সহকারী প্রধান শিক্ষক
০৭ ডিসেম্বর, ২০২১ ০৩:৫৫ অপরাহ্ণ
সহকারী প্রধান শিক্ষক
বন্দরনগরী চট্টগ্রাম থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে, চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়কের পাশে ১৮৩ একর জায়গাজুড়ে বিশাল এক প্রাঙ্গণ—চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)। করোনায় আর সব ক্যাম্পাসের মতো চুয়েটেও নেমে এসেছিল নীরবতা। দিনের বেলায় পাখির কিচিরমিচির আর সন্ধ্যার শিয়াল, কুকুরের ঝগড়াই ছিল তখন এই সবুজ স্বর্গের একমাত্র কলরব। ক্যাম্পাস খুলেছে। ছায়াঘেরা নির্জন এই প্রাঙ্গণে আবার ফিরেছে তারুণ্য।
সকালে নিয়ম করে ক্লাসের হুড়োহুড়ি, বিকেলে দল বেঁধে চায়ের কাপের টুংটাং, গিটারের ঝংকারে আড্ডাগুলো আবার ফিরে এসেছে নিজের ঠিকানায়। এখন ছেলেমেয়েদের হইহুল্লোড় শোনা যায় রাত অবধি। রাতের চুয়েট আরও মোহনীয়। হলগুলোতে গভীর রাত পর্যন্ত চলে ব্যাডমিন্টন আর ক্রিকেট ম্যাচ। পূর্ণিমার রাতে আবাসিক হলের ছাদ থেকে যখন ভেসে আসে ‘ওই সুদূর নীলিমায় মন হারিয়ে যেতে চায়, যেথায় সময় থেমে রয় তোমারই আশায়’। তখন বোঝা যায়, চুয়েটে তার প্রাণভোমরা ফিরে এসেছে।
গত ২০ অক্টোবর প্রায় দেড় বছর পর খুলে দেওয়া হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল। সাতটি আবাসিক হলের প্রশাসন ফুল, স্যানিটাইজার, মাস্ক আর হালকা নাশতা দিয়ে বরণ করেছে শিক্ষার্থীদের।
বঙ্গবন্ধু হলের আবাসিক ছাত্র তিহাম ফায়াজ বলেন, ‘কত দিন পর কাশেম ভাইয়ের দোকানের চায়ের কাপের টুংটাং শুনলাম! হুড়োহুড়ি করে ক্লাসে যাওয়া বা বিকেলের বাস ধরাকেও মধুর মনে হচ্ছে।’