Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

২৭ মার্চ, ২০২২ ০৬:৫৬ অপরাহ্ণ

বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর

বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর

বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জাদুঘর ও সংগ্রহশালা। এটি বাংলাদেশের ঐতিহাসিক, প্রত্নতাত্ত্বিক, নৃ-তাত্ত্বিক, শিল্পকলা ও প্রাকৃতিক ইতিহাস সম্পর্কিত নিদর্শনাদি সংগ্রহ, সংরক্ষণ, প্রদর্শন ও গবেষণার উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান। ব্রিটিশ শাসনামলে ১৯১৩ সালে ঢাকা জাদুঘর নামে এর যাত্রা শুরু হয়েছিল। বর্তমানে রাজধানী ঢাকা শহরের প্রাণকেন্দ্র শাহবাগে ৮.৬৩ একর জমির উপর একটি চারতলা ভবনে জাদুঘরটি অবস্থিত। এ জাদুঘরে ৪৪টি প্রদর্শনী কক্ষ, তিনটি অডিটোরিয়াম, একটি সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার ও দুটি অস্থায়ী প্রদর্শনী কক্ষ রয়েছে। এছাড়া জাতীয় জাদুঘরের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে চারটি শাখা জাদুঘর। এগুলি হলো সিলেটের ওসমানী জাদুঘর, ঢাকার আহসান মঞ্জিল জাদুঘর, চট্টগ্রামের জিয়া স্মৃতি জাদুঘর এবং ময়মনসিংহের শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা।

ব্রিটিশ শাসনামলে ১৮৫৬ সালে দি ঢাকা নিউজ পত্রিকায় প্রথম ঢাকায় একটি জাদুঘর প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে সংবাদ প্রকাশিত হয়। কিন্তু উনিশ শতকে জাদুঘর প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে তেমন কোনো অগ্রগতি হয় নি। ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ অপ্রত্যাশিতভাবে ঢাকায় জাদুঘর স্থাপনের সুযোগ সৃষ্টি করে। ঢাকাকে লর্ড কার্জনের পরিকল্পনা অনুসারে গঠিত নতুন প্রদেশ পূর্ববঙ্গ ও আসামের রাজধানী করা হলে শিলং কেবিনেটের মুদ্রাসমূহ ঢাকায় স্থানান্তরের ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এই সুযোগে সরকারি মুদ্রা বিশারদ এইচ.ই স্টেপলটন ঢাকায় একটি জাদুঘর স্থাপনের জন্য জনশিক্ষা পরিচালকের নিকট প্রস্তাব উত্থাপন করেন। ১৯০৯ সালে স্টেপলটনের প্রস্তাব সরকারি পর্যায়ে আলোচিত হলে গভর্নর স্যার ল্যান্সলট হেয়ার প্রস্তাবিত জাদুঘরের জন্য একটি স্থান নির্বাচনের নির্দেশ দেন। তবে ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রহিত হওয়ায় সরকারি উদ্যোগে ঢাকায় জাদুঘর স্থাপনের প্রচেষ্টা থেমে যায়। এই অবস্থায় ঢাকার বিশিষ্ট নাগরিকগণ জাদুঘর প্রতিষ্ঠার জন্য সোচ্চার হন।

মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট