Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

৩০ মার্চ, ২০২২ ০৩:১৫ অপরাহ্ণ

শিল্প কলার নানা দিক
শিল্প কলার নানা দিক

মুস্তাফা মনোয়ার

‘আনন্দ ধারা বহিছে ভূবণে’- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গানের এই কথাগুলিতে শিল্প কলার মূল সত্যটি প্রকাশ পেয়েছে। সব মানুষই জীবনের এই আনন্দকে পাবার জন্যে কত রকম চেষ্টা করে যাচ্ছে। আনন্দ প্রকাশ জীবনী শক্তির প্রবলতারই প্রকাশ। আনন্দকে আমরা বুঝি রূপ-রস-শব্দ-স্পর্শ-গন্ধ ইত্যাদির সাহায্যে, ইন্দ্রিয়সকলের সাহায্যে। মানুষ যখন আনন্দ পায় তখন সে তার মনকে প্রকাশ করতে চায়-নানা রূপে। তাই সৃষ্টি হলো চিত্রশিল্পী, নৃত্য শিল্পী, সংগীত শিল্পী, কবি, সাহিত্যিক। পুরাকালের গুহা মানুষ থেকে শুরু করে বর্তমান যুগ পর্যন্ত মানুষ নিজের পাওয়া আনন্দকে সুন্দরকে অন্য মানুষের মধ্যে বিস্তার করতে চেয়েছে। তাই সৃষ্টি হয়েছে নানান আঙ্গিকের শিল্প কলা। যেমন-চিত্রকলা, ভাস্কর্য, নৃত্যকলা, সংগীত কলা, অভিনয় কলা, চলচ্চিত্র, স্থাপত্য ইত্যাদি বিভিন্নমুখী কলাভঙ্গি। প্রতিটি ক্ষেত্রেই মানুষ তার নিত্য নতুন অবদান রেখে চলেছে। শিল্প কলার বিস্তীর্ণ অঙ্গনে। শিল্প কলার একটি অস্পষ্ট অর্থ আমরা বুঝতে পারি কিন্তু শিল্পকলার সঠিক অর্থ কী আর শিল্পকলার গুণাগুণ কী, এই প্রশ্ন যদি কেউ করে তাহলে, উত্তর দেয়া কঠিন হয়ে পড়ে। যেমন
গান শুনে ভালো লাগে, ছবি দেখে ভালো লাগে, কিন্তু ভালো লাগে কেন, এই প্রশ্ন নিয়ে মানুষের মন চিন্তা ভাবনা করতে লাগলো- দেখা গেল, সকল শিল্পকলায় রূপ আছে, ছন্দ আছে, সুর আছে, রং আছে, বিশেষ গড়ন আছে, সবকিছুকে সাজাবার একটি সুবিন্যস্ত নিয়ম আছে। এই নিয়মটি লুকিয়ে থাকে, নিজেকে প্রকাশ করে না, সুন্দরের মধ্যে মিলেমিশে একটা বন্ধন সৃষ্টি করে। নিয়মটি না জানলেও সুন্দরকে চেনা যায়। একটি উপমা দেয়া যাক। পৃথিবীর সব ফুলই একই
মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট