Loading..

শিক্ষায় অগ্রযাত্রা

রিসেট

৩১ জানুয়ারি, ২০২৩ ০৮:১৫ অপরাহ্ণ

রাঙ্গুনিয়ায় কৃষকরা বোরো আবাদে ব্যস্ত

শ্রদ্ধেয় প্যাডাগজি রেটার,এডমিন,সেরা কনটেন্ট নির্মাতা,সেরা উদ্ভাবক,সেরা নেতৃত্ব,বাতায়ন সকল শিক্ষক- শিক্ষিকা আইসিটি জেলা অ্যাম্বাসেডর আমার আপলোডকৃত 69তম কনটেন্ট"আতা-ই-রাসূল, সুলতান-উল-হিন্দ, খাজা মঈনুদ্দিন চিশতী হাসান সনজরী (রহঃ)-এর ৮১১তম  "দেখে লাইক,গঠন মূলক মতামত ও রেটিং প্রদানের জন্য বিনীত অনুরোধ করছি।


 

চট্টগ্রামের শস্যভাণ্ডারখ্যাত রাঙ্গুনিয়ার গুমাইবিলসহ উপজেলা জুড়ে বোরো আবাদে বীজতলা পরিচর্যা ও রোপনের জন্য জমি প্রস্তুতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকেরা। সপ্তাহখানেকের মধ্যে পুরোদমে শুরু হবে বোরো ধান রোপন মৌসুম। এই লক্ষ্য গুমাইবিলসহ উপজেলার ৮ হাজার ৩৬০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের চুড়ান্ত প্রস্তুতিতে এগিয়ে চলছে। ইতোমধ্যে অনেক কৃষকের বীজতলা পরিপূর্ণ।পাওয়ার টিলার ও ট্রাক্টর দিয়ে বীজতলা ও ফসল আবাদের জন্য ঘাম ঝড়ানো অব্যাহত রয়েছে। কৃষকরা পাওয়ার টিলার দিয়ে জমি চাষ করছেন, কেউ সেচ দিচ্ছেন, কেউ জমির আল বাঁধছেন, বীজতলা সমান করছেন, কেউবা বীজ বপন করছেন।

 

কৃষি অফিস সূত্রমতে, গেল আমন মৌসুমে অনাবৃষ্টিতে নানা আশংকার মাঝেও বাম্পার ফলন হয়েছে। সেই লক্ষ্মাত্রা উদ্দেশ্য করে এবার চলছে বোরো আবাদের প্রস্তুতি। ইতিমধ্যেই কিছু জমিতে বোরো আবাদ শুরু হয়েছে এবং কোথাও আবাদের প্রস্তুতি চলছে। তবে বোরোর বীজতলা এখন সম্পূর্ণ তৈরি। আগামী এক-দুই সপ্তাহের মধ্যে বোরো আবাদ পরিপূর্ণভাবে শুরু হবে বলে জানান কৃষকরা।

রাঙ্গুনিয়া উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, গত আমন মৌসুমে রাঙ্গুনিয়ার ১৫ হাজার ৩৪৫ হেক্টর জমিতে আমন চাষাবাদ হয়েছে। যেখানে ধানে হেক্টর প্রতি ৫.৭ মেট্রিক টন এবং চালে ৩.৭ মেট্রিক টন ধান উৎপাদিত হয়েছে। এবার উপজেলার ৮ হাজার ৩৬০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বোরো আবাদের জন্য লক্ষ্যে গত ডিসেম্বর থেকেই কোনো কোনো কৃষক আগাম বীজতলা তৈরি করে এখন রোপণ শুরু করে দিয়েছেন। তবে চারার ঘাটতি পূরণে এখনো বীজতলা তৈরির কাজ পূরোদমে এগিয়ে চলছে।

রাঙ্গুনিয়ার বিভিন্ন এলাকায় সরেজমিনে দেখা যায়, চট্টগ্রামের শস্যভাণ্ডারখ্যাত রাঙ্গুনিয়ার গুমাইবিলসহ রাজানগর,সরফভাটা,পারুয়া,পোমরা,বেতাগী ও পদুয়ায় বোরো ধানের বীজতলা পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকেরা। সপ্তাহখানেকের মধ্যে পুরোদমে শুরু হবে বোরো ধান জমিতে রোপনের মূলকাজ । এই লক্ষ্যে গুমাইবিলের প্রায় ২ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের প্রস্তুতি চলছে। ইতোমধ্যে অনেক কৃষকের বীজতলা পরিপুষ্ট হয়ে উঠেছে।

গুমাইবিলে দায়িত্বপ্রাপ্ত উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা উত্তম কুমার বলেন, বীজতলায় চারা ইতোমধ্যে রোপন উপযোগী হয়েছে। কিছু কিছু কৃষক বোরো আবাদও শুরু করেছে।

তিনি আরও বলেন, সরকারি প্রণোদনা পাওয়া হাইব্রিড জাতের আবাদের দিকে ঝুঁকছে কৃষকরা। কারণ এই জাতের ধানে খরচ কম ফলন বেশি। প্রণোদনা পাওয়া বীজের বাইরেও কৃষকরা নিজ উদ্যোগে এই বীজ সংগ্রহ করে বীজতলা তৈরি করেছেন। এছাড়া ব্রি ধান ২৮, ২৯, ৫৮, ৮৯, ৯২, উচ্চ ফলনশীল উফশী জাতসহ বিভিন্ন দেশীয় জাতের বীজতলা তৈরি হয়েছে অনেক।

চন্দ্রঘোনা কদমতলী এলাকার কৃষক আবুল কাশেম বলেন, চারা মোটামুটি বড় হয়ে গেছে। কৃষি অফিসারদের পরামর্শ অনুযায়ী প্রতিরোধমূলক সব ব্যবস্থা হাতে নিয়েছি।

বুইজ্জার দোকান এলাকার কৃষক জসিম জানান, তিনি এবার ৩ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ করবেন। এজন্য গত ডিসেম্বর থেকে বীজতলা তৈরি করেছেন। ইতোমধ্যে ২ হেক্টর জমিতে আবাদ করেছেন। বাকিগুলোতে আবাদের প্রক্রিয়া শেষ পর্যযায়ে আছে। বীজতলা যাতে নষ্ট না হয় সেজন্য কৃষি অফিসের পরামর্শ অনুযায়ী প্রতিরোধ মূলক ব্যবস্থা নিয়েছেন।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্র জানান, এবার যথাসময়ে বোরো মৌসূমে ধানের বীজতলা তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে বীজতলার চারা হৃষ্টপুষ্ট হয়ে গেছে। গেল মৌসুমে রাঙ্গুনিয়ায় আমনের বাম্পার ফলন হয়েছে। কৃষকরা ভাল দামও পেয়েছেন। এর ধারাবাহিকতায় এখন পর্যন্ত কোনো সমস্যা ছাড়াই কৃষকরা বোরো আবাদের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। আশা করি এবারও ভালো ফলন হবে।

 


মন্তব্য করুন