শিক্ষায় অগ্রযাত্রা

অবরুদ্ধতার বেড়াজালে শিক্ষার্থীরা

ফয়সল আহমদ ২৪ সেপ্টেম্বর,২০২১ ২৩ বার দেখা হয়েছে লাইক কমেন্ট ৫.০০ রেটিং ( )

পৃথিবীজুড়ে বয়ে যাওয়া আতঙ্কের নাম করোনা। এই করোনা নামক ভাইরাস পুরো পৃথিবীকে স্তব্ধ করে দিয়েছে। মানব জাতির জীবনযাত্রা পুরোপুরি থমকে গেছে এই ভাইরাসের কারণে। বাংলাদেশ ও তার ব্যতিক্রম ছিল না। বাংলাদেশেরও এমন কোনো খাত পাওয়া যাবে না যা করোনাকালে ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। বাংলাদেশে করোনাকালে অন্যান্য খাতের মতো শিক্ষা খাতও ভয়াবহভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একটি ধ্রুব সত্য হচ্ছে, শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড। শিক্ষা ছাড়া কোনো জাতি উন্নতি লাভ করতে পারেনি, এমনকি ভবিষ্যতেও পারবে না। যে জাতি যত বেশি শিক্ষিত সেই জাতি তত বেশি উন্নত। কিন্তু শিক্ষা তখনই যোগ্যতাসম্পন্ন নাগরিক তৈরি করতে সমর্থ হবে যখন সেই শিক্ষা হবে উন্নত মানসম্পন্ন। আর এই উপযুক্ত ও মানসম্পন্ন শিক্ষা প্রদানের জন্য প্রয়োজন মানসম্পন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। তাই এই কথা অবধারিত সত্য যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান একটি মানুষের জীবনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। করোনা এক অদৃশ্য মহামারি।

এ থেকে উত্তেরণই আমাদের একমাত্র লক্ষ্য। সরকার এ পরিস্থিতি মানুষের পাশে থাকর সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। লকডাউনে শিশুসহ প্রতিটি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাদের স্বাভাবিক জীবনে বড় ধরনের ছন্দপতন ঘটেছে। এ পরিস্থিতিতে শিশুদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশের জন্য খেলাধুলা ও বন্ধুদের সঙ্গে মেলামেশা দরকার। কিশোরদের মিথস্ক্রিয়া থাকে সমবয়সীদের সঙ্গে। এখানে তারা বাধার শিকার হলে তাদের মানসিক বৃদ্ধি হয় না। মানসিক বাধার কারণে তারা ভয়ে থাকে, মেজাজ খিটখিটে থাকে। তাদের সঙ্গ দিতে হবে। সব ধরনের সহায়তা করতে হবে। করোনা হয়তো একদিন শেষ হবে, তবে এর প্রভাব থাকবে অনেক দিন, বিশেষ করে শিশু-কিশোরদের জীবন থেকে যে দিনগুলো হারিয়ে গেল, সেগুলো ফিরিয়ে দেয়া সম্ভব নয়।

তারপরও সরকার জীবন-জীবিকার গতি ফিরে আনতে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এর প্রভাব শিশুদের ওপর সবচেয়ে বেশি। শিশুরা বদ্ধ ঘরে থাকতে চায় না। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় তারা হাঁপিয়ে উঠেছে। দীর্ঘদিন স্কুল বন্ধ থাকায় ঘরে বসে থাকতে থাকতে মেজাজ খিটখিটে হয়ে পড়ছে অনেক শিক্ষার্থীর। তারা এখন স্কুলে ফিরতে চায়। কিশোর-কিশোরীদের এ সংকট থেকে উত্তরণে নীতিনির্ধারকদের এমন কিছু পলিসি গ্রহণ করা প্রয়োজন, যা শিক্ষার্থীদের মানসিক প্রশান্তি ও উৎসাহ জোগাতে পারে। মেয়ে শিক্ষার্থী বিশেষ করে দরিদ্র শিক্ষার্থীর ওপর নেতিবাচক প্রভাব সবচেয়ে বেশি।

অর্থনীতির চাকা দুর্বিপাকে পড়া থেকে শুরু করে ভবিষ্যৎ নাগরিক গড়ার মূল কার্যক্রম শিক্ষাব্যবস্থাও অবরুদ্ধতার কঠিন বেড়াজালে। কলকাকলিতে মুখরিত প্রাতিষ্ঠানিক পাঠক্রমও অনিশ্চয়তার কবলে। সেই ৮ মার্চ ২০২০ সালে দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হলে ১৭ মার্চ থেকে সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হয়। চলমান অদ্যাবধি। ফলে, ঘরে বসে অলস অবসর সময় কাটানো শিক্ষার্থীদের ক্রমান্বয়ে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রমে যুক্ত করা হলেও তা কতখানি ফলপ্রসূ হয়েছে তা নিয়ে হরেক রকম প্রশ্নের অবতারণা এখনো চলছে।

