Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

২০ মে, ২০২৩ ১০:২২ পূর্বাহ্ণ

ভিটামিন ও এর উৎস,কাজ এবং অভাবজনিত রোগ সম্পর্কে জানব।



  • ভিটামিন A-র উৎস :
    উদ্ভিজ্জ: গাজর, টম্যাটো, সবুজ শাকসবজি, পাকা আম, পাকা পেঁপে, বাঁধাকপি ইত্যাদি। প্রাণীজ : কড, হাঙর, হ্যালিবাট ইত্যাদি মাছের যকৃৎ থেকে নিষ্কাশিত তেল এবং দুধ, মাখন, ডিমের কুসুম ইত্যাদি।

    ভিটামিন A-র কাজ :
    i) দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করা, (ii) চোখের রড কোশ গঠন করা, (iii) ত্বকের মসৃণতা বজায় রাখা ইত্যাদি।

    অভাবজনিত রোগের লক্ষণ :
    (i) রাতকানা বা নিকটালোপিয়া রোগ দেখা দেয়। (ii) জেরফথ্যালমিয়া দেখা দেয়। (i) দেহকে খসখসে হয়ে যায়। এই অবস্থাকে ফ্রিনোডার্মা বলে। (iv) স্নায়ুতন্ত্রের অংশবিশেষের অবক্ষয় দেখা দেয়।

    ভিটামিন B কমপ্লেক্সের উৎস :
    উদ্ভিজ্জ: ঢেঁকিছাঁটা চাল, গম, চাল ও গমের কুঁড়ো, ভুট্টা, অঙ্কুরিত বীজ, সবুজ শাকসবজি, পাকা কলা, আনারস, পেয়ারা ইত্যাদি।
    প্রাণীজ: মাছ, মাংস, দুধ, মাখন, যকৃৎ ইত্যাদি।

    ভিটামিন B কমপ্লেক্সের কাজ :
    (i) দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করা, (ii) রক্ত কোন গঠন করা, (iii) স্নায়ু কোশ সুস্থ রাখা ও খিদে বাড়তে সাহায্য করা।

    অভাবজনিত রোগের লক্ষণ :
    (i) B₁ -এর অভাবে বেরিবেরি রোগ দেখা দেয়,

    রাসায়নিক নাম: ভিটামিন C-এর রাসায়নিক নাম: অ্যাসকরবিক অ্যাসিড।

    ভিটামিন C-এর উৎস :
    উদ্ভিজ্জ: আমলকী, লেবু, পেয়ারা, টম্যাটো ইত্যাদি।
    প্রাণীজ: মাতৃদুগ্ধ, গোরুর দুধ ইত্যাদি।

    ভিটামিন C-এর কাজ :
    (i) রোগ-প্রতিরোধক ক্ষমতা বাড়ানো, (ii) দাঁত ও মাড়ির সুস্থতা বজায় রাখা, (iii) RBC গঠনে ও বিভিন্ন জারণ-বিজারণ প্রক্রিয়ায় কো-এনজাইমরূপে কাজ করা।

    অভাবজনিত রোগের লক্ষণ :
    (i) স্কার্ভি রোগ হয়, (ii) দাঁতের মাড়ি থেকে রক্তক্ষরণ হয়, (iii) রক্তায়তা দেখা দেয়।

    ভিটামিন D-এর উৎস :
    উদ্ভিজ্জ: বিভিন্ন উদ্ভিজ্জ তেল ও বাঁধাকপি।
    প্রাণীজ : কড়, হাঙর, হ্যালিবার্ট প্রভৃতি মাছের যকৃতের তেল এবং দুধ, মাখন, ডিম।

    ভিটামিন D-এর কাজ :
    (i) অস্থি গঠনে সহায়তা করা, (ii) ক্যালশিয়াম ও ফসফরাসের বিপাক ক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করা ইত্যাদি।
    অভাবজনিত রোগের লক্ষণ : (i) শিশুদের রিকেট রোগ হয়, (ii) ব্যাস্কদের অস্টিওম্যালেসিয়া হয়।


  • ভিটামিন E-এর উৎস :

    উদ্ভিজ্জ: অঙ্কুরিত গম থেকে নিষ্কাশিত তেল, লেটুস শাক, মটরশুঁটি ইত্যাদি।
    প্রাণীজ : দুধ, ডিম, মাছ, মাংস ইত্যাদি।

    ভিটামিন E-এর কাজ :
    (i) বন্ধ্যাত্ব বোধ করা, (ii) স্তনদুগ্ধের ক্ষরণ ঘটানো ইত্যাদি।

    অভাবজনিত রোগের লক্ষণ :
    (i) বন্ধ্যাত্ব প্রাপ্তি হয়, (ii) মাতৃদেহে স্তনদুগ্ধ স্মরণ কমে যায়, (iii) ভ্রূণের বুদ্ধি ব্যাহত হয়। (iv) অ্যান্টি-অক্সিডেন্টরূপে কাজ করে।


  • ভিটামিন K-এর উৎস :
    উদ্ভিজ্জ: টাটকা শাকসবজি, পালংশাক, টম্যাটো, অঙ্কুরিত গন, বাঁধাকপি, সয়াবিন প্রাণীজ: দুধ, মাখন, যকৃৎ, বৃক্ক ইত্যাদি।

      ভিটামিন K-এর কাজ :
    (i) রক্ততঞ্চনে সহায়তা করে, (ii) কো-ফ্যাক্টর রূপে ATP উৎপাদনে সাহায্য করা।

    অভাবজনিত রোগের লক্ষণ :
    (i) স্বাভাবিক রক্ত তঞ্চন পদ্ধতি ঘটে না। ফলে কোনো স্থান কেটে রক্তক্ষরণ বা হেমারেজ হতে থাকে। (ii) মাইটোকনড্রিয়ায় শক্তি উৎপাদন পদ্ধতি বিঘ্নিত হয়।

  •  

মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট