Loading..

শিক্ষায় অগ্রযাত্রা

রিসেট

০৫ জুলাই, ২০২২ ১১:৫৪ পূর্বাহ্ণ

হযরত মুয়াবিয়া রাঃ এর ফজিলত

সপ্তমত: #সাইয়্যেদুনা ইমাম হাসান রাদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহু প্রায় সাত মাস খিলাফতের দায়িত্ব পালনের পর হযরত আমীর মু‘আভিয়া রাদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলা  আনহুর অনুকূলে খিলাফত থেকে ইস্তফা দান করেন। আর হযরত আমীর  মু‘আভিয়াও হযরত ইমাম হাসানের জন্য বাৎসরিক একটি ওযীফা (ভাতা) বা  নযরানা নির্দ্ধারণ করেছিলেন। হযরত ইমামও তা গ্রহণ করেছিলেন। হযরত  মু‘আভিয়ার মধ্যে যদি শরীয়ত-বিরোধী কোন বিষয় থাকতো, তাহলে নবী- দ্রৌহিত্র ও হায়দারে র্কারারের শাহযাদা হযরত হাসান কখনো তাঁর অনুকূলে  খিলাফত ছাড়তেন না এবং ওই নযরানাও গ্রহণ করতেন না। আর অদৃশ্য-জ্ঞানের ধারক নবী-ই আক্‌রাম হযরত হাসানের এ পদক্ষেপের আগাম  প্রশংসা করে এরশাদ করেছিলেন, ‘‘আমার এ দৌহিত্র হলেন সাইয়্যেদ। আল্লাহ্  তা‘আলা তার মাধ্যমে মুসলমানদের দু’টি বড় দলের মধ্যে সমঝোতা করাবেন।’’ আরো লক্ষ্যণীয় যে, এ সমঝোতার সময় হযরত ইমাম হোসাঈন রাদ্বিয়াল্লাহু  তা‘আলা আনহু প্রাপ্ত বয়স্ক, বুদ্ধিমান ও জ্ঞানী ছিলেন; কিন্তু তিনিও এ সন্ধির  ব্যাপারে কোন দ্বিমত পোষণ করেননি; বরং তিনিও এ’তে সম্মতি জ্ঞাপন  করেছিলেন। যদি আমীর মু‘আভিয়া সম্পর্কে তাঁদের কোন বিষয়ে সন্দেহ কিংবা  তাঁর ন্যায়পরায়ণতা ও তাক্বওয়া ইত্যাদির ব্যাপারে দ্বিমত থাকতো তাহলে তাঁরা  সমঝোতার ব্যাপারে সম্মতিতো দূরের কথা; বরং মোকাবেলা করতেন,  যেমনিভাবে ইয়াযীদের বিরোধিতা ও তার সাথে মোকাবেলা করেছেন

মন্তব্য করুন