Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১০:১৫ অপরাহ্ণ

সাপের বিষ নিষ্ক্রীয়তায় উট পালন সংক্রান্ত : মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ, প্রধান শিক্ষক, ডাবুয়া তারাচরণ শ্যামাচরণ উচ্চ বিদ্যালয়, রাউজান, চট্টগ্রাম।

সাপের বিষ নিষ্ক্রীয় করতে উট ইতিহাস:

বিজ্ঞানীরা উটের চোখের পানিতে অত্যন্ত শক্তিশালী এক ধরনের ন্যানো-অ্যান্টিবডি আবিষ্কার করেছেন, যা দুই ডজনেরও বেশি মারাত্মক সাপের বিষ নিষ্ক্রিয় করতে সক্ষম।

​

 উট এবং অন্যান্য উটজাতীয় প্রাণীদের শরীরে প্রাকৃতিকভাবে উৎপন্ন এই ক্ষুদ্র অ্যান্টিবডিগুলো মানব অ্যান্টিবডির চেয়ে অনেক ছোট ও বেশি স্থিতিশীল।

​তাদের অনন্য গঠনের কারণে তারা বিষের সাথে শক্তভাবে যুক্ত হতে পারে এবং ঐতিহ্যবাহী অ্যান্টিভেনমের চেয়ে দ্রুত সেগুলোকে নিষ্ক্রিয় করতে পারে।

​এশিয়া, আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের গ্রামীণ অঞ্চলে সাপের কামড়ে মৃত্যু একটি বড় বৈশ্বিক স্বাস্থ্য সমস্যা, যা এই আবিষ্কারের মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব।

​ঐতিহ্যবাহী অ্যান্টিভেনম ব্যয়বহুল, সংরক্ষণ করা কঠিন এবং প্রতিটি নির্দিষ্ট সাপের প্রজাতির জন্য আলাদা হতে হয়, কিন্তু উট থেকে প্রাপ্ত এই ন্যানো-অ্যান্টিবডি সাশ্রয়ী, নিরাপদ এবং একাধিক বিষের বিরুদ্ধে কার্যকর একটি সার্বজনীন অ্যান্টিভেনম তৈরি করতে পারে।

​গবেষকদের বিশ্বাস, এই আবিষ্কার সাপের কামড়ের জরুরি চিকিৎসায় বিপ্লব ঘটাতে পারে এবং চিকিৎসাসামগ্রী সীমিত এমন অঞ্চলেও দ্রুত জীবন রক্ষাকারী সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পারে।

সুতরাং বাংলাদেশের মতো সাপপ্রবণ দেশে উট প্রাণিটির লালন পালন খুবই প্রয়োজন।

মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ, প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত), ডাবুয়া তারাচরণ শ্যামাচরণ উচ্চ বিদ্যালয়, রাউজান, চট্টগ্রাম।

মন্তব্য করুন