Loading..

শিক্ষায় অগ্রযাত্রা

রিসেট

১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ১২:২০ পূর্বাহ্ণ

গুলঞ্চের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা।

গুলঞ্চ একটি দীর্ঘ লতানো উদ্ভিদ। সাধারণত অন্য গাছকে অবলম্বন করে বেড়ে উঠে। বাংলায় একে গুলঞ্চ বলে যা হয়ত গুডুচ শব্দ থেকেই এসেছ যা এক প্রকার লতা পাহাড়ে, পার্ব্ত্য চটগ্রামের দিকে বেশি দেখা যায়। পরিনত বয়সে লতাগুলো আঙুলের ন্যায় মোটা হয়। লতার গায়ের ছালগুলা কাগজের মত পাতলা। নিচে সবুজ এবং ভিতরে সাদা। স্বাদ তিক্ত ও পিচ্ছিল। পাতা সরল, একান্তর, অনেকটা পান আকৃতির, শীতকালে পাতা পড়ে বসন্তে আবার নতুন পাতা বের হয়। ছোট হরিদ্রাভ সাদা ফুল ও মটরের মত বীজ হয়। ফল পাকলে লাল বর্ণের দেখায়। গুলঞ্চের পাতা ও কান্ডের ভেষজগুণ অনন্য।

উপকারিতা

বাতজ্বর হলে :

১০-১২ গ্রাম গুলঞ্চের কাচা পাতা বা কান্ডে থেতো করে নিন। এরপর এক কাপ গরম পানিতে তিন ঘন্টা ভিজিয়ে রাখুন। পরে হাত দিয়ে কচলিয়ে ছেকে পানিটুকু দিনে দুই থেকে তিন বার পান করলে অনেক দিন ধরে ভুগতে থাকা বাত জ্বর সেরে যাবে।

চর্মরোগ সারে :

সব ধরনের চর্মরোগে ৮-১০ গ্রাম কাচা কাণ্ড থেতো করে এক কাপ পানিতে ভিজিয়ে রেখে পরে কচলিয়ে ছেকে পানিটুকু দিনে দুই থেকে তিন বার পান করতে হবে। নিয়মিত এক মাস পান করলে চর্মরোগ সেরে যাবে।

কৃমি দূর করতে :

কৃমি দূর করতে দুই থেকে তিন চা চামচ গুলঞ্চের কান্ডের রস দিনে দুই থেকে তিন বার চিনি মিশিয়ে খেলে কৃমি থাকবে না। কমপক্ষে পাচ থেকে সাত দিন পান করতে হবে।

শারীরিক দুর্বলতা :

শারীরিক দুর্বলতা দূর করতে গুলঞ্চের কাঁচা পাতার রস উপকারী।

জ্বর সারাতে :

বহুদিনের বাতজ্বর বা থেমে থেমে জ্বরের চিকিৎসায় গুলঞ্চের কাণ্ড ব্যবহার হয়।

কাণ্ডের ব্যবহার :

জন্ডিস, হাত পায়ে জ্বালাপোড়া , বহুমূত্র, অর্শরোগে গুলঞ্চের কাঁচা পাতা ও কাণ্ড দুটোই ব্যবহার হয়।

চর্মরোগ, শ্বসনালির অনিয়ম, স্নায়ুশূল রোগে ব্যবহৃত হয়।

বোধশক্তি উন্নত করতে গুলঞ্চের কাঁচা পাতা রস ব্যবহার হয়।

কাঁচা কাণ্ডের রস মূত্র বৃদ্ধিকারক ও গনোরিয়ার চিকিৎসায় উপকারি।

মন্তব্য করুন