সরাসরি জরিপে বেরিয়ে এসেছে যে, প্রযুক্তির বলয়ে শিক্ষা কার্যক্রম কোনোভাবেই সর্বজনীন হয়নি। সারাদেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা সব শিক্ষার্থী তথ্যপ্রযুক্তির আধুনিক আঙ্গিনায় প্রবেশ করতেও হিমশিম খেয়েছে ও খাচ্ছে। যাদের কাছে তথ্যপ্রযুক্তির সরবরাহ অপর্যাপ্ত তারা অনলাইনের শ্রেণিপাঠে সম্পৃক্ত হতে পারেনি। প্রতিদিনের নিয়মমাফিক শৃঙ্খলিত কার্যক্রমে শিক্ষাঙ্গনে যাওয়ার প্রচলিত ধারার বিচ্যুতিতে উদীয়মান দেশের ভাবী নাগরিকদের কী মাত্রায় ক্ষতির আবর্তে পড়তে হচ্ছে তেমন গবেষণা প্রতিবেদনও উঠে আসতে সময় লাগছে না। নতুন এক জরিপে দৃশ্যমান হয় মানসিক বিপন্নতায় ভুগছে ৬১% শিক্ষার্থী, যারা প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম থেকে ছিটকে পড়ে।

এটা শুধু মনোবৃত্তির বৈকল্যই নয়, সুস্থতার নিরিখেও অশনি সঙ্কেত। মানসিক অস্থিরতায় চারপাশের পরিবেশ যখন প্রতিকূলে চলে যায়, তেমন দুঃসময়ে উদীয়মান খুদে ও তরুণ প্রজন্মকে বিকাশমান ধারা থেকে বিচ্যুত করে বিষণœতার প্রকোপ চরমভাবে আক্রান্ত করছে। করোনায় যে বহুমাত্রিক সমস্যা কর্মজীবী নি¤œ ও মধ্যম আয়ের মানুষদের রুজি-রোজগারের ওপর আঘাত হেনেছে, তাতে তাদের স্কুল-কলেজপড়–য়া সন্তানদের ওপরও চরম বিপর্যয় নেমে আসায় সৃষ্টি করেছে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া, মানসিক বিপন্নতা ছাড়াও আত্মহত্যার প্রবণতা বেড়ে যাওয়াও বর্তমান সময়ের এক বিপজ্জনক ক্রান্তিকাল।

২০২০ সালের ৮ মার্চ থেকে ২০২১ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৪৩৬ ছাত্রছাত্রী আত্মহত্যায় সমর্পিত হয়েছে। বাসায় বসে অভিভাবকের বকা-ঝকা শোনা থেকে শুরু করে অটোপ্রমোশনে নিজের আস্থা হারানো ছাড়াও অনলাইনভিত্তিক শিক্ষা পাঠক্রমে সংযুক্ত হতে ব্যর্থ হওয়ায় জীবনের প্রতি বিতৃষ্ণা জন্মেছে। অনেকের অর্ধেকেরও বেশি শিক্ষার্থী এই মুহূর্তে চরম মানসিক অসুস্থতায় ভুগছে। সুতরাং তাদের মানসিক চাপ কমানোর জন্য সংশ্লিষ্ট বাবা-মা এবং অভিভাবকদেরই নতুন করে ভাবতে হবে। এমন করে লাগাতার প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার বিচ্যুতি আগে কখনো ঘটেনি। সংবেদনশীল হয়ে স্পর্শকাতর এই মানসিক বিপর্যয়কে আরো সহনশীল, সচেতন দায়িত্ববোধ আর পরিস্থিতির আলোকেই বিবেচনায় আনা সঙ্গত।

জাতির ভবিষ্যৎ বলে বিবেচিত নতুন ও আধুনিক কারিগরদের কোনোভাবেই মানসিক বৈকল্যের আবর্তে চলে যেতে দেয়া যাবে না। তবে নানা প্রতিবন্ধকতা এবং প্রযুক্তিগত সুবিধার অভাবে পড়ালেখা করতে পারেনি বিভিন্ন জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা। বাড়িতে টেলিভিশন থাকলেও সংসদ টিভিতে প্রচারিত পড়ালেখার ক্লাসগুলো নিয়মিত দেখার সুযোগ হয়ে ওঠে না অনেক শিক্ষার্থীর। কখনো বিদ্যুৎ সমস্যা, কখনো ক্লাস রুটিন না পাওয়া, আবার কখনো বাড়ির অন্য সদস্যদের সঙ্গে ভাগাভাগি করে দেখতে হয় টেলিভিশন।

এমনকি শহরের শিশু-কিশোর ছাড়া গ্রামাঞ্চলের সব শিশু-কিশোরের প্রযুক্তিগত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা প্রায় একই। কারো অভিযোগ, টেলিভিশন ক্লাসে যা দেখানো হয় সেটা পরিপূর্ণ নয়। সেখানে সবকিছু বিস্তারিত দেখানো হয় না। শিক্ষকদের কাছে কোনো বিষয়ে জানতে চাওয়ারও উপায় নেই। ক্লাসে যখন শিক্ষক সরাসরি পড়াতেন সেটা বুঝে নিতে অনেক সহজ হতো। এ কারণে লেখাপড়ার প্রতি ধীরে ধীরে আগ্রহ কমে যাচ্ছে অনেক শিক্ষার্থীর। কোভিড-১৯ -এর প্রভাবে বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে কর্মসংস্থানে এবং শিক্ষাব্যবস্থায়। বহু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে, বিশেষ করে কিন্ডারগার্টেন স্কুল এবং বেসরকারি স্কুলগুলোর অবস্থা ভয়াবহ। বিশ্বব্যাংকের জরিপে দেখা গেছে, বহু মানুষ স্থায়ী ও সাময়িকভাবে চাকরি হারিয়েছে। ৮৩ শতাংশ খানা (হাউজহোল্ড) জানিয়েছে, করোনায় কোনো না কোনোভাবেই তাদের আয় কমে গেছে। ৬৫ শতাংশ পরিবার জানিয়েছে, করোনার মধ্যে তারা পরিবারের মৌলিক চাহিদা পূরণ করতে ব্যর্থ হচ্ছে। প্রয়োজনীয় খাদ্য কিনতে সক্ষম ৫৮ শতাংশ পরিবার। জরিপের তথ্যানুযায়ী, করোনাকালে পরিবারের আর্থিক সংকটে ৩৫ শতাংশ কিশোরী ও ৩১ শতাংশ কিশোর খাবার কম পেয়েছে। কম খাবার গ্রহণের কারণে ৬২ শতাংশ কিশোর ও ৫৮ শতাংশ কিশোরী কম প্রোটিন পেয়েছে। করোনাভাইরাস মহামারির পরে প্রায় এক কোটি শিশু আর স্কুলে ফিরে যেতে পারবে না। শিক্ষা তহবিল কাটছাঁট ও দারিদ্র্য বেড়ে যাওয়ার কারণে এই বিরাটসংখ্যক শিশু স্কুল থেকে ঝরে যাবে। যুক্তরাজ্যের দাতব্য প্রতিষ্ঠান সেভ দ্য চিলড্রেনের এক গবেষণা প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। এই মহামারির কারণে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক অসমতার সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে গরিব দেশগুলোর বিরাটসংখ্যক শিশু, বিশেষত মেয়েরা স্কুল থেকে ঝরে পড়বে। শিশুদের স্কুল থেকে ঝরে পড়া ঠেকাতে সরকারগুলোকে কার্যক্রম পদক্ষেপ নেয়ার তাগাদা রয়েছে সেভ দ্য চিলড্রেনের ওই প্রতিবেদনে।

উল্লেখ্য যে, ব্রিটেন সরকার শুধু শরণার্থী শিশুদের শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে আলাদাভাবে ৫৩ লাখ পাউন্ড সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। ইউএনএইচসিআরের বিশেষ দূত অ্যাঞ্জেলিনা জোলি বলেছেন, লাখ লাখ শিশু ও তরুণ-তরুণীর জন্য স্কুল হচ্ছে সুযোগের সেরা মাধ্যম, আত্মরক্ষার ঢালও। সহিংসতা, নিপীড়ন ও অন্যান্য কঠিন পরিস্থিতি থেকে শিশুদের রক্ষা করে শ্রেণিকক্ষ। তাই শিশুরা যাতে শ্রেণিকক্ষে ফিরে যেতে পারে, সেই সুযোগ সরকারগুলোকেই সৃষ্টি করতে হবে। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার ৪ নম্বর লক্ষ্য হলো, ২০৩০ সালের মধ্যে প্রতিটি শিশুর মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করা। সেই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে অনেক দেশ যে অগ্রগতি করেছিল, করোনা মহামারি সেটাকে ঝুঁকিতে ফেলে দিয়েছে বলে সেভ দ্য চিলড্রেনের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। এমনকি আগের অর্জনকেও এই মহামারি ম্লান করে দিতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে স্কুলের বাইরে থাকা শিশুর হার, তাদের পরিবারের আয়ের উৎস, শিক্ষার্থীর লিঙ্গ ও লেখাপড়ার অবস্থা খতিয়ে দেখেছে। মহামারির কারণে এসডিজি ফোর লক্ষ্যমাত্রা (মানসম্পন্ন শিক্ষা) অর্জনের অগ্রগতি নিম্নমুখী হওয়ার উচ্চঝুঁকিতে রয়েছে, এমন ১০টি দেশকে চিহ্নিত করেছে প্রতিষ্ঠানটি। দেশগুলো হলো আফ্রিকার দেশ নাইজার, মালি, লাইবেরিয়া, আফগানিস্তান, গিনি, মৌরিতানিয়া, ইয়েমেন, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান, সেনেগাল ও আইভরিকোস্ট দরিদ্র শিশু ও মেয়েরা স্কুল থেকে ঝরে পড়ার সবচেয়ে ঝুঁকিতে রয়েছে। ফলে যেসব দেশে শিক্ষা সমতায় অধিক বৈষম্য ইতোমধ্যে রয়েছে, সেটা যাতে আর না বাড়ে এবং এসব শিশুর শিক্ষা নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত সহায়তার প্রয়োজন হতে পারে।

সেভ দ্য চিলড্রেনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কেভিন ওয়াটকিনস বলেছেন, প্রতিবেদনে শিক্ষায় অতিশয় সংকটপূর্ণ অবস্থাই উঠে এসেছে। শিশুদের স্কুল থেকে ঝরে পড়া ঠেকাতে শিক্ষায় বিনিয়োগের বিকল্প নেই।

আমরা বলে থাকি, শিক্ষার্থীরা দেশের ভবিষ্যৎ। তবে এক মুহূর্তের জন্য আমরা কি আমাদের ভবিষ্যতের কথা ভেবে দেখছি? না, আমরা তা ভাবছি না। আমাদের আচার-আচরণ, চিন্তা-ভাবনা ও এ যাবৎকালের কর্মকা-ে তা ভালোভাবেই পরিস্ফুট হয়েছে। দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বিশেষ করে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো গত ৯ মাস ধরে বন্ধ রয়েছে। কোন এক যুক্তিবলে আমরা উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো খুলিনি; তবে বাজার, পার্ক সবকিছু খুলেছি। প্রশ্ন হলো, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কী সমস্যা? আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হওয়ার পেছনে কারণ হচ্ছে করোনা। অন্য জায়গাগুলোয় তো শিক্ষার্থীরা ঠিকই যাচ্ছে। উপভোগ করছে ও ভ্রমণ করছে। পরিশেষে বলব, একটি বিষয় আমাদের বুঝতে হবে যে ব্যবসায়িক খাতের মতো শিক্ষা খাতের ক্ষতির মূল্য নগদ অঙ্কে নিরূপণ সম্ভব নয়। কিন্তু এই শিক্ষা খাতের বিন্দুমাত্র ক্ষতি অন্য যেকোনো খাতের যেকোনো অর্জনকে মুহূর্তে ধুলায় মিশিয়ে দিতে পারে। তাই সময় এসেছে অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষা খাতের উন্নয়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়ার। এই সত্যটি অনুধাবন করতে হবে যে, শিক্ষা খাতের প্রতি বিন্দুমাত্র ভুল সিদ্ধান্ত জাতি হিসেবে আমাদের অস্তিত্বকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে।


মতামত দিন
সাম্প্রতিক মন্তব্য
মোহাম্মদ বাবুল হোসেন
২১ অক্টোবর, ২০২১ ০৮:৪৫ পূর্বাহ্ণ

হৈমন্তিক শুভেচ্ছা । লাইক এবং পূর্ণ রেটিং সহ শুভকামনা ।আপনার সুপরামর্শ আমার কাজের গতিশীলতা উত্তর উত্তর বৃদ্ধি পাবে এই প্রত্যয় সর্বদা নিরন্তর। আমার আপলোডকৃত কনটেন্ট দেখে আপনার মূল্যবান মতামত ও পরামর্শ প্রত্যাশা করছি । https://www.teachers.gov.bd/content/details/1142085


মোহাম্মদ শাহ আলম
০৩ অক্টোবর, ২০২১ ০৩:৫২ অপরাহ্ণ

শ্রেণি উপযোগী ও মানসম্মত কনটেন্ট আপলোড করে বাতায়নকে সমৃদ্ধ করার জন্য আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ। লাইক ও পূর্ণ রেটিংসহ আপনার জন্য শুভকামনা রইলো। আমার আপলোডকৃত কনটেন্ট দেখে আপনার মূল্যবান মতামত ও পরামর্শ দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি।


মোহাম্মদ শাহ আলম
০৩ অক্টোবর, ২০২১ ০৩:৫২ অপরাহ্ণ

শ্রেণি উপযোগী ও মানসম্মত কনটেন্ট আপলোড করে বাতায়নকে সমৃদ্ধ করার জন্য আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ। লাইক ও পূর্ণ রেটিংসহ আপনার জন্য শুভকামনা রইলো। আমার আপলোডকৃত কনটেন্ট দেখে আপনার মূল্যবান মতামত ও পরামর্শ দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি।