প্রভাষক
১৫ ডিসেম্বর, ২০২১ ১১:২৩ অপরাহ্ণ
প্রভাষক
wkÿv GKwU wUgIqvK©
A‡bK w`b a‡i fvewQ wKQz wjLe wKš‘ mgv‡jvPbv f‡q wKQz wjL‡Z cviwQjvg bv| KviY Avwg hvB wjwL bv †Kb mgv‡jvPbv n‡eB| wkÿv wRwbmUv wK ! Avgvi g‡b nq Avgv‡`i bxwZ wba©viKiv GB welqwU eyS‡Z cv‡ib bv ev eyS‡j I †mwU †h wkÿv n‡Z cv‡i †mwU gvb‡Z Pvb bv| †hgb GKRb wiKkvPvjK Aek¨ wkwÿZ| KviY Avwg ev Avcwb wiKkv Pvjv‡Z cvi‡ev bv KviY wiKkv Pvjv‡bv wkL‡Z nq| myZivs c„w_exi cÖvq mKj cÖvwY ev Rxe cªZ¨ÿ ev c‡ivÿfv‡e wkwÿZ | GLb cÖkœ nj Zvn‡j mKj Rx‡ei Rb¨ †Kb wkÿv cÖwZôvb bvB| KviY cª‡qvRb Uv †Kgb Zvi Dc‡i wbf©i K‡i Rx‡ei wkÿv †Kgb n‡e| c„w_exi mKj A‡ji GKB Rx‡ei ev¯‘ZÎ GKB bq| Zvigv‡b GKB Rx‡ei wkÿv GK GK A‡j wfbœ iKg| ZvB Avwg hw` Avgvi cÖ‡qvRb bv ey‡S A‡b¨i wkÿvbxwZ Pywi Kwi Zvn‡j wKqvgZ ch©šÍ GB Pzwi Kiv wkÿvbxwZ w`‡q Kvw•LZ jÿ AR©b Kiv m¤¢e bq| Avgvi cÖ‡qvRb Ges cÖ‡qvRb wgUv‡bvi mÿgZvi Dci wbf©i K‡i hw` wb‡Riv wkÿvbxwZ ˆZwi Kwi Zvn‡j Avgiv Avgv‡`i jÿ¨ AR©b Ki‡Z cvie| wKš‘ wkÿvbxwZ cvi‡d± n‡jB †h Avgv‡`i Ae¯’vi cwieZ©b n‡e †mwU wKš‘ wbwðZfv‡e ejv hvq bv| KviY wkÿvbxwZ ev¯Íevq‡bi Rb¨ g~jZ PviwU wel‡qi mgš^q cÖ‡qvRb| GK wkÿK, `yB wkÿv_©x, wZb AwefveK Ges Pvi cÖwZôvb cwiPvjbvi `vwq‡Z¡ wb‡qvwRZ Kg©KZ©v ev KwgwU| GB PviwU wel‡qi g‡a¨ me‡P‡q ¸iæZ¡c~Y© n‡jv wkÿK‡`i cwiKíbv, cÖ‡Póv, AvšÍwiKZv, mZZv, AvZ¥Z¨vM| প্রত্যন্ত স্কুলটিতে মাত্র একটি কম্পিউটার৷ তাতে কোনো ইন্টারনেট সংযোগ নেই বললেই চলে৷ ল্যাবরেটরি বলেও তেমন কিছু নেই৷ কিন্তু তাতেও শিক্ষার্থীরা দমে যায়নি৷ গত বছর দেশটির বিজ্ঞান ও প্রকৌশল মেলায় শহরাঞ্চলের বাঘা বাঘা একাডেমিকে পেছনে ফেলে গণিত বিভাগের সেরা পুরস্কার তারা ছিনিয়ে নিয়েছে৷ এমন একটি যন্ত্র তারা উদ্ভাবন করেছে, যা শুধু বৃত্তের পরিমাপ সহজে বের করতেই সক্ষম নয়, দৃষ্টি প্রতিবন্ধী আর বধিররাও সেটি ব্যবহার করতে পারে৷ মাত্র ছয় বছর আগে যাত্রা করা স্কুলটি কেনিয়ার ৫৬ তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রকৌশল মেলায় দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে৷ শিক্ষার্থীদের গণিত দলটি এবার ইন্টেল আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান ও প্রকৌশল মেলার জন্যেও উত্তীর্ণ হয়েছে৷ আগামী মে মাসে তাদের দুজন প্রতিনিধি যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনার সেই আয়োজনে অংশ নেবে৷ এই স্কুলটি যুক্তরাজ্যের রয়্যাল সোসাইটি অব কেমিস্ট্রিরও অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছে৷গল্পটি কেরিকো মিক্সড ডে সেকেন্ডারি স্কুলের৷ কেনিয়ার নাকুরু কাউন্টির