Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

২২ মে, ২০২৩ ০৪:৪৯ অপরাহ্ণ

'শিক্ষিত কন্যা, শতগুণে ধন্যা"

যে জাতি যত বেশি শিক্ষিত,  সে জাতি তত বেশি উন্নত- একথা আমরা সবাই জানি। এছাড়া,  উন্নয়নের পূর্ব শর্ত হচ্ছে শিক্ষা। জাতির কল্যাণ ও অগ্রগতিতে নারী শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। জাতির উন্নয়নের ক্ষেত্রে নারী শিক্ষা কতটা গুরুত্বপূর্ণ সেটা নেপোলিয়নের উক্তির মাধ্যমে স্পষ্ট হয়ে যায়- ' আমাকে একটি শিক্ষিত মা দাও, আমি  শিক্ষিত জাতি উপহার দেব।'  বিশ্ব নেপোলিয়নের এই উক্তির  মর্মার্থ উপলব্ধি করতে পেরেছে বলেই বর্তমানে নারী  শিক্ষার হার বেড়েছে ।  কারণ,  একজন মেয়েকে শিক্ষা দেওয়ার অর্থ হচ্ছে  গোটা পরিবারকে শিক্ষিত করে তোলা। বৃহদার্থে সমাজ ও দেশকে উন্নত করা। তাই, জাতির কল্যাণ অগ্রগতিতে নারী শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই । তাছাড়া ,  নারীরা পেছনে পড়ে থাকলে কোনো দেশই উন্নতি করতে পারবে না।  নারী শিক্ষা ও উন্নয়ন পরস্পর ঘনিষ্ঠ সম্পর্কযুক্ত।  কেননা,  প্রকৃত উন্নয়ন বাস্তবায়ন করতে হলে সমাজের সার্বিক কার্যক্রমে দেশের  নারী জনশক্তির অংশগ্রহণ একান্ত প্রয়োজন। পূর্বে নারী  শিক্ষা গ্রহণকে  অলাভজনকভাবে দেখা হতো। মেয়েদের লেখাপড়া করাতে খরচ হবে, বিয়ে দেওয়ারও খরচ আছে - এসবের জন্য পূর্বে কন্যা শিশুর শিক্ষার প্রতি তেমন কোন আগ্রহ ছিল না। কিন্তু , কবি কাজী নজরুলের মত আমারও আজ বলতে ইচ্ছে করে- ''সে যুগ হয়েছে বাসি, যে যুগে পুরুষ দাস ছিল না ক',  নারীরা আছিল দাসী।'' নারী মুক্তি ও নারীর প্রতি সকল  ধরনের বৈষম্য অবসান করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ  জাতিসংঘ  CEDAW সনদে স্বাক্ষর  করেছে।  

মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট