Loading..

শিক্ষায় অগ্রযাত্রা

রিসেট

২৭ জুন, ২০২২ ০৫:০১ অপরাহ্ণ

ই-রিকুইজিেশন নিয়ে মনোযোগ দিয়ে দেখেন

===সময় পেলে পড়বেন!===

প্রেক্ষিত: ই-রিকুইজেশন

1) সহকারি শিক্ষক(বাংলা,ইংরেজি, সামাজিক বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষা): বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান(স্কুল ও কলেজ) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-2021 অনুসারে সহকারি শিক্ষক(বাংলা,ইংরেজি, সামাজিক বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষা) এই 4টি পদ আলাদা করা হয়েছে, কিন্তু পূর্বের নীতিমালায় এই 4টি পদ সমাজিক বিজ্ঞান গ্রুপের ছিল। তখন একই বিষয়ে একাধিক শিক্ষকের নিয়োগ ও এমপিও হয়েছে। বর্তমানে এই সুযোগ নেই। তাই এই 4টি বিষয়ে  ই-রিকুইজেশন দেয়ার আগে দেখে নেওয়া প্রয়োজন সামাজিক বিজ্ঞান গ্রুপের 4টি পদের মধ্যে কয়টি পদ শূন্য আছে এবং যারা কর্মরত আছেন, তাঁদের স্নাতকের পাঠ্য বিষয়ে কি আছে। 2021 সালের নীতিমালা অনুসারে কার কোন পদের যোগ্যতার সাথে মিলে যায়, যে শিক্ষকের স্নাতকের পাঠ্য বিষয় এবং 2021 সালের এমপিও নীতিমালা এর সাথে মিল আছে, তাকে পদ সমন্বয় করে বর্তমান নীতিমালায় যে যে পদের সাথে মিল হয় , সেই শিক্ষককে সেই পদে সমন্বয় করে অবশিষ্ট্য পদে ই-রিকুইজেশন দেওয়া প্রয়োজন। যদি সহকারি শিক্ষক(ব্যবসায় শিক্ষা) পদে চাহিদা দেওয়ার প্রয়োজন হয়, তাহলে বোর্ড/অধিদপ্তর/মন্ত্রনালয় হতে ব্যবসায় শিক্ষা/বানিজ্য শাখা অনুমোদন পত্র থাকতে হবে।

2) সহকারি শিক্ষক(কৃষি): সাধারণত এই পদটি প্যাটার্ণভুক্ত পদ। যদি স্নাতকে উদ্ভিদ বিজ্ঞান/প্রাণী বিজ্ঞান সহ বিজ্ঞানের শিক্ষককের কোন পদ অতিরিক্ত থাকে, কিংবা স্নাতকে উদ্ভিদ বিজ্ঞান/প্রাণী বিজ্ঞান আছে এমন দুইজন শিক্ষক কর্মরত থাকে, তাহলে কৃষি বিষয়ে শিক্ষক নিয়োগের বিষয়ে অতিরিক্ত শিক্ষক/ স্নাতকে উদ্ভিদ বিজ্ঞান/প্রাণী বিজ্ঞান আছে এমন দুইজন শিক্ষকের মধ্যে একজন কে পদ সমন্বয় করা যায় কিনা, তা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার/জেলা শিক্ষা অফিস্যারর পরামর্শ নিয়ে তার পর ই-রিকুইজেশন দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি।

3) সহকারি শিক্ষক(গার্হস্থ্য বিজ্ঞান): সাধারণত এই পদটি অনুমোদিত পদ। সংশ্লিষ্ট বোর্ড/অধিদপ্তর/মন্ত্রনালয় হতে এই পদের অনুমোদন আছে কি না, তা দেখে নেওয়া প্রয়োজন। অনুমোদনের আদেশ থাকলে 2021 সালের এমপিও নীতিমালা অনুসারে এই পদে শিক্ষক নিয়োগ করা যাবে।  যদি প্রতিষ্ঠানে প্যাটার্ণ বহির্ভূত/ অতিরিক্ত শিক্ষক এমপিওভুক্ত থাকে তাহলে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার/জেলা শিক্ষা অফিস্যারর পরামর্শ নিয়ে তার পর ই-রিকুইজেশন দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি।

4) সহকারি শিক্ষক(ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা): প্রতিটি ধর্মের জন্য প্রাপ্যতা সাপেক্ষে একজন করে শিক্ষক নিয়োগ করা যাবে। তবে, সহকারি শিক্ষক(হিন্দু ধর্ম/বৌদ্ধ ধর্ম/খ্রিস্টান ধর্ম) পদে শিক্ষক নিয়োগের জন্য জেলা শিক্ষা অফিসার/বোর্ড/অধিদপ্তর/মন্ত্রনালয় হতে অনুমোদন থাকা প্রয়োজন। এক্ষেত্রে প্রতিটি পদের জন্য যে শিক্ষক নিয়োগ দিবেন, তিনি সেই ধর্মের হতে হবে। শুধুমাত্র 2021 সালের এমপিও নীতিমালা অনুসারে একাডেমিক যোগ্যতা থাকলে হবে না, তিনি সেই ধর্মের অনুসারি কি না, তাও বিবেচনা করতে হবে।

5) সহকারি শিক্ষক(গণিত): পূর্বে সহকারি শিক্ষক (গণিত ও সাধারণ বিজ্ঞান) নামে একটি পদ ছিল, এই পদে এখও কোন শিক্ষক কর্মরত থাকলে ,তাঁর স্নাতকের বিষয়ের সাথে মিল রেখে সহকারি শিক্ষক(গণিত)/সহকারি শিক্ষক(জীব বিজ্ঞান)/সহকারি শিক্ষক(ভৌত বিজ্ঞান) পদে উক্ত শিক্ষকের পদ সমন্বয় করা প্রয়োজন। মানে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের যদি স্নাতকে গণিত(300 নম্বর) তাহলে সহকারি শিক্ষক(গণিত), যদি উদ্ভিদ/প্রাণী বিজ্ঞান(300 নম্বর) তাহলে সহকারি শিক্ষক(জীব বিজ্ঞান) আর যদি পদার্থ/রসায়ন(300 নম্বর) থাকে তাহলে সহকারি শিক্ষক(ভৌত বিজ্ঞান) পদে সমন্বয় করা প্রয়োজন। যদি শিক্ষকের একাধিক পদের যোগ্যতা থাকে, তাহলে উক্ত শিক্ষককের সাথে আলোচনা করে তিনি, কোন পদে যেতে চান তা দেখা প্রয়োজন। তিনি যে পদে যেতে চায়, সেই পদে তাঁকে দিয়ে ও পদ সমন্বয় করে অবশিষ্ট পদে শিক্ষক নেওয়ার কার্যক্রম গ্রহণ করা প্রয়োজন।

6) সহকারি শিক্ষক(জীব বিজ্ঞান/ভৌত বিজ্ঞান): প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে যদি বিজ্ঞানের কোন শিক্ষক কর্মরত থাকেন তাহলে প্রথমে দেখতে হবে, কর্মরত শিক্ষকের স্নাতকে পাঠ্য বিষয়ে কি কি আছে, যদি উদ্ভিদ/প্রাণী বিজ্ঞান(300 নম্বর) তাহলে সহকারি শিক্ষক(জীব বিজ্ঞান) আর যদি পদার্থ/রসায়ন(300 নম্বর) থাকে তাহলে সহকারি শিক্ষক(ভৌত বিজ্ঞান) পদে সমন্বয় করা প্রয়োজন। যদি শিক্ষকের একাধিক পদের যোগ্যতা থাকে, তাহলে উক্ত শিক্ষককের সাথে আলোচনা করে তিনি, কোন পদে যেতে চান তা দেখা প্রয়োজন। তিনি যে পদে যেতে চায়, সেই পদে তাঁকে দিয়ে ও পদ সমন্বয় করে অবশিষ্ট পদে শিক্ষক নেওয়ার কার্যক্রম গ্রহণ করা প্রয়োজন।

7) সহকারি শিক্ষক(চারু ওকারুকলা): এই পদটি 2021 সালের নীতিমালা অনুসারে নবসৃষ্ট পদ। এই পদে 2022-23 অর্থ বছর হতে শিক্ষক নিয়োগ ও এমপিও দেওয়ার আদেশ আছে। সেই হিসেবে এই পদে চাহিদা প্রদান করা যাবে। তবে, প্রতিষ্ঠানে প্যাটার্ণ বহির্ভূত/ অতিরিক্ত শিক্ষক এমপিওভুক্ত থাকে তাহলে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার/জেলা শিক্ষা অফিস্যারর পরামর্শ নিয়ে তার পর ই-রিকুইজেশন দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি।

## মহিলা কোটা:প্রতিষ্ঠানের মহিলা কোটা পূর্ণ আছে কি না তা দেখে নেওয়া প্রয়োজন। জেলা সদরের পৌরসভা/সিটি কর্পোরেশ এ 40% , অন্যান্য এলাকায় 20% । বিশেষ এলাকায় 0%। অনেক সময় শিক্ষক যোগদান করেন না, সেই বিবেচনায় মহিলা শিক্ষকের প্রাপ্যতার চেয়ে একটু বেশী দেওয়া শ্রেয়।

আমার এই লেখায় ভুলও থাকতে পারে, দয়া করে আমার লেখার ভুল বিষয়টি ধরিয়ে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি। তাহলে আমি সংশোধন করে প্রয়োজনে পূনরায় পোস্ট করতে পারবো।

মন্তব্য করুন