সিনিয়র শিক্ষক
০৪ জুলাই, ২০২২ ১০:১৯ অপরাহ্ণ
সিনিয়র শিক্ষক
#শিক্ষা ক্ষেত্রে অবদানের জন্য মাননীয় জেলা প্রশাসক জনাব মীর নাহিদ আহসান স্যার আপনাকে অভিবাদন..
মৌলভীবাজার এর ভৌগোলিক অবস্থান এর কারনে বাংলাদেশের মোট ১৬৩ টি চা বাগান এর ৯৩টি চা বাগান এই জেলায় অবস্থিত। মৌলভীবাজারের পাহাড় ও সমতলে কমবেশি প্রায় ৪০ টি নৃ-তাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর বসবাস। যার কারনে মোট জনগোষ্ঠীর বড় একটি অংশ শিক্ষায় পিছিয়ে রয়েছে। মৌলভীবাজার জেলার অবকাঠামোগত ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যে ২০২০ সালের ০৫ জুলাই জনাব মীর নাহিদ আহসান স্যার জেলা প্রশাসক হিসাবে মৌলভীবাজারে যোগদান করেন।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ, মাটি ও মানুষ এই ৩ আদর্শকে ধারন করে এবং বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিভিন্ন মিশন ও ভিশনকে সামনে রেখে সুনামের সাথে বর্তমান জেলা প্রশাসক মহোদয় কাজ করে যাচ্ছেন।
বঙ্গবন্ধু সোনার বাংলা গড়ার জন্যে সোনার মানুষ চেয়েছিলেন। আমাদের আজকের শিশু-কিশোররাই তো সেই আদর্শ সোনার মানুষ হতে পারে, যারা সরকারের ২০৪১ সালের সুখী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের স্বপ্নপূরণে নেতৃত্ব দেবে।
শিক্ষায় পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে শিক্ষার মূল স্রোতে আনার লক্ষ্যে এবং টেকসই ঊন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ২০১৫ এর লক্ষ্য” ৪- মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠা”করার লক্ষ্যে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের যোগদানের পর থেকেই মৌলভীবাজারে অবস্থিত প্রত্যেকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মান যাচাই এর জন্য তিনি নিয়মিত স্কুল,কলেজ পরিদর্শন করেন।
একজন জেলা প্রশাসক হলেন একটি জেলার অভিভাবক। একটি পরিবারের অভিভাবক যেমন শক্ত হাতে পরিবারের হাল ধরেন তেমনি আবার কোমল হৃদয়ে সদস্যদের খেয়াল রাখেন। আমাদের জেলা প্রশাসক মহোদয় ঠিক তেমন একজন মানুষ। জেলা প্রশাসক মহোদয়ের এই দিকনির্দেশনার জন্যই মৌলভীবাজারের পরীক্ষার্থীরা সবসময় বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় নিজেদের সফলতার সাথে জেলার গন্ডি পেড়িয়ে জাতীয় পর্যায়ে প্রমাণ করে যাচ্ছে। যার উৎকৃষ্ট উদাহরণ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘর আয়োজিত চিত্রাংকন প্রতিযোগিতায় ঘ বিভাগে ১ম স্থান অধিকার করা মৌলভীবাজার এর শৈশব সিংহ।
এছাড়াও নৃ-তাত্ত্বিক জনগোষ্ঠী যেমন শব্দকর ও বেদে জনগোষ্ঠীর মাঝে শিক্ষাবৃত্তি, শিক্ষার উপকরণ,সাইকেল বিতরণসহ আর্থিকভাবে সাহায্য সহযোগিতা করে শিক্ষার মূল স্রোতে আনার জন্য আমাদের জেলা প্রশাসক মহোদয় সর্বদা কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে পড়াশুনার পাশাপাশি মেধা, মনন ও সৃষ্টিশীলতার বিকাশে ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজনের জন্য প্রত্যেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে সর্বদা দিকনির্দেশনা দিয়ে আসছেন।
এছারাও খেলাধুলায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তনের জন্য সর্বদা অনুপ্রেরণা দিয়ে যাচ্ছেন। তাঁর যাদুকরী নেতৃত্বে শিক্ষা ও খেলাধুলায় এসেছে সমৃদ্ধি ও সফলতা।