পোয়ানি নামের প্রত্যন্ত এক গ্রামে তার অবস্থান৷ যার নাম এখন শুধু আফ্রিকার দেশটিতেই নয়, ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বের নানা প্রান্তে৷ আর এই পরিচিতি এনে দিয়েছেন স্কুলটির গণিত ও পদার্থবিদ্যার শিক্ষক পিটার তাবিচি, যিনি দারিদ্র্য, ক্ষুধা আর সহিংসতা জয় করে শিক্ষার্থীদের উজ্জল ভবিষ্যতের জন্য লড়াইয়ের পথ দেখাচ্ছেন৷ তৈরি করে দিচ্ছেন সাফল্যের সুযোগ৷কানাডার বরফ ঢাকা কিউবেকের উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত নোভা স্কটিয়া গ্রামে দরিদ্র আদিবাসীদের ভেতর শিক্ষার বিস্তার ঘটাতে কাজ করে যাচ্ছেন ম্যাগি ম্যাকডোন্যাল। আর সব স্কুলের মতো চার দেয়ালে ঢাকা নয় ম্যাগির স্কুল। শুধু কি তাই, শিশুদের বরফ ভেঙ্গে বেশ কয়েক মাইল পাড়ি দিতে হয় সেই স্কুলে আসার জন্যে। দেশটির মিকমাক আদিবাসীদের জন্য ম্যাগির দরদ তাঁর ছোট বেলা থেকেই। সংরক্ষিত এলাকায় বসবাসকারী এই জনগোষ্ঠীর মানুষেরা বলেন, ম্যাগিদের পারিবারিক জমিতেই তারা কাজ করে খান। কানাডার এই দুর্গম এলাকায় তরুণদের চাকরির সুযোগ নেই বললেই চলে। হতাশায় মাদক সেবনের পাশাপাশি আত্মহত্যার পথও বেছে নেয় অনেকেই। পুরস্কার নেওয়ার মঞ্চে এমন এক তরুণের করুণ মৃত্যুর গল্প বলেন ম্যাগি। তবে, এ নারীর সফলতার গল্প বলতে গিয়ে ভ্যারকি ফাউন্ডেশন এর প্রতিষ্ঠাতা সানি ভ্যারকি বলেন, “যেখানে কোন রাস্তা নেই, আবহাওয়া বৈরী এবং যে জনগোষ্ঠীর মানুষেরা শত শত বছরের বঞ্চনার শিকার, তাদের জন্যে ম্যাগি যা করছেন তা ‘সুপারহিউম্যান’ এর কাজ। তিনি আরও বলেন, “এই এলাকায় কোন শিক্ষক এলে তারা ছয় মাসের মধ্যে এখান থেকে নিজেদের বদলি করিয়ে নেন। আর ম্যাগি ছয় বছর থেকে এখানে কাজ করে যাচ্ছেন।ম্যাগির এই প্রচেষ্টায় আজ সেখানে স্বপ্ন দেখছে শত শত আদিবাসী শিক্ষার্থী।
বিশ্বের সেরা শিক্ষক নির্বাচনের জন্য ২০১৫ সাল থেকে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক ভারকি ফাউন্ডেশন ‘গ্লোবাল টিচার পুরস্কার’ প্রবর্তন করেছে। এ বছর বিশ্বের ১৭৯টি দেশের ২০ হাজার আবেদনকারীর মধ্য থেকে শীর্ষ ৫০ শিক্ষককে বাছাই করা হয়েছে। এই তালিকায় ১৬ জন নারীর মধ্যে আছে বাংলাদেশের শাহনাজ পারভীনের নাম। মনোনয়ন পাওয়া ৫০ জনের মধ্য থেকে আগামী বছরের ১৯ মার্চ দুবাইয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হবে। বিজয়ীকে অর্থ পুরস্কার দেওয়া হবে ১০ লাখ মার্কিন ডলার। ২০১৬ সালে ফিলিস্তিনের সামিহা খলিল সেকেন্ডারি স্কুলের শিক্ষক হান্নান আল হুরাব এবং ২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের টিচিং অ্যান্ড লার্নিং সেন্টারের শিক্ষক ন্যানসি অ্যাটওয়েল গ্লোবাল প্রাইজ জেতেন।
