Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

১৪ জুন, ২০২৩ ০৬:০১ পূর্বাহ্ণ

বিবিষয়ভিত্তি ভিত্তিক যো যোগ্যতার বিব বিবরণণী

বিবিষয়ভিত্তি ভিত্তিক যো যোগ্যতার বিব বিবরণণী

জীবন ও জীবিকা বিষয়ের মাধ্যমে দ্বাদশ শ্রেণি শেষে শিক্ষার্থীরা যেসকল যোগ্যতা অর্জন কর র্জ বে সেগুলো

হলো-পরিবর্তনরিবর্ত শীল কর্মজগত, ক র্ম র্মের চা র্মে হিদা ও প্রয়োজনীয়তা অনুধাবন করে সকল কাজের প্রতি ইতিবাচক

দৃষ্টিভঙ্গি উন্নয়ন করা, কর্মজগর্ম তে প্রবেশের প্রস্তুতি হিসেবে দৈনন্দিন কাজ অনুশীলনের মাধ্যমে প্রাক-যোগ্যতা,

কর্মজগর্ম তের উপযোগী প্রায়োগিক দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা অর্জন করা, ক র্জ র্মজগর্ম তে ঝুঁকিমুক্ত ও সুরক্ষিত থেকে

ভবিষ্যৎ দক্ষতায় অভিযোজন করতে পারা এবং সকলের জন্য নিরাপদ ও আনন্দময় কর্মপর্ম রিবেশ নিশ্চিত

করতে অবদান রাখতে পারা।


বিবিষয়েয়ের ধধারণণায়ন

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভূতপূর্ব অর্ব গ্রযাত্রার ফলে এই শতাব্দীর শিক্ষার্থীরা প্রতিনিয়তই একটি পরিবর্তনরিবর্ত শীল বিশ্বের

সম্মুখীন হচ্ছে। পরিবর্তনরিবর্ত শীল এই বিশ্বে জীবিকা বদলে যাচ্ছে, নিত্য নতুন ক্ষেত্র তৈরি হচ্ছে প্রতি মহূর্তে। র্তে

বর্তমান বর্ত বিশ্ব চতুর্থ শিল্প র্থ বিপ্লবের দোর গোড়ায় এসে পৌছেছে। একটি গবেষণায় দেখানো হয়েছে- যে শিশুরা

আজ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যায়, তাদের ৬৫% কর্মজগর্ম তে প্রবেশ করবে এমন একটি কাজ বা চাকুির নিয়ে, যে

কাজের বা চাকুরির কোনো অস্তিত্বই বর্তমা বর্ত নে নেই। এরকম দ্রুত পরিবর্তনরিবর্ত শীল এবং অজানা বিশ্বকে বিবেচনা

করে, আজকের শিক্ষার্থীদের, তাদের কর্মজগর্ম তে প্রবেশের জন্য প্রয়োজনীয় জ্ঞান, দক্ষতা, মূল্যব�োধ ও দৃষ্টিভঙ্গি

গঠনের লক্ষ্যে ‘জীবন ও জীবিকা’ বিষয়টির নকশা প্রণয়ন করা হয়।


বিষয় পরিচয়


2


জীবন ও জীব জীবন ও জীবিিকা: শশিক্ষক সহা িক্ষক সহায়য়িকা

এই বিষয়টি শিক্ষার্থীদের কর্মের প্র র্মে তি আগ্রহ সৃষ্টি, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের প্রতি শ্রদ্ধার মনোভাব তৈরি

এবং প্রাত্যহিক জীবনের বিভিন্ন কাজ করার সক্ষমতা অর্জনে র মাধ্যমে আত্মবিশ্বাসী ও স্বনির্ভর হ নির্ভ য়ে গড়ে

উঠতে সাহায্য করবে। জীবন ও জীবিকা বিষয় শিক্ষার্থীদের আগ্রহ ও প্রবণতা অনুযায়ী ভবিষ্যৎ দক্ষতা অর্জনে

সক্ষম করে তুলবে এবং তা কাজে লাগিয়ে আগামীতে শিক্ষার্থীরা তাদের ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক

ক্ষেত্রে উদ্ভুত ঝুঁকি ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে যেকোনো পরিস্থিতিতে মানিয়ে নিতে পারবে।

উক্ত যোগ্যতা অর্জনে র লক্ষ্যে এই বিষয়ের চারটি ডাইমেনশন নির্ধারণ করা হয়:

১. আত্মবিশ্লেষণ ও আত্মউন্নয়ন

২. ক্যারিয়ার প্ল্যানিং (কর্মজী র্ম বন পরিকল্পনা)

৩. পেশাগত দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা

৪. ভবিষ্যৎ কর্মদক্ষ তা

উক্ত চারটি ডাইমেনশনের ভিত্তি হলো-

ক) সামাজিক দায়বদ্ধতা

খ) শিল্পবিপ্লবের সাথে অভিযোজন

গ) প্রাক-কর্মযো গ্যতা

ঘ) নিরাপদ ও সুরক্ষিত কর্মপর্ম রিবেশ

জীবন ও জীবিকা বিষয়ের মাধ্যমে মাধ্যমিক শিক্ষা সমাপনান্তে শিক্ষার্থীরা পরবর্তী উচ্চশিক্ষার জন্য প্রস্তুত হতে

পারবে, বৃত্তিমূলক (অকুপেশনাল) কোর্স সং কোর্স শ্লিষ্ট কোনো একটি পেশার প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন কর্জ রে সরাসরি

কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করতে পারবে অথবা উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেকে প্রকাশ করতে পারবে।

অভিজ্ঞতাভিত্তিক শিখন

জীবনের পথে বিচিত্র অভিজ্ঞতার সংস্পর্শে এর্শে সে মানুষের আচরণের যে বাঞ্চিত ও ইতিবাচক পরিবর্তন ঘ রিবর্ত টে

তার স্থায়ী রূপ হলো শিক্ষা। সুতরাং শিখনের পূর্বশর্ত ই হ র্বশর্ত লো অভিজ্ঞতা। অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যে শিখন

সম্পন্ন হয় তা স্থায়ী হয় এবং ক্রমাগত উপলব্ধি বা প্রতিফলনের মাধ্যমে আচরণের ইতিবাচক উন্নয়ন ঘটে।

এবারের শিক্ষাক্রমে তাই অভিজ্ঞতাভিত্তিক শিখনের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সন্নিবেশিত চক্রটিতে

অভিজ্ঞতাভিত্তিক শিখন-শেখানো প্রক্রিয়ার ধাপগুলো দেখানো হয়েছে।

অভিজ্ঞতাভিত্তিক শিখন চক্রটির দিকে লক্ষ্য করলে আমরা সহজেই বুঝতে পারব�ো, শিক্ষার্থী তার শিখন

প্রক্রিয়ায় যদি এই ধাপগুলোর মধ্যে দিয়ে অতিক্রম করে তাহলে শিখনটা স্থায়ীত্ব পাবে এবং কার্যকর শিখন র্য

নিশ্চিত হবে। এমন হতে পারে আগামীতে আমাদের ঘরের কাজে সহায়তাকারীর (গৃহকর্মী) সংকট ব্যাপক হয়ে

উঠতে পারে। রোবট বা যন্ত্র দিয়ে গৃহস্থালি কাজ করানোর সামর্থ হয়র্থ তো সকলের নাও থাকতে পারে। সেক্ষত্রে

আজকের ষষ্ঠ শ্রেণির শিশুটি নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য কিংবা প্রশান্তিময় জীবনের জন্য তাকে কিছু

কিছু গৃহস্থলি কাজকর্ম শিখ র্ম তেই হবে।


3

মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট