সহকারী অধ্যাপক
১৪ এপ্রিল, ২০২২ ১০:৪৭ পূর্বাহ্ণ
সহকারী অধ্যাপক
ধরনঃ মাদ্রাসা শিক্ষা
শ্রেণিঃ দশম
বিষয়ঃ রচনা সম্ভার
অধ্যায়ঃ অষ্টম অধ্যায়
একটি নির্দিষ্ট ভূখন্ডকে তখনি দেশ বলা যাবে যখন তার সার্বভৌমত্ব,জনগন ও সরকার থাকবে।এর মধ্যে কোনো একটি অনুপস্থিত থাকলে সেই ভূখন্ডকে আমরা দেশ বলতে পারব না।
আমাদের দেশের নাম হচ্ছে বাংলাদেশ। এদেশের রয়েছে সার্বভৌমত্ব, রয়েছে ১৭ কোটি জনগণ আর রয়েছে সুগঠিত সরকার। ১৯৭১ সালে ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করে।
এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণে বাংলাদেশের অবস্থান । বাংলাদেশ ২০ ° ৩৪ ′ উত্তর অক্ষরেখা থেকে ২৬ ° ৩৮´ উত্তর অক্ষরেখার মধ্যে এবং ৮৮ ° ০১´ পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা থেকে ৯২ ° ৪১ ′ পূর্ব দ্রাঘিমা রেখার মধ্যে অবস্থিত । বাংলাদেশের মাঝামাঝি স্থান দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা ( ২৩ ° ৫ ) অতিক্রম করেছে ।
পূর্ব – পশ্চিমে সর্বোচ্চ বিস্তৃতি ৪৪০ কি.মি. এবং উত্তর – উত্তর পশ্চিম থেকে দক্ষিণ – দক্ষিণ পূর্ব প্রান্ত পর্যন্ত সর্বোচ্চ বিস্তৃতি ৭৬০ কি.মি .।
বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ , মেঘালয় ও আসাম ; পূর্বে আসাম , ত্রিপুরা ও মিজোরাম এবং মিয়ানমার ; দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর এবং পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ অবস্থিত । বাংলাদেশের মোট আয়তন ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কি.মি. বা ৫৬ , ৯৭৭ বর্গমাইল ।
বাংলাদেশ অনেক ত্যাগ – তিতিক্ষার মধ্যে সিয়ে স্বাধীনতা অর্জন করেছে। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর দুটি দেশের জন্ম হয়৷ একটি পাকিস্তান আর একটি ভারত।
পাকিস্তানের দুটি অংশ ছিলো যা পূর্ব পাকিস্তান বা বাংলাদেশ এবং পশ্চিম পাকিস্তান অংশে বিভক্ত ছিল। যদিও তখন বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের অধীনে ছিলো তবুও বাংলাদেশ অনেক নির্যাতনের স্বীকার ছিল।
বাংলাদেশের জনগন সবসময় নিপীড়নের স্বীকার হতো। নির্বাচনে জয়লাভ করেও বাংলাদেশের জনগন পায়নি ক্ষমতা। তারই প্রতিবাদ যখন বাংলাদেশের জনগন করেছিলো তারা আমাদের দেশের জনগনকে নির্বিচারে হত্যা করে।
ধীরে ধীরে বাংলাদেশের মানুষ বুঝতে পারে যে জীবনপন যুদ্ধ ছাড়া পাকিস্তানিদের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া অসম্ভব।
তারই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের জনগন মুক্তিযুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হয়। ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধুর নের্তৃত্বে বাঙালিরা মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে।
ভারত, সোভিয়েত ইউনিয়ন সহ বিভিন্ন দেশের সহায়তায় বাঙ্গালিরা মুক্তিযুদ্ধে জয়লাভ করে এবং স্বাধীনতা অর্জন করে।