১৪০ টি দেশের ১২,০০০ এরও বেশি শিক্ষক, তাদের মধ্য থেকেই সেরার শিরোপা জিতে নিলেন মহারাষ্টের শিক্ষক রঞ্জিতসিং দিশাল। ভারতে নারী শিক্ষার প্রসার ও কিউআর কোড ভিত্তিক বইয়ের বিপ্লব ঘটানোর জন্যই তাঁকে এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
২০০৯ সালে মহারাষ্ট্রের সোলাপুর জেলার পরিতোয়াদি গ্রামের জেলা পরিষদ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করতে এসেছিলেন ৩১ বছরের দিশাল। একটি গোশালা আর একটি স্টোররুমের মধ্যে অবস্থিত স্কুলবাড়িটির তখন একেবারে জরাজীর্ণ অবস্থা। সেখান থেকেই লড়াই শুরু করেছিলেন এই শিক্ষক। শিক্ষার্থীদের জন্য ক্লাসের পাঠ্যপুস্তকগুলি তিনি তাদের মাতৃভাষায় অনুবাদ করেছিলেন। সেইসঙ্গে, শিক্ষার্থীদের হাতে অডিও কবিতা, ভিডিও বক্তৃতা, গল্প এবং অন্যান্য বিষয় পৌঁছে দেওয়ার জন্য তিনি কিউআর কোড দেওয়া শুরু করেছিলেন। এর প্রভাবে স্কুলে মেয়েদের উপস্থিতি একশো শতংশ হয়ে গিয়েছিল। গ্রামে আর কোনও কিশোরীর বিবাহ হয়নি।
এই রকম আরও অনেক উদাহরণ আছে। যা দেখে আমরা বলতে পারি পারফেক্ট শিক্ষানীতি শুধু শিক্ষা ব্যবস্থা পরিবর্তন করতে পারে না।অবশ্যই শিক্ষকদের চেষ্টা থাকতে হবে।দ্বিতীয় শিক্ষার্থীদের শেখার আগ্রহ থাকার পাশাপাশি পরিশ্রম করার সামর্থ থাকতে হবে। তা না হলে শিক্ষক যত পরিশ্রম করুক না কেন তা সফল হবে না। শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষকদের অবদানকে ভূলে যায়। যেমন একজন আদর্শ শিক্ষক বৃদ্ধ বয়সে অসুস্থ হয়ে গেলে তাকে ভিক্ষা করে জীবনযাপন করতে হয়। তার খোঁজ খবর কেউ রাখে না। এই বিষয়টি শিক্ষক সমাজের উপর ব্যাপক প্রভাব ফেলে। তাই শিক্ষার্থীদের উচিত শিক্ষকদের যেকোনো সমস্যা সমাধান করার। অন্যথায় আদর্শ শিক্ষক তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না। তৃতীয় অবিভাবকদের কে শিক্ষকদের পাশে দাড়াতে হবে। আজকাল আমরা দেখতে পারি যে, শিক্ষকরা বিভিন্নভাবে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ দ্বারা অপমানিত হচ্ছে। কারণ তারা সমাজের বিভিন্ন ব্যাধির বিপক্ষে বাধা প্রধান করে।যেমন- আমরা দেখেছি একজন শিক্ষক ইভটিজিং এর বিপক্ষে বাধা দেওয়ার জন্য তাকে খুন হতে হয়েছে। এরকম আরও অনেক ব্যাধির বিপক্ষে শিক্ষকদের পাশাপাশি অবিভাবকদের কে দাড়াতে হবে না হলে শিক্ষকদের একার পক্ষে এই অপরাধগুলো নির্মূল করা সম্ভব নয়। সর্বশেষ কমিটি বা কর্মকর্তারা যদি ঠিকমত শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং অবিভাবকদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ করে তাদের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করেন এবং সেগুলো সমাধানের ব্যবস্থা গ্রহণ করে তাহলে আশা করা যায় আমরা আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে আধুনিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকায় নিয়ে যেতে পারব।