সহকারী শিক্ষক
১৫ জানুয়ারি, ২০২৩ ০৭:৫৩ পূর্বাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
বিশ্বব্যাপী বাড়ছে হার্ট অ্যাটাকের সংখ্যা। শুধু বয়স্করাই নয় বর্তমানে কমবয়সীদের মধ্যেও হার্ট অ্যাটাকের ঘটনা ঘটছে এমনকি অকালে ঝরে যাচ্ছে অনেক প্রাণ।
এ কারণে সবাইকে সচেতন হতে হবে। এর প্রাথমিক লক্ষণ জানা থাকলে আপনি নিজের জীবনের পাশাপাশি অন্যের জীবনও বাঁচাতে পারবেন।
হৃৎপিণ্ডে রক্তের অভাবের কারণে হঠাৎ করে হার্ট অ্যাটাক হতে পারে। দ্রুত চিকিৎসার মাধ্যমে এ রোগীকে সুস্থ করা যেতে পারে।
v সাধারণত বুক ব্যথা, অস্বস্তি বা চাপের উপসর্গ ছাড়াও হার্ট অ্যাটাক নারী-পুরুষ বা ডায়াবেটিস রোগীদের মধ্যে ভিন্নভাবে প্রকাশ পেতে পারে। এরমধ্যে বদহজম, চরম ক্লান্তি, শ্বাসকষ্ট ও অসুস্থ বোধ করা অন্তর্ভুক্ত।
v এই উপসর্গগুলো দেখা দিলে আপনি যত দ্রুত হাসপাতালে যাবেন তত তাড়াতাড়ি ডাক্তাররা কত অবরুদ্ধ করোনারি ধমনী খুলে দিতে পারেন। এতে আপনার মৃত্যু ঝুঁকি কমবে ও সুস্থ হয়ে উঠতে পারবেন দ্রুত। সময় যত কম , ফলাফল তত ভালো।
v হার্ট অ্যাটাকের সময় ধমনীতে রক্ত প্রবাহকে ব্লক করে দেয়। যত দ্রুত পারেন ৩২৫ মিলিগ্রামের অ্যাসপিরিন ডোজ নিন। এতে ধমনীর রক্তের জমাট বাঁধার কিছু অংশ ভেঙে দিতে সাহায্য করে। চিকিৎকরা ইহা গিলে ফেলার পরিবর্তে চিবানোর পরামর্শ দেন ,যাতে এটি দ্রুত শরীরে প্রবেশ করতে পারে।
v যদি মনে করেন আপনার হার্ট অ্যাটাক হয়েছে , তাহলে নিজেই হাসপাতালে যাওয়ার চেষ্টা করবেন না। এর বদলে তাড়াতাড়ি অ্যাম্বুলেন্স কল করুন। আপনি চেতনা হারাতে পারেন, তাই এই ঝুঁকি নিবেন না। পরিবারের কাউকে যদি পাশে না পান তাহলে তাকে বলুন আপনাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করতে।
v হৃদরোগে আক্রান্ত ব্যক্তির যদি শ্বাস-প্রশ্বাস না থাকে বা নারী খুজে না পান , তাহলে রক্ত প্রবাহিত রাখতে সিপিআর শুরু করুন। তার আগে অবশ্যই অ্যাম্বুলেন্স কল করুন।
v হ্যান্ডস-অনলি সিপিআরের জন্য আপনাকে ব্যক্তির বুকের মাঝখানে দ্রুত ছন্দে জোরে জোরে ধাক্কা দিতে হবে , যতক্ষণ না প্যারামেডিকরা আসেন ততক্ষণ পর্যন্ত । প্রতি মিনিটে প্রায় ১০০-২০০ কম্প্রেশন দিতে হবে।