ডেমোনেস্ট্রেটর
২৬ জুন, ২০২৩ ০১:৩৮ অপরাহ্ণ
ডেমোনেস্ট্রেটর
ধরনঃ কারিগরি শিক্ষা
শ্রেণিঃ নবম
বিষয়ঃ কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন ১
অধ্যায়ঃ প্রথম অধ্যায়
প্রিন্টারের শ্রেণীবিভাগ গুলি নিচে বিস্তারিত আলোচনা করি।
প্রিন্টার কে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা হয়
1. Impact Printer
2. Non-Impact Printer
1. ইমপ্যাক্ট প্রিন্টার (Impact Printer) :
এমন এক ধরনের প্রিন্টার যা কাগজের সাথে কালি ফিতের সরাসরি যোগের মাধ্যমে কাজ করে । প্রিন্ট করার সময় কাগজের উপর impack অর্থাৎ চাপ প্রয়োগ করে প্রিন্ট করে তাই একে ইমপ্যাক্ট প্রিন্টার বলে।
Impact Printer কে তো দুটি ভাগে ভাগ করা হয়
a. ডট মেট্রিক্স প্রিন্টার (Dot-Matrix Printers) :
এই প্রিন্টার গুলো 1970 – 1980 দশকে বেশি ব্যবহার করা হতো। বর্তমানে এই ধরনের প্রিন্টার গুলো খুব কম ব্যবহার করা হয়। এই প্রিন্টারের মাধ্যমে প্রত্যেকটি অক্ষর বা শব্দ ডট ডট দিয়ে প্রিন্ট করা হতো প্রিন্টারের খরচাও অনেক কম হতো । তাহলে ডট মেট্রিক্স প্রিন্টার কি এই বিষয় টি আপনারা বুঝতে পারবেন ।
b. ডেইজি হুইল প্রিন্টার (Daisy-Wheel Printers):
এই ধরনের প্রিন্টারে একটি Wheel থাকে যেটি ফুলের পাপড়ির মত দেখতে। এই প্রিন্টারের Wheel এর প্রতিটি দন্ড তে অক্ষর বসানো থাকে। যখন ডিক্স টি বা Wheel টি ঘুরতে থাকে যখন কাগজের মুখোমুখি হয় কোন চাপের মাধ্যমে কাগজে প্রিন্ট করে। এই ধরনের প্রিন্টারে প্রিন্ট করতে বেশি সময় লাগে। পএই প্রিন্টার গুলি প্রতি সেকেন্ডে 10-75 টি অক্ষর মুদ্রণ করে।
2. নন ইমপ্যাক্ট প্রিন্টার (Non-Impact Printer) :
এই ধরনের প্রিন্টার গুলো প্রিন্ট করার সময় কাগজের উপর কোন চাপ বা impact সৃষ্টি করে না। প্রিন্টারের সঙ্গে হেড কাগজের কোন যোগাযোগ ছাড়াই ছবি, অক্ষর, চিত্র প্রিন্ট করে।
Non-Impact Printer কে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়।
a. লেজার প্রিন্টার (Laser printer) :
Laser ব্যবহার করে প্রিন্ট করা হয় বলে এর নাম লেজার প্রিন্টার ।
সাদাকালো প্রিন্ট করার জন্য এই ধরনের প্রিন্টার সবথেকে বেশি ব্যবহার করা
হয়। স্কুল কলেজ অফিস ইত্যাদী জায়গায় এই প্রিন্টার বেশি ব্যবহার করা হয
অর্থাৎ অল্প সময়ে বেশি প্রিন্ট করার জন্য এই ধরনের প্রিন্টার ব্যবহার করা
হয়।
b. ইঙ্কজেট প্রিন্টার (Inkjet printer) :
কালি ছিটিয়ে বা কালি স্প্রে করে প্রিন্ট করা হয় বলে এর নাম ইনজেক্ট
প্রিন্টার। সাধারণত colour print ওর জন্য এই ধরনের প্রিন্টার সবথেকে বেশি
ব্যবহার করা হয়।
c. থার্মাল প্রিন্টার (Thermal printer) :
এই প্রিন্টার গুলিতে এমন এক ধরনের বিশেষ কাগজ ব্যবহার করা হয় যা তাপের সংস্পর্শে আসার সময় উত্তপ্ত পিন ব্যবহার করে প্রিন্ট করে। এরকম প্রিন্টারে গুলি সাধারণত ব্যাংকে , শপিংমলে , Atm অফিসে বেশি ব্যবহার করা হয়।
প্রিন্টার এর কাজ কি?
প্রিন্টারের কাজ হল soft copy কে হার্ডকপি তে রূপান্তরিত করে। অর্থাৎ প্রিন্টার ডিজিটাল ডেটাকে কাগজে মুদ্রিত করে।
এছাড়া প্রিন্টারের মাধ্যমে কোন কিছু স্ক্যান করতে পারি এবং কপি করতে পারি ।
প্রিন্টার ব্যবহারের নিয়ম :
প্রিন্টার যদি সঠিকভাবে ব্যবহার না করে এবং প্রিন্টার কে যদি যত্ন করে না রাখিতাহলে প্রিন্টার বেশিদিন টিকবে না ।
নতুন প্রিন্টার কিনে ফেলে রেখে দিলে চলবে না দিনে অন্তত একবার এটা চালু করতে হবে বা প্রিন্ট করতে হবে।
প্রিন্টার কে মেঝেতে রেখে দেবে না টেবিল বা চেয়ারের উপর প্রিন্টার রাখবে। এবং প্রিন্টারে ধুলোবালি যাতে না পড়ে সেজন্য প্রিন্টার কে ঢেকে রাখব।