সহকারী শিক্ষক
২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ১০:৪৫ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
ধরনঃ সাধারণ শিক্ষা
শ্রেণিঃ পঞ্চম
বিষয়ঃ প্রাথমিক বিজ্ঞান
অধ্যায়ঃ ষষ্ঠ অধ্যায়
আমরা যে সকল খাদ্য গ্রহন করি তা হতে হবে কম ক্যালরিযুক্ত ও বেশি পুষ্টিমান সম্পন্ন। জৈব খাবার আমাদের শরীরের জন্য বিশেষ উপকারী। জৈব খাবার বলতে বোঝায়, যে সকল খাবার কীটনাশক ও ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ ছাড়াই উৎপাদন করা হয়। আমরা যা খাবার খাই তা কম করে হলেও অর্ধেক হতে হবে জৈব খাবার । যেমনঃ শাকসবজি ও ফলমূল । অন্যান্য যে সকল খাদ্য খাই তার মধ্যে থাকতে হবে অর্গানিক ভুসিসমৃদ্ধ খাদ্য শস্য, বাদাম, তেল বীজ জাতীয় খাদ্য। সবচেয়ে ভালো তেল হলো তিসি তেল, জলপাই থেকে প্রাপ্ত তেল, যাকে আমরা অলিভ অয়েল বলে থাকি। তবে সয়াবিন তেলই আমরা বেশি খেয়ে থাকি অন্যান্য তেলের দাম বেশি বলে। অতিরিক্ত শর্করা, চিনিজাতীয় খাবার, ময়দা, কেক, কুকিজ, পিৎজা ও পেস্ট্রি খাবারের পরিমান একবারে কমিয়ে দিয়ে অঙ্কুরিত ও আটা জাতীয়খাদ্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা আবশ্যিক ।
খাসি ও গরুর মাংস পরিমিত খেতে হবে। প্রোটিন হিসেবে মাছ ও মুরগির মাংস শরীরের জন্য ভাল। আমারা যারা কাঁচা লবণ খাই, কাঁচা লবণ খাওয়া ছেড়ে দেওয়া দরকার। শরীরের জন্য অর্গানিক ডিম, দুধ ও দই স্বাস্থ্যসম্মত খাবার। ভিটামিন-সি, বিটা ক্যারোটিন, ও ভিটামিন-ই, শরীরের জন্য বিশেষ উপকারী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। সব অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের প্রধান উৎস ফলমূল, শাকসবজি ও সবুজ চা জাতীয় খাবার । মনে রাখতে হবে ,ওষুধ কম্পানি হতে প্রস্তুতকৃত ভিটামিন ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের চেয়ে প্রকৃতি হতে পাওয়া ভিটামিন ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট খুব বেশি কার্যকর ও সহজলভ্য।