যে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ইন নম্বর নেই এবং সরকারি প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করতে পারছেন না/ এমনকি সুযোগও নেই , সেই সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচালকদের নিজ উদ্দোগে ১৩ টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৪৬ জন শিক্ষকদের
১। চাইল্ড কেয়ার স্কুল
২। উইনার রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল
৩। সুপফা রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল
৪।
কে বি রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল
৫। মেহের-হোসেন রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল
৬। পি আর এম রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল
৭। মুক্তিযোদ্ধা কিন্ডার গার্টেন এনৃড প্রিক্যাডেট
৮। শহীদ মোতালেব হোসেন রেসি: মডেল স্কুল
৯। আশা-মালিহা রেসিডেন্সিয়াল স্কুল
১০। আল-কলম ইউনিভাসাল মাদ্রাসা
১১। এ জেড রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল
১২। আকলিমা-ইউসুফ রেসিডেন্সিয়াল স্কুল
১৩। প্রমিস রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল
নিয়ে মেহের-হোসেন রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুলে প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়। রংপুর, সরকারি টিসার্স ট্রেনিং কলেজের সহযোগি অধাপক জনাব আব্দুর রাজ্জাক স্যার দুই (দিন ) ব্যাপী নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নে , ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের শিখন-শেখানো , এবং নতুন শিক্ষাক্রমে কী কী থাকছে, কী কী করতে হবে এবং মূল্যায়ন পদ্ধতি কিরকম হবে-এই তিনটি বিষয়ের উপর ধারনা দেন। শিখনকালীন ও সামষ্টিক মূল্যায়ন পদ্ধতি ও কৌশল ব্যবহার করে কীভাবে ছক পূরণ এবং সংরক্ষণ (রুব্রিক্স) করবেন সে সম্পর্কে ধারনা দেন। শিখনকালীন মূল্যায়নের নির্দেশক এবং সামষ্টিক মূল্যায়নের নির্দেশক,উভয়ের সমন্বয়ে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর মূল্যায়ন চূড়ান্ত হবে। তিনি শিক্ষকদের জন্য নতুন কারিকুলাম অনুসরণ করে একটি মডেল ক্লাসও উপস্থাপন করেন। আমি মনে করি যে সকল প্রতিষ্ঠানের ইন নম্বর নেই সে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও শিক্ষক ও শিক্ষার্থী আছে তাদের নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়ন ও মূল্যায়ন সম্পর্কে ধারনা দেয়ার জন্যই মূলত এই প্রশিক্ষণের আয়োজন।
মোঃ মিজানুর রহমান