Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

২৩ মে, ২০২৩ ০১:৪৭ অপরাহ্ণ

লালশির- বিরল প্রজাতির এই পাখিটি এখন বিলুপ্তপ্রায়।

পরিযায়ী এই পাখিটির নাম লালশির (Eurasian Wigeon or Wigeon)। লালমাথা হাঁস, সিঁথিহাঁস বা দুবরাখাওরি হাঁস নামেও পরিচিত। Anatidae গোত্রের পাখিটির বৈজ্ঞানিক নাম anas penelope.
মাঝারি আকারের লালশির লম্বায় ৪৮-৪৯ সেন্টিমিটার, ওজনে ০.৫-১ কেজি। হাঁসা ও হাঁসি দেখতে এক রকম নয়। হাঁসার মাথা, চিবুক, ঘাড়-গলা লালচে বাদামি। মাথার ঠিক মাঝখানটায় কপালের ওপর থেকে একটি কমলা সিঁথি। পিঠ, ডানা ও দেহের দুপাশ ধূসর এবং ডানার ওপরে সাদা চওড়া অংশ রয়েছে। ডানার পালকের অগ্রভাগ ও লেজ কালো। বুক ধূসর গোলাপি ও পেট-তলপেট সাদা। হাঁসির মাথা, ঘাড়-গলা, পিঠ, দেহের পাশ, বুক-পেটসহ পুরো দেহই ধূসর বাদামি থেকে পিঙ্গল বাদামি এবং মাথায় কোনো সিঁথি নেই। হাঁসা-হাঁসি নির্বিশেষে ঠোঁট নীলচে ধূসর, যার আগা কালো। পা ও পায়ের পাতা নীলচে ধূসর।
লালশির মূলত শীতপ্রধান দেশ যেমন: আইসল্যান্ড, ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জ, উত্তর ইউরোপ, দক্ষিণ রাশিয়া, জাপান ইত্যাদি দেশের আবাসিক পাখি। শীতে এ দেশের উপকূলীয় এলাকার নদী, অগভীর হ্রদ, চরাঞ্চলে খালের নদী-মোহনা, হাওর, বিল ইত্যাদিতে বিচরণ করে। এরা দিবাচর ও সান্ধ্যচারী। ছোট থেকে মাঝারি দলে থাকে। ভেজা ঘাস, জলজ আগাছা ও অন্যান্য জলজ উদ্ভিদ খায়। কীটপতঙ্গ ও শূককীটও খেয়ে থাকে। এরা পায়ে হেঁটে বা অগভীর জলায় পানিতে মাথা ডুবিয়ে খাবার খায়। হাঁসা ‘হুইয়ো’ ও হাঁসি ‘কররর্-কররর্-কররর্’ স্বরে ডাকে।

মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট