Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

২৫ জুন, ২০২২ ০৩:১৩ অপরাহ্ণ

শিশু

কথায় বলে শিশুর প্রথম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হল তার পরিবার। কাজেই একজন শিশুর শারীরিক , মানসিক , প্রক্ষোভিক, সামাজিক প্রভৃতি বিকাশগুলি ঘটতে শুরু করে পরিবারের মধ্যেই। বর্তমান ডিজিটাল যুগে একটি গবেষণায় উঠে এসেছে মানুষের মানসিক সমস্যা সংক্রামক ব্যাধির মতো ক্রমবর্ধমান। তাই যদি শিশুকে ছোটবেলা থেকেই পূর্ণ মানসিকতার সুষম বিকাশ ঘটানো যায় তবে ভবিষ্যৎ জীবনে শিশু নানারকম মানসিক সমস্যার মোকাবিলা করে একজন সুস্থ সবল সামাজিক মানুষ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারবে। আর এই মানসিক দিকগুলো গড়ে উঠতে পারে একমাত্র পরিবারের মধ্যেকার পরিবেশে।

বর্তমান যুগে সোশ্যাল মিডিয়া ,যন্ত্র নির্ভরতা ও পারস্পরিক সুসম্পর্কের অভাব প্রভৃতির ফলে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক ভাবের আদান প্রদান কমে যাচ্ছে। যার প্রভাব সুকোমল শিশুদের মনে পড়ে। ফলে শিশুরা নানাভাবেই বিকৃত মানসিকতার শিকার হয় এবং মোবাইল গেম , ভিডিও গেমে আসক্তি , অসামাজিক ভাবনা , নেশার প্রতি আসক্তি ইত্যাদির কবলে পরে যায়। এসব অনেক সময় বাইরের থেকে শিশুকে দেখে বোঝা যায় না। কিংবা বোঝা গেলেও অনেকেই বিশেষ আমল দেন না। কিন্তু মনে রাখা প্রয়োজন পুষ্টিকর খাবার যেমন শরীরকে সুস্থ রাখে তেমনি উপযুক্ত পারিবারিক পরিবেশ -ই শিশুর মানসিক গঠনকে সুন্দর করে তোলে। তাই শিশুর মানসিক বিকাশের দিকটি গুরুত্ব দেওয়া খুব প্রয়োজন দেখা দিয়েছে আজ।

১. খোলামেলা আলোচনা :-

মনে রাখা প্রয়োজন যে মন খুলে আলোচনা করলে মনের গভীরে কোনো ক্ষত জমা থাকে না। একজন মানুষের অনেক অভাব অভিযোগ না পাওয়ার বেদনা থাকতে পারে। পরিবারের প্রতিটি সদস্য যদি নিজের খোলামেলা কথা বলে তবে তার প্রভাব শিশুর ওপর পড়তে বাধ্য। এর ফলে শিশুও তার স্কুলের বন্ধুদের বা শিক্ষক শিক্ষিকাদের সম্পর্কে মনোভাব খোলাখুলি বলবে – যার ফলে তার ভেতরে কোনো লুকোনো আবেগ বা ক্ষত তৈরি হবে না।

মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট