Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

১০ জানুয়ারি, ২০১৪ ১২:০০ পূর্বাহ্ণ

খাইবার যুদ্ধ ।

হিজরী সপ্তম সনের মুহরারাম মাস।

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবার ষড়যন্ত্রের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র খাইবারের দিকে দৃষ্টি দেন। ষোল শত যোদ্ধা নিয়ে তিনি খাইবার এসে পৌঁছেন। খাইবার ছিলো ৬টি দুর্গ। এই সব দুর্গ ছিলো ২০ হাজার ইয়াহুদী যোদ্ধা। ইয়াহুদীরা কোনরূপ সন্ধি করতে রাজী হলো না। মুসলিম বাহিনী দুর্গগুলো অবরোধ করে। মাঝে-মধ্যে কয়েকটি খন্ডযুদ্ধ হয়। বিশদিন পর্যন্ত যুদ্ধ চলে। অবশেষে আল্লাহ মুসলিমদেরকে বিজয় দান করেন। এই যুদ্ধে ৯৩ জন ইয়াহুদী নিহত হয়। ১৫ জন মুসলিম শহীদ হন। খাইবার জমি মুসলিমদের দখলে আসে। ইয়াহুদীরা ফসলের অর্ধাংশ প্রদান করার শর্তে এই সব জমি চাষাবাদের অধিকার প্রার্থনা করে। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের এই প্রার্থনা মনজুর করেন।

খায়বারের স্হানটি মদীনা থেকে উত্তর-পশ্চিম দিকে ১৫০ কিমি দুরে অবস্হিত। এখানে ইহুদীদের ৬টি দুর্গ ছিল। এই সব দুর্গে ছিলো ২০ হাজার ইয়াহুদী যোদ্ধা। অবশেষে খায়বার যুদ্ধে ইহুদীরা পরাজিত হয়ে সন্ধি প্রার্থনা করে। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) তাদের প্রার্থনা মন্জুর করেন।

উমরাহ পালন

হিজরী সপ্তম সন। হুদাইবিয়ার সন্ধির শর্ত মুতাবিক আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উমরাহের জন্য মক্কায় আসেন। সংগে আসেন মুসলিমদের বিরাট দল। তাঁরা তিনদিন মক্কায় থাকেন। নির্বিগ্নে ওমরাহ উদযাপন করেন। তাঁদের চরিত্র ও আচরণ দেখে অনেকেই অবাক ও মুগ্ধ হয়। মুসলিমদেকে কাবা তাওয়াফ করতে দেখে মুশরিকরা হিংসার আগুনে পুড়তে থাকে।

হুদাইবিয়ার চুক্তি তাদের অনুকূল হয়েছে ভেবে তারা খুব উৎফুল্ল ছিলো। এখন সেই চুক্তি তাদের নিকট অর্থহীন মনে হতে লাগলো। যথারীতি উমরাহ পালন করে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদীনায় ফিরে আসেন। এই উমরাহকেই উমরাতুল কাযা বলা হয়।

 

 

মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট