংকে লেনদেন চালু রাখা প্রয়োজন। অ্যাক্টিভ শিক্ষার্থীর তথ্যের সঠিকতা নিশ্চিতের জন্য অবশ্যই দুই জন শিক্ষককে দায়িত্ব দিতে হবে (মাউশি জারিকৃত চিঠির নির্দেশনা অনুসরণীয়), তথ্য পাঠানোর ক্ষেত্রে ভুল বা অনিয়ম পরিলক্ষিত হলে প্রতিষ্ঠান প্রধান-দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দায়ী থাকবেন, বৃত্তির সফটওয়্যারের ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ডের জন্য মাউশি অধিদপ্তর বা অন্য কোন দপ্তর থেকে কোন প্রতিষ্ঠানে ফোন দেয়া হয় না। এক্ষেত্রে পাসওয়ার্ড সংরক্ষণের জন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে অনুরোধ করা হলো।

চিঠিতে শিক্ষার্থীদের সতর্ক করে বলা হয়, বৃত্তির পেমেন্ট সংক্রান্ত কোনো বিষয়ে মাউশি অধিদপ্তর বা অন্য কোন দপ্তর থেকে প্রতিষ্ঠান, শিক্ষক, অভিভাবক বা শিক্ষার্থীর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হয় না। রাজস্ব খাতভুক্ত বিভিন্ন ধরণের উপবৃত্তির এন্ট্রির নির্দেশনা পরবর্তীতে নোটিশের মাধ্যমে জানানো হবে। (Collected)

মন্তব্য